৯৯ শতাংশ ভোট পড়ল। মোদীর দাবি, স্বাধীনতার পর গত ৫০ বছরের ইতিহাসে এটাই বাংলায় সবথেকে কম হিংসাহীন ভোট। মঞ্চ থেকেই বলেন, “এটাই প্রথম এমন নির্বাচন যা গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। গত ৫০ বছরের মধ্যে এই প্রথম নির্বাচনে সবথেকে কম হিংসার ঘটনা ঘটছে। ভোট উত্তরবঙ্গ, পশ্চিমাঞ্চলের বড় অংশ। ১৬ জেলায় ১৫২ আসনে বুখমুখী ভোটাররা। বেলা ১১টাতেই ভোটদানের হার ৪০ শতাংশের উপরে উঠে যায়। অন্যদিকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার চলে যায় ৬২ শতাংশের উপরে। যদিও এবারই ভোটের মুখে চল এসআইআরে গোটা রাজ্যেই লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। প্রতিটা বিধানসভা কেন্দ্রেই কমেছে মোট ভোটারের সংখ্যা। যদিও মানুষের ভোটদানের এই হার দেখে খুবই উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিনই কৃষ্ণনগরের সভা থেকে ফের ঝড় তুললেন প্রচারে। সেখান থেকেই ফের পরিবর্তনের পক্ষে সুর চড়িয়ে বলেন, ভয়কে জয় করে ভরসার উৎসব দেখছি। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ঝড় দেখছি। মোদীর দাবি, স্বাধীনতার পর গত ৫০ বছরের ইতিহাসে এটাই বাংলায় সবথেকে কম হিংসাহীন ভোট। মঞ্চ থেকেই বলেন, “এটাই প্রথম এমন নির্বাচন যা গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। গত ৫০ বছরের মধ্যে এই প্রথম নির্বাচনে সবথেকে কম হিংসার ঘটনা ঘটছে। নাহলে প্রতি সপ্তাহে কাউকে না কাউকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়ে বলে দিত আত্মহত্যা করেছে। গোটা রাজ্যে গুন্ডারাজ চলতো।” হিংসা ঠেকিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনেরও দরাজ প্রশংসা করতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনকে মন থেকে অভিনন্দন জানাই। ওরা ফের একবার লোকতন্ত্রকে বাংলার মাটিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমি সরকারি কর্মচারিদেরও অভিনন্দন জানাই। শান্তিপূর্ণ ভোটে তাঁদের ভূমিকাও অনস্বীকার্য। এখন পর্যন্ত আমি যা খবর পাচ্ছি তাতে দেখা যাচ্ছে যে হারে ভোট পড়ছে তাতে পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে যাচ্ছে।”




