Monday, July 20, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষের বাড়ি ভাঙছে ইউনুস সরকার!‌ বাংলাদেশে উপেন্দ্র কিশোর রায়চৌধুরীর ভিটে ভাঙার কাজ চলছে

বাংলাদেশে সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষের বাড়ি ভেঙে ফেলে সেখানে নতুন শিশু অ্যাকাডেমি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়ে মহম্মদ ইউনুসের সরকার। ময়মনসিংহের হরিকিশোর রায় চৌধুরী রোডে অবস্থিত উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর স্মৃতিবিজড়িত এই বাড়িটি এমনিতেই বহুকাল ধরে ভগ্নদশায় কোনওমতে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই বাড়িটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে জানতে পেরে এবার কী বললেন সত্যজিৎ রায়ের ছেলে সন্দীপ রায় উদ্বিগ্ন। রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে পূর্বপুরুষের বাড়ি ভাঙা নিয়ে সন্দীপ রায় জানান, তাঁরা এই বাড়ির অবস্থার বিষয়ে একদমই অবগত নন। তিনি বলেন, ‘এর আগে শুনেছিলাম, বাড়িটির সংস্কার করা হবে। হেরিটেজের মতো করা হবে। এখন দেখছি অন্য কিছু ঘটছে। আমি কোনওদিন ওখানে যাইনি। বাবা হয়ত একবার গিয়েছিলেন বহুকাল আগে। যে কারণে আমাদের পক্ষে বলা মুশকিল। তবে বাড়িটার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল এটুকু বলতে পারি। ভারত সরকার জানিয়েছে যে তারা বাংলাদেশের ময়মনসিংহে সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক সম্পত্তি মেরামত ও পুনর্নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সাথে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক। মহম্মদ ইউনুসের শাসনে থাকা বাংলাদেশে উপেন্দ্র কিশোর রায়চৌধুরীর ভিটে ভাঙার কাজ চলছে। ঘটনার খবর পেতেই ক্ষোভ উগরে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়িটিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার্থে দিল্লির জোরালো বার্তা যায় ঢাকার কাছে। বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘বাংলা সাংস্কৃতিক নবজাগরণের প্রতীক ভবনটির ঐতিহাসিক মর্যাদা বিবেচনা করে, ধ্বংসের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা ভালো এবং এটিকে সাহিত্যের মিউজিয়াম এবং ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা যায় কিনা তার জন্য এর মেরামত ও পুনর্নির্মাণের বিকল্পগুলি খতিয়ে দেখা হোক। ভারত সরকার এই উদ্দেশ্যে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক।’ উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর বাড়ি – একটি বিশিষ্ট প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন – পূর্বে ময়মনসিংহ শিশু একাডেমি হিসাবে ব্যবহৃত হত। তবে, কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে রায়ের পৈতৃক সম্পত্তিটি বছরের পর বছর ধরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। ‘এটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে একটি নতুন আধা-কংক্রিটের কাঠামো তৈরির জন্য।’ এই বাড়ি একটি প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শনও।

ভারত সরকার জানিয়েছে যে তারা বাংলাদেশের ময়মনসিংহে সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক সম্পত্তি মেরামত ও পুনর্নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সাথে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক। মহম্মদ ইউনুসের শাসনে থাকা বাংলাদেশে উপেন্দ্র কিশোর রায়চৌধুরীর বাড়ি অর্থাৎ সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক ভিটে ভাঙার কাজ চলছে। ঘটনার খবর পেতেই ক্ষোভ উগরে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই, ওই বাড়িটিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার্থে দিল্লির জোরালো বার্তা গেল ঢাকার কাছে। কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘বাংলা সাংস্কৃতিক নবজাগরণের প্রতীক ভবনটির ঐতিহাসিক মর্যাদা বিবেচনা করে, ধ্বংসের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা ভালো এবং এটিকে সাহিত্যের মিউজিয়াম এবং ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা যায় কিনা তার জন্য এর মেরামত ও পুনর্নির্মাণের বিকল্পগুলি পরীক্ষা করে দেখা হোক।’ বিশিষ্ট সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী তথা সত্যজিৎ রায়ের এই পৈতৃক ভিটে বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারের অধীনে। আর তা ভাঙার খবর পেতেই তা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে দিল্লি। ভারত সরকারের সাফ দাবি, বাড়িটি পুনর্নিমাণে দিল্লি ইচ্ছুক ঢাকাকে সহযোগিতা করতে। বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিকে বলা হয়েছে,’ভারত সরকার এই উদ্দেশ্যে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক।’ উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর বাড়ি একটি বিশিষ্ট প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পূর্বে ময়মনসিংহ শিশু একাডেমি হিসাবে ব্যবহৃত হত। তবে, কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে রায়ের পৈতৃক সম্পত্তিটি বছরের পর বছর ধরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। এটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে একটি নতুন আধা-কংক্রিটের কাঠামো তৈরির জন্য। এই বাড়ি একটি প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শনও। ভাঙা হচ্ছে বাংলাদেশের ময়মনসিংহে অবস্থিত সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়ি। হরিকিশোর রায় রোডে এই পুরনো বাড়িটি বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাদেমির ভবন হিসাবে ব্যবহৃত হত। তা ভেঙে ফেলার খবরে মর্মাহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে’ এই বাড়িটি জড়িত বলে অভিযোগ করে তীব্র প্রতিবাদ করেছেন তিনি।এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘এই সংবাদ অত্যন্ত দুঃখের। রায় পরিবার বাংলার সংস্কৃতির অন্যতম ধারক ও বাহক। উপেন্দ্রকিশোর বাংলার নবজাগরণের একজন স্তম্ভ। তাই আমি মনে করি, এই বাড়ি বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। খবরে প্রকাশ যে, বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শহরে সত্যজিৎ রায়ের ঠাকুরদা, স্বয়ং স্বনামধন্য সাহিত্যিক-সম্পাদক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর স্মৃতিজড়িত তাঁদের পৈতৃক বাড়িটি নাকি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। ভাঙার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল বলে খবর প্রকাশিত। এই সংবাদ অত্যন্ত দুঃখের।’বাংলাদেশের আইনজীবী ছিলেন হরিকিশোর রায়। পরবর্তী কালে তিনি প্রচুর সম্পত্তির মালিক হন। পান রায়চৌধুরী উপাধি। হরিকিশোর প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পালক পিতা। উপন্দ্রেকিশোর এই বাড়িতে দীর্ঘদিন কাটিয়েছেন। সেই স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। সেখানে বহুতল বানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

বাংলার স্বনামধন্য রায় পরিবারের এই বাড়িটি বাংলাদেশের ঢাকার হরিকিশোর রায় চৌধুরী রোডে অবস্থিত এবং প্রায় এক শতাব্দী পুরনো। হরিকিশোর রায় চৌধুরী নিজে উপেন্দ্র কিশোর, সুকুমার এবং সত্যজিতের পূর্বপুরুষ ছিলেন। শশী লজের ঠিক পিছনে অবস্থিত বাড়িটি, অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কর্তৃপক্ষের বছরের পর বছর অবহেলার কারণে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায় ছিলেন উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর নাতি। ১৯৮৯ সাল থেকে দেড়শোর বেশি বছর পুরনো এই বাড়িটি বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাদেমির ভবন হিসাবে ব্যবহার করা হত। কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে নিরাপত্তার কারণে সেই বাড়িটি থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় শিশু অ্যাকাদেমি। সম্প্রতি সেটি ভেঙে বহুতল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তা জানতে পেরেই প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের শশীলজ জাদুঘরের মাঠ কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন বাড়িটি ভাঙা সম্পর্কে তথ্য চেয়ে জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা জানতে পেরে বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যাতে বাড়িটি রক্ষা করা যায়। বিষয়টিতে ভারত সরকারেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মমতা। তিনি লেখেন, ‘আমি বাংলাদেশ সরকার ও ওই দেশের সমস্ত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাছে আবেদন করব, এই ঐতিহ্যশালী বাড়িটিকে রক্ষা করার জন্য। ভারত সরকার বিষয়টিতে নজর দিন।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles