RK NEWZ বিস্ফোরক বিশ্বজয়ী অধিনায়ক? আন্দোলনে উত্তাল দিল্লি। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে দেওয়া হয়েছে ভারতের রাজধানীকে। ‘ভোটচুরি’র অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে অনড় ‘আরশোলা’রা। তবে নতুন প্রজন্মকে আরও দায়িত্বশীল হতে বলছেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব। প্রাক্তন ক্রিকেটার অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কাদের সরাসরি ‘বেপথগামী’ বলছেন না। তবে দেশ যাতে ভুলপথে না যায়, সেটা নিয়েও সাবধানী। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে কিংবদন্তি ক্রিকেটার বলেন, “আমাদের তরুণ প্রজন্মের সবার আগে উচিত অন্যের কথা শোনা। তাদের আরও দায়িত্ববান হওয়া উচিত। তারা দেশের ভবিষ্যৎ। তারা যাতে ভুল পথে না যায়, সেটা দেখা আমাদের কর্তব্য। এমন নয় যে, তারা সব সিদ্ধান্ত ঠিক নিচ্ছে। তাদেরও এটা বোঝা উচিত, আমরাও যথেষ্ট অভিজ্ঞ। আমাদের দেশ সুন্দর। এই দেশটাকে আমরা ভুল পথে যেতে দিতে পারি না।” আন্দোলন নিয়ে বিভিন্ন মহল মুখ খুলেছে। সেই তুলনায় ক্রিকেটারদের প্রতিক্রিয়া কম। কপিল যেমন ‘ককরোচ’দের সরাসরি সমর্থন করছেন না, ঠিক উলটো সুর আরেক প্রাক্তনী সঞ্জয় মঞ্জরেকরের। গত শনিবার ককরোচদের আটক করার পর তিনি সোশাল মিডিয়ায় সুর তুলেছিলেন, ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলন তো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অঙ্গ। আমি যতদূর শুনেছিলাম ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ।’ আবার পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার দানিশ কানেরিয়ার ‘ককরোচ’দের বিরোধিতা করে লিখেছিলেন, ‘‘আশা করব দিল্লি পুলিশ টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেবে।’
দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘আন্দোলনের ডাক প্রাথমিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারপর দলের দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে জেলবন্দি করার প্রতিবাদে ‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল সিজেপি। সেই উপলক্ষে আবারও দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত দিল্লিজুড়ে মোতায়েন ছিল ২৬ হাজার বাহিনী। শুক্রবার ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচি উপলক্ষে আরও ৬ হাজার বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সকালে জানিয়েছিলেন, তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখছেন গোয়েন্দারা। তাঁকেও পাঠানো হতে পারে জেলে। তা না হলেও পুলিশ পাঠিয়ে আটক করা হয় তাঁকে।



