RK NEWZ দুর্গাপুজো নয়, শারদোৎসবেই রইল বামেরা। নিজেদের বুক স্টল থেকে শুভেচ্ছা বার্তা – সর্বত্রই ‘শারদোৎসব’ শব্দটিই ব্যবহার করল সিপিএম-সহ বিভিন্ন বাম শরিক দল। বই স্টল নিয়ে অশান্তি, আইনি জটিলতার মাঝে বৃহস্পতিবার বামফ্রন্ট চেয়ারম্যানের লিখিত শুভেচ্ছাবার্তায় অনুপস্থিত ‘দুর্গাপুজো’ শব্দবন্ধনী। বারবারই তিনি লিখেছেন ‘শারদোৎসব’। বার্তায় শুভেচ্ছার পাশাপাশি উৎসবের সময়ে রাজ্যে শান্তিশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার আবেদন জানান ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর ব্যাখ্যা, বাঙালির জীবনে সঙ্গে মিশে রয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী তো শিশু। বামেদের বই স্টল ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। এর নেপথ্যে গেরুয়া শিবিরের উসকানিকে দায়ী করছে সিপিএম। বরানগর, ডানলপ থেকে যশোর রোড, ঢাকুরিয়া – পুজোর সময়ে ‘প্রগতিশীল সাহিত্য ও মতাদর্শের প্রচার’ ঘিরে বাধার অভিযোগ তুলেছে সিপিএম-সহ বাম সংগঠনগুলি। অন্যদিকে, নৈহাটি, বনগাঁ এবং যশোর রোড সংলগ্ন এলাকায় বইয়ের স্টল তৈরির অনুমতি নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে। প্রশ্ন তুলেছে, বেলুন-বন্দুকের স্টল বসতে পারলে বইয়ের স্টল বসবে না কেন? রাস্তায় নেমে নিজেদের কর্মসূচির অনুমতিতে আদায়ের লড়াইয়ের পাশাপাশি চলছে আইনি যুদ্ধও। হার না মানা লড়াই। তবে সবকিছুর মাঝে যথারীতি স্থান করে নিয়েছে শারদোৎসব বিতর্ক। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য ছিল, ‘শারদোৎসব’ নয়, লিখতে হবে ‘দুর্গাপুজো’। কিন্তু নিজেদের অবস্থানে অনড় বামেরা। সমস্ত পুস্তক বিক্রয় কেন্দ্রে লেখা হয়েছে – মার্কসীয় প্রগতিশীল সাহিত্য বিক্রয় কেন্দ্র। বামেদের তরফ থেকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে লেখা বার্তায় লেখা হয়েছে শারদোৎসব। কমরেডকুলের নেতাদের ব্যাখ্যা, শুধু দুর্গাপুজো দিয়ে উৎসব হয় না। এরপরেও অনেক পুজো বা আচার-অনুষ্ঠান থাকে। গোটা মাস জুড়ে চলে উৎসব। তাই মুখ্যমন্ত্রীর বেধে দেওয়া শব্দবন্ধনী মানতে বাধ্য নন।




