RK NEWZ তৃণমূল জমানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’ কর্মসূচি। এবার সেই কর্মসূচি বন্ধ হল। এবার নতুন নাম হল ‘আপনার সরকারকে বলুন’। নদিয়ার প্রশাসনিক বৈঠক শেষে বড় ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল জমানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’ কর্মসূচি। এবার সেই কর্মসূচি বন্ধ হল। এবার নতুন নাম হল ‘আপনার সরকারকে বলুন’। নদিয়ার প্রশাসনিক বৈঠক শেষে বড় ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো ফোন নম্বর আর থাকবে না। নতুন ফোন নম্বরও দেওয়া হবে। সেই কথাও এদিন জানানো হয়েছে। তৃণমূল জমানায় রাজ্য সরকারের তরফে ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’ কর্মসূচি চালু হয়েছিল। সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাধারণ মানুষ তাঁদের অভাব-অভিযোগ, দাবি-দাওয়া জানাতেই এই কাজ শুরু হয়েছিল বলে খবর। মানুষজন তাঁদের অভাব-অভিযোগ সেসময় জানাতেও শুরু করেছিলেন। তৃণমূলের তরফে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছিল সেসময়। ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসের ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছিল। মানুষের বক্তব্য ওই ভোটকুশলী সংস্থার কাছেই যেত দুটি ক্ষেত্রেও! পরবর্তীকালে সেইসব ফোন নম্বরে কল করেও পাওয়া যেত না বলে অভিযোগ। রাজ্যের পালাবদলে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। তৃণমূলী জমানার সরকারি কার্যক্রমের খোলনলচেও বদল হচ্ছে। একাধিক নতুন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সরকারি তরফে। এবার ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’ কর্মসূচিও বন্ধ হল। আগামী সপ্তাহ থেকে নতুন নামে নতুনভাবে এক সরকারি কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ যোগাযোগ করতে পারবেন, তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে। নতুন এই প্রকল্পের নাম ‘আপনার সরকারকে বলুন’। এদিন কল্যাণী থেকেই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী সপ্তাহ থেকে এই কর্মসূচি চালু হবে। যোগাযোগের জন্য নতুন নম্বরও জানিয়ে দেওয়া হবে। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের নাম ঠিক করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যকে। তিনিই এই নামকরণ করেছেন।
‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরিতেই পালাচ্ছেন অনুপ্রবেশকারীরা! ‘জলদি জলদি ভাগো’… হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম সীমান্ত এলাকা। দ্রুতগতিতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের তাড়াতে কাজ শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি লাগু করতে দিন দুই আগেই জেলায় জেলায় নোটিস পাঠিয়ে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বিষয়কেই আরও একবার জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশকারীদের হুঁশিয়ারি দিলেন, “জলদি জলদি ভাগো…।” প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের ভিড় বাড়ছে। বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা! সেই বিষয় নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। সেখানেই আরও একবার ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি নিয়ে জোর সওয়াল করলেন। অনেক আগে থেকেই এই আইন ছিল।এবার সেই এখানে লাগু করা হল। অনুপ্রবেশকারীদের ধরলে কোর্টে পাঠানোর দরকার নেই। বিএসএফের মাধ্যমে সীমান্ত পার করে দেওয়ার বিষয়েই তিনি জোর দিয়েছেন। অনুপ্রবেশকারীদের ধরার পর তাঁদের সাধারণ মানুষের অর্থে খাওয়ানোর পরিপন্থী শুভেন্দু। এদিন সেই কথা আরও একবার জোর গলায় জানিয়ে দিলেন তিনি। সোমবার থেকেই হাকিমপুর সীমান্তে বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য অনুপ্রবেশকারীদের ভিড় দেখা গিয়েছে। এদিন সেই বিষয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “জলদি জলদি ভাগো। হাকিমপুরের ব্যাপারটা আমি টিভিতে দেখলাম। আমি শুধু একটাই কথা বলব, তাড়াতাড়ি পালাও। তাড়াতাড়ি পালাও।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের ভাগ ওদের কেন দেব আমরা?” প্রসঙ্গত, স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্টে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় বহু সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর ভিড়! এর আগে এসআইআর চলাকালীন দেখা গিয়েছিল এমন দৃশ্য। বাংলাদেশে ফেরার জন্য সীমান্তে সার দিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। এবার রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম সীমান্ত এলাকা।
এবার থেকে সপ্তাহে দুই দিন মা ক্যান্টিনে পাওয়া যাবে মাছ-ভাত। মঙ্গলবার কল্যাণীতে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, মা ক্যান্টিনগুলিতে ৫ টাকাতেই পাওয়া যাবে মাছ-ভাত। রাজ্যে পালাবদলের পর ক্ষমতায় এসে বিজেপি সরকার জানিয়েছিল, রাজ্যের কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। পালাবদলের কারণে কয়েকটি প্রকল্পের পরিষেবা কিছু সময়ের জন্য স্থগিত থাকলেও ফের চালু হবে সব প্রকল্প। সেই মতো এবার মা ক্যান্টিন নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, এবার থেকে সপ্তাহে দুই দিন মা ক্যান্টিনে মাছ-ভাত খাওয়ানো হবে। কিন্তু দাম অপরিবর্তিত রাখবে সরকার। মাত্র ৫ টাকাতেই মাছ-ভাত খেতে পারবেন মানুষ। প্রশাসনিক বৈঠক শেষে মা ক্যান্টিন নিয়ে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে রাজ্যে মোট ৩৬৭টি মা ক্যান্টিন রয়েছে। সবকটিই চালু থাকবে। আপাতত এই ক্যান্টিনের সংখ্যা পরিবর্তন করা হবে না। তাঁর কথায়, “সপ্তাহে ২ দিন করে মাছ খাওয়াব। ৫ টাকাতেই খাওয়াব।”





