বিধানসভা আসনে লড়াই করা রাজনৈতিক দলগুলি পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি প্রার্থীর একটি করে এজেন্ট থাকতে পারে। পোলিং এজেন্ট নিয়ে প্রথা ভাঙছে কমিশন! বুথের বাইরে বসবেন রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা? এই জল্পনা ছড়াতেই মুখ খুলল কমিশন। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই রকম কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জল্পনা ছড়ায় পোলিং এজেন্টদের বাইরে বসতে হতে পারে। তারপরই কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের বুথের বাইরে বসা নিয়ে কমিশন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। এই সংক্রান্ত কোনও গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়নি। আগের নিয়মই বহাল থাকছে।বাংলার নির্বাচনী ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে, পোলিং এজেন্টরা বুথের ভিতরেই বসে এসেছেন। এই এজেন্টরা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি। বিধানসভা আসনে লড়াই করা রাজনৈতিক দলগুলি পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বুথে প্রার্থীর একটি করে এজেন্ট থাকতে পারেন। (তবে কোনও দল এজেন্ট দিতে পারলে, সেটি তাদের ব্যর্থতা)। কমিশনের সঙ্গে এই এজেন্টদের সরাসরি কোনও যোগাযোগ নেই। প্রতিটি দলের এজেন্টদের কাছে বুথের ভোটার তালিকা থাকে। সেই তালিকার সঙ্গে ভোটারদের মিলিয়ে দেখেন। প্রিসাইডিং অফিসারদের কাজেও সাহায্য করেন এজেন্টরা। এই কাজ তাঁরা মূলত বুথের ভিতরেই বসে করেন। ছাব্বিশের নির্বাচন স্বচ্ছ করতে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে কমিশন। ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এসে ভোট হচ্ছে। প্রশাসনের শীর্ষস্তর থেকে নিম্নস্তরের আধিকারিকদের বদলি করা হয়েছে। পুলিশ অফিসারদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে বির্তক কম হয়নি। দায়ের করা হয় মামলাও। জল গড়ায় হাই কোর্টেও। এবার পোলিং এজেন্ট নিয়ে জল্পনা ছড়াতেই, অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন।
ভোটগ্রহণ এবং গণনার দিন ‘ড্রাই ডে’–র দিনক্ষণ ঘোষণা করল রাজ্য আবগারি দপ্তর। রাজ্যজুড়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। দু’দফায় এবার বাংলায় নির্বাচন রয়েছে। ভোট হবে আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই দু’দিন রাজ্যের যেখানে যেখানে নির্বাচন হবে, সেখানে সমস্ত মদের দোকান, পানশালা অর্থাৎ বার বন্ধ থাকবে। এমনকী ফল ঘোষণার দিন অর্থাৎ আগামী ৪ মে এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। নবান্নের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই বিষয়ে কমিশনের যে গাইডলাইন রয়েছে তা মেনেই এই সিদ্ধান্ত। গাইডলাইনের নিয়ম অনুযায়ী, যে সমস্ত জায়গায় ভোট হবে, সেখানে ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে মদের দোকান বন্ধ করতে হবে। আগামী ২৩ এপ্রিল উত্তরের একাধিক আসন-সহ মোট ১৫২টি আসনে নির্বাচন হবে। জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, যে সমস্ত জেলায় সেদিন ভোট হবে সেখানে ২১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকেই সমস্ত মদের দোকান, বার বন্ধ করে দিতে হবে। এমনকী ২২ তারিখ এবং ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশিকা জারি থাকবে। একইভাবে দ্বিতীয় দফা অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল কলকাতা-সহ দক্ষিণের একাধিক আসনে নির্বাচন রয়েছে। সেই মতো ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোট শেষ না পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলিতে বন্ধ থাকবে মদের দোকান এবং পানশালা। একইভাবে আগামী ৪ মে রাজ্যে ভোটের ফলপ্রকাশ। সেদিন গোটা রাজ্যেই মদের দোকান এবং পানশালা বন্ধ থাকবে। প্রয়োজনে যদি কোনও বুথে পুননির্বাচনের প্রয়োজন হয় সেখানেও এই নিয়ম কার্যকর থাকবে বলে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।





