RK NEWZ ভারতের মাটিতে হবে অলিম্পিক। প্রায় ২ বছর ধরে এই স্বপ্নের কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে দেশের একঝাঁক নেতৃত্ব। সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। এবার ভারতের অলিম্পিক মিশনের জন্য এল সুসংবাদ। মেগা টুর্নামেন্ট আয়োজনের লক্ষ্যে অন্যদের পিছনে ফেলে দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে ভারত। চূড়ান্ত অনুমোদন এখনও বাকি। ২০৩৬ সালে অলিম্পিক আয়োজনে মরিয়া ভারত। শেষ পর্যন্ত ভারতে সত্যিই অলিম্পিকের আসর বসলে তার প্রাণকেন্দ্র হতে চলেছে আহমেদাবাদ। ইতিমধ্যেই ২০৩০-র কমনওয়েলথ গেমস আয়োজিত হতে চলেছে ভারতে। গুজরাটের আহমেদাবাদে হবে এই মেগা ইভেন্ট। পরিকাঠামোর আরও উন্নতি করা হবে বলে আপাতত প্রশাসনের লক্ষ্য। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কথায়, বড় মাপের আরও কয়েকটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে অলিম্পিকের জন্য প্রস্তুত হবে আহমেদাবাদ। ভারতের জন্য ইতিবাচক খবর দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি জানিয়েছে, ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের দাবিদার হিসাবে সাতটি দেশের কমিটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে আপাতত। সেই তালিকাতেই রয়েছে ভারতের নাম। এছাড়াও জার্মানি, হাঙ্গেরি, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তুরস্কের নাম রয়েছে আয়োজকদের তালিকায়। চলতি বছরেই এই সাত দেশ নিজেদের প্রেজেন্টেশন পেশ করবে। আগামী বছর মার্চ মাস থেকে শুরু হবে আয়োজক নির্বাচনের প্রক্রিয়া। ২০২৪ সালে ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের বিড জমা দিয়েছিল ভারত। গত ১৮ মাস ধরে আইওসির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সেই প্রস্তাবকে আরও বিস্তারিত রূপ দেওয়া হয়েছে। ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’র জন্য ভারতের ভাবনা ‘রাইজিং টুগেদার’।আইওএর সভাপতি পি টি উষার কথায়, “রাইজিং টুগেদার কেবল স্লোগান নয়। ভারতের শক্তি, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং বৈচিত্র্যকে একত্র করে অলিম্পিক স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার।” উষার মতে, তরুণ ভারতের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠতে পারে এই অলিম্পিক। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিককে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগও তৈরি হবে।




