RK NEWZ বর্তমানে দেশের ৩৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিষেবা দেয় বন্ধন ব্যাঙ্ক। ৬,৪০০টিরও বেশি ব্যাঙ্কিং আউটলেটের মাধ্যমে প্রায় ৩.২ কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছেছে তারা। কর্মীর সংখ্যা ৭৫ হাজারের বেশি। ব্যবসার পরবর্তী পর্যায়ের বৃদ্ধির জন্য ঋণ ও অন্যান্য সম্পদের বৈচিত্র্য বাড়াতে চাইছে বন্ধন ব্যাঙ্ক। বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে খুচরো ঋণে। একই সঙ্গে ডিজিটাল পরিষেবার সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে কাজের দক্ষতা বাড়ে এবং গ্রাহকের ব্যাঙ্কিং অভিজ্ঞতা আরও সহজ হয়। ঋণ ও আমানত—দুই ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি ধরে রাখল বন্ধন ব্যাঙ্ক। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ব্যাঙ্কের মোট ব্যবসা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ শতাংশের বেশি বেড়ে ৩.৩ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এই ত্রৈমাসিকে নিট মুনাফা হয়েছে ৬২২ কোটি টাকা। আর্থিক ফলাফল অনুযায়ী, বন্ধন ব্যাঙ্কের মোট ঋণ পোর্টফোলিও এক বছরের ব্যবধানে ১৩.১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৫৮ লক্ষ কোটি টাকায়। একই সময়ে মোট আমানত ৯.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১.৭৩ লক্ষ কোটি টাকা। আমানতের ক্ষেত্রে খুচরো গ্রাহকদের অবদান উল্লেখযোগ্য। ব্যাঙ্কের মোট আমানতের প্রায় ৭৩ শতাংশই এসেছে এই গ্রাহকদের কাছ থেকে। চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাবের আমানতের অনুপাত, অর্থাৎ সিএএসএ অনুপাত দাঁড়িয়েছে ২৬.৭ শতাংশে। ব্যাঙ্কের মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত বা সিএআর রয়েছে ১৮.৩ শতাংশে। বন্ধন ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, এই হার নিয়ন্ত্রকের নির্ধারিত ন্যূনতম সীমার তুলনায় অনেকটাই বেশি। ফলাফল প্রসঙ্গে বন্ধন ব্যাঙ্কের এমডি ও সিইও পার্থ প্রতিম সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, সুস্থ ব্যবসায়িক বৃদ্ধি বজায় রাখার পাশাপাশি আমানত সংগ্রহ, ঋণ পোর্টফোলিওর গুণমান এবং সম্পদের মান সুরক্ষিত রাখার উপর জোর দিয়েছে ব্যাঙ্ক। তাঁর বক্তব্য, গত কয়েকটি ত্রৈমাসিকে পরিচালন মুনাফা ও কর-পরবর্তী মুনাফায় ধারাবাহিক উন্নতি হয়েছে। আগামী দিনে খুচরো ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করাই ব্যাঙ্কের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরির উপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।





