Wednesday, May 13, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

অভিষেকের বাড়ির সামনে ‘চোর চোর’, ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান! ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরের সামনে থেকে বিশেষ নিরাপত্তা তুলে নিল লালবাজার!

RK NEWZ তৃণমূলের লোকসভার নেতা তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে ‘চোর চোর’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠল মঙ্গলবার বিকেলে। বাইকে সওয়ার কিছু যুবক চলন্ত অবস্থাতেই স্লোগান দেন বলে অভিযোগ। সোমবার ভোটগণনা-পর্বের পরেও অভিষেকের বাড়ির সামনে দিয়ে কিছু মানুষ স্লোগান দিতে দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। প্রসঙ্গত, কালীঘাটের অদূরে হরিশ মুখার্জি রোডে ২৩ পল্লির একেবারে উল্টো দিকেই অভিষেকের বাড়ি ‘শান্তিনিকেতন’। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁর নিরাপত্তার জন্য ওই রাস্তার একাংশ জুড়ে ব্যারিকেড করে রেখেছিল কলকাতা পুলিশ। যাতায়াতের পথে কলকাতা পুলিশের একটি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (কিউআরটি)-ও সেখানে চোখে পড়ত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে দেখা যায় কলকাতা পুলিশের কিউআরটি নেই। তবে রয়েছেন কিছু পুলিশকর্মী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর দু’জন জওয়ান। কেন্দ্রীয় দুই জওয়ান জানান, তাঁরা কোনও নির্দিষ্ট বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে নেই। সামগ্রিক ভাবে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মোতায়েন রয়েছেন। অন্য দিকে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘আমাদের কাজ, যাতে কোনও জমায়েত না হয়। কোনও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে না পারে। কেউ চলন্ত বাইক থেকে চিৎকার করলে আমাদের কিছু করার নেই।’’ তবে কিউআরটি উধাও হলেও অভিষেকের বাড়ির সামনে মঙ্গলবার রাতে ব্যাকিকেড দেখা গিয়েছে। ক‍্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের সামনে থেকে সরে গিয়েছে পুলিশি প্রহরা। শেক্সপিয়র সরণি থানার অন্তর্গত ওই এলাকা থেকে হঠাৎই পুলিশ প্রহরা তুলে নেওয়া হয়। তৃণমূল সরকারের জমানায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তার জালে মোড়া থাকত ক্যামাক স্ট্রিট এলাকা। এমনকি, গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের ক্যামাক স্ট্রিটে মিছিল করার অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। কলকাতা হাই কোর্ট থেকে অনুমতি আদায় করে মিছিল করেছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। সেই ক্যামাক স্ট্রিট থেকে পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাহারের জেরে শুরু হয় জল্পনা। তার আগে মঙ্গলবার সকালে, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির দিকে যাওয়ার গলির মুখে ‘সিজ়ারস ব্যারিকেড’ তুলে নেয় পুলিশ। এত দিন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রীর বাড়ির দিকে রাস্তায় এগোনোর ক্ষেত্রে কড়াকড়ি ছিল। পরিচয় জানতে চাওয়া হত। কী কাজ, কার সঙ্গে দেখা করবেন, এমন নানা প্রশ্ন করতেন মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীরা। এমনকি, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবেশীদেরও বাড়ি থেকে বার হওয়ার সময় পকেটে কিংবা ব্যাগে আধার কার্ড নিতে হত। সোমবার রাত পর্যন্ত সেই বন্দোবস্ত থাকলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে ‘অন্য বন্দোবস্ত’ দেখা যায় কালীঘাট থানার অন্তর্গত ওই এলাকায়।

তৃণমূল সরকারের জমানায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তার জালে মোড়া থাকত ক্যামাক স্ট্রিট এলাকা। এমনকি, গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের ক্যামাক স্ট্রিটে মিছিল করার অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক‍্যামাক স্ট্রিটের দফতরের সামনে থেকে সরে গেল পুলিশি প্রহরা। মঙ্গলবার দুপুরে শেক্সপিয়র সরণি থানার অন্তর্গত ওই এলাকা থেকে হঠাৎই পুলিশ প্রহরা তুলে নেওয়া হয়। কলকাতা হাই কোর্ট থেকে অনুমতি আদায় করে মিছিল করেছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। সেই ক্যামাক স্ট্রিট থেকে পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাহারের জেরে শুরু হল জল্পনা। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির দিকে যাওয়ার গলির মুখে ‘সিজ়ারস ব্যারিকেড’ তুলে নেয় পুলিশ। এত দিন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রীর বাড়ির দিকে রাস্তায় এগোনোর ক্ষেত্রে কড়াকড়ি ছিল। পরিচয় জানতে চাওয়া হত। কী কাজ, কার সঙ্গে দেখা করবেন, এমন নানা প্রশ্ন করতেন মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীরা। এমনকি, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবেশীদেরও বাড়ি থেকে বার হওয়ার সময় পকেটে কিংবা ব্যাগে আধার কার্ড নিতে হত। সোমবার রাত পর্যন্ত সেই বন্দোবস্ত থাকলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে ‘অন্য বন্দোবস্ত’ দেখা যায় কালীঘাট থানার অন্তর্গত ওই এলাকায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles