Wednesday, May 13, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘আমরা ভোটে হারিনি, আমি ইস্তফা দেব না’!‌ কে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? দৌড়ে এগিয়ে কে?

RK NEWZ বিজেপি যে সরকার গঠন করছে, সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ আর নেই। তবে, এখন বাংলায় একটাই প্রশ্ন সামনে আসছে, পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। মুখ্যমন্ত্রী বাছতে আজই কলকাতায় আসছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। থাকতে পারেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর নেতৃত্বেই মুখ্যমন্ত্রী বাছাই করা হবে। মঙ্গলবার সকালে দিল্লিতে একটি বৈঠক ছিল। সেখানে যোগ দেন বাংলায় দায়িত্বে থাকা বিজেপি নেতা অর্থাৎ সুনীল বনশল, ভূপেন্দ্র যাদবরা। সেখানেই প্রাথমিকভাবে এই বিষয়ে কথা হয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারী
চর্চায় প্রথমেই উঠে আসছে শুভেন্দু অধিকারীর নাম। প্রথমত, ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম জোড়া পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম তো বটেই, মমতার ঘরের কেন্দ্র ভবানীপুরে মমতাকে হারিয়ে কার্যত নজির গড়েছেন তিনি। এছাড়া মমতাকে পরপর দু’বার (২০২১ ও ২০২৬)-এ হারিয়েও নজির তৈরি হারিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও শুভেন্দুর অভিজ্ঞতা অন্যদের থেকে বেশি। কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকলেও, রাজ্যে বিধায়ক বা বিরোধী দলনেতা হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা শুভেন্দুরই বেশি।

দিলীপ ঘোষ
সম্ভাবনার তালিকায় রয়েছে দিলীপ ঘোষের নামও। রাজ্যে বিজেপির উত্থানের ক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষের নামই সবার আগে উঠে আসে। বিজেপির রাজ্য সভাপতিও ছিলেন তিনি। মাঝে বেশ কিছুদিন সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে দূরত্ব থাকলেও, নিয়মিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার অভ্যাস ছাড়েননি তিনি। লোকসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরও দিলীপের প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ বলেন, “পার্টি আমাকে টিকিট দিয়েছিল, আমি দলকে একজন এমএলএ দিয়েছি।”

শমীক ভট্টাচার্য
বঙ্গ বিজেপির বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নাম নিয়েও জল্পনা রয়েছে। গত কয়েকদিনেই রাজ্য সভাপতি হিসেবে বারবার সবাইকে নিয়ে চলার বার্তা শোনা গিয়েছে শমীকের মুখে। এছাড়া, রাজ্যের বিধায়ক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁরও। ছিলেন রাজ্য়সভার সাংসদ।

স্বপন দাশগুপ্ত
বিজেপির অন্যতম বুদ্ধিজীবী মুখ স্বপন দাশগুপ্ত। লন্ডন থেকে এমএ, পিএইডি করা স্বপন পড়াশোনা করেছেন অক্সফোর্ডের অধীন কলেজেও। পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন ও রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। এবার রাসবিহারী কেন্দ্রে দেবাশিস কুমারকে পিছনে ফেলে জয়ী হয়েছেন তিনি। এমন একজন ব্যক্তিকে মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য ভাবতে পারে গেরুয়া শিবির।

অন্যান্য রাজ্যে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, রাজনীতিতে পরিচিত মুখ নয়, এমন কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের মতো মুখের কথা ভাবা হয়েছিল, ত্রিপুরায় বেছে নেওয়া হয়েছিল বিপ্লব দেবকে। এ রাজ্যেও তেমন কিছু ঘটবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অভিজ্ঞতা ছাড়াও এ ক্ষেত্রে সঙ্ঘের মতামতও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বুধবার ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। এখন গোটা রাজ্যে গেরুয়া ঝড়। হেরেছেন রাজ্যের একের পর এক মন্ত্রী। কিছু-কিছু জায়গা বাঁচাতে পেরেছে ঠিকই কিন্তু কয়েকটি জেলায় শূন্য তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারেবারে অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে। প্রায় একশো আসন লঠ করেছে। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে আগেই দায়ী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, আপনি কী রাজভবন যাবেন? তাঁর উত্তর, “কেন যাব রাজভবনে ? আমি যদি শপথ নিতে যেতাম তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে। ভেবেছে আমি পদত্যাগ করতে যাব ? আমি যাব না আমি কেন যাব ? আমরা ভোট হারিনি। আমি ইস্তফা দেব না।”

কংগ্রেস এবং তৃণমূল কী ভবিষ্যতে জোট গড়তে চলেছে ? তিনি বলেন, “আমি কিছু বলব না স্ট্র‍্যাটেজি নিয়ে।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: বেলেঘাটাতে একজনকে মেরে ফেলেছে। মহিলাদের রেপের হুমকি দিচ্ছে। ভুল মেসেজ পৌঁছাচ্ছে বিশ্বের কাছে যে তোমরা গণতান্ত্রিক ভাবে লড়োনি। মা মাটি মানুষ কে ধন্যবাদ । ওনারা ভোট দিয়েছিলেন। আমরা সেই ভোট রক্ষা করতে পারিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: কী চাও তোমরা? শুধু একটি পার্টি ? সারা দেশে একটাই পার্টি থাকবে ?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: সিআরপিএফ গুণ্ডা র মতো আচরণ করেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এরকম ব্যবহার করতে পারে, কোনওদিন ভাবতে পারিনি-দেখিনি। এই অত‍্যাচার যদি চলতে থাকে,তাহলে খুব শীঘ্রই ওদের মুখোশ খুলে যাবে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: যদি আমার পার্টির লোকজনের উপর অত্যাচার করো, তাহলে পরে সেটি ফেরত পাবে। ওরা এমনি জিতলে আমার কোনও কথা বলার ছিল না। কিন্তু তোমরা জোর করে ক‍্যাপচার করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: দশ জনের একটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি করেছি। যারা যেখানে যেখানে সমস্যা হয়েছে যাবে দেখবে। আমার পার্টি হেড কোয়ার্টারে ও হামলা করেছে। আমরা কিছু স্ট্র্যাটেজি নিচ্ছি । সংবাদ মাধ্যম কে জানাচ্ছি না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: কাউন্টিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি আমাকে পেটে মেরেছে। পিছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে। ধাক্কা দিতে দিতে মারতে মারতে বের করেছে। মহিলা হওয়ার পর আমার সঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করেছে এবং অত্যাচার‍ করেছে। আমি ঘুরে দাঁড়াব, বাঘের মতো লড়াই করেছি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: মিডিয়ার একাংশ আগে থেকেই দেখাতে শুরু করেছে আমি পিছিয়ে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: আমরা যখন জিতেছিলাম আমি বলেছিলাম কারও উপর যেন অত্যাচার না হয়। বদল চাই বদলা নয়। আমরা সিপিএম-এর একটা পার্টি অফিসে হাত দিইনি। অত্যাচার করিনি। আমি রবীন্দ্রসংগীত আর নজরুল গীতি গাইতে দিয়েছিলাম। আর তিনদিন ধরে বিজেপি অত্যাচার করছে। সিআরপিএফ। এটা জওয়ান বাহিনী না বুট বাহিনী…

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: ওরা অত্যাচার করছে। এমনকী তফশিলি জাতি উপজাতিদের ছাড়ছে না। ভাঙর থেকে বারাসত, কলকাতা থেকে শুরু করে জঙ্গল মহল — সর্বত্র বিজেপি অত্যাচার করে চলেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: আমি এখন পদে নেই । I am now free birds.আমি এক পয়সা বেতন নিইনি। আমি পুরো জীবনটাই মানুষকে উৎসর্গ করেছি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: আমি কোনও দিন এই ধরনের নির্বাচন দেখিনি। ২০০৪ সালেও আমি এমন দেখিনি। যখন আমি একা ছিলাম তখনও দেখিনি। সোনিয়া গান্ধী, রাহন গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন থেকে শুরু করে ইন্ডিয়া জোটের লোকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামিকাল অখিলেশ যাদব আসছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: আমরা কিন্তু হারিনি। আমাদের ১০০ আসন লুঠ করা হয়েছে। আমাদের লড়তে হয়েছে বিজেপির সঙ্গে নয়। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে। ভোটের পরে ইভিএম মেশিন চার্জড। দুটি পর্যায়ে নির্বাচন হওয়ার পরে আমাদের লোকজনকে গ্রেফতার করতে শুরু করে এবং আধিকারিকদের বদলি শুরু করে। নিজেদের পার্টি থেকে আমলা নিয়ে আসে। গট আপ নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির মধ‍্যম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles