২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আল্পস পর্বতে স্কি দুর্ঘটনার শিকার হন শ্যুমাখার। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে সুইৎজারল্যান্ড থেকে আনা হয় ফ্রান্সে। শুরু হয় চিকিৎসা। মাথায় গুরুতর চোট পেয়েছিলেন ট্র্যাকের রাজা। আঘাত এতটাই গুরুতর যে, তাঁর মস্তিষ্ক আর সাড়া দিচ্ছিল না। কিংবদন্তি ফর্মুলা ওয়ান তারকা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েছেন প্রতি মুহূর্তে। সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ১২ বছর পর বিছানা ছেড়ে হুইলচেয়ারে বসতে পারেন। স্ত্রী করিনা এবং চিকিৎসা কর্মীদের একটি দল ২৪ ঘণ্টা তাঁর খেয়াল রাখে। জানা গিয়েছে, কথা বলতে পারছেন না তিনি। চোখের ইশারাতেই বোঝাতে পারেন অভিব্যক্তি। একসময় ফরমুলা ওয়ানে ‘রাস্তা’ কাঁপিয়েছেন। ৯১টি গ্রাঁপি ও সাতটি বিশ্বখেতাব জয়ের রেকর্ড রয়েছে মাইকেল শ্যুমাখারের। ফরমুলা ওয়ানের ইতিহাসে হেন কোনও রেস নেই, যা অধরা ছিল তাঁর। কিন্তু, একটি দুর্ঘটনা পুরোপুরি বদলে দেয় শুমির জীবন। টানা ৬ বছর তিনি ছিলেন কোমায়। ৬ বছর পর জেগে উঠলেও পুরোপুরি সুস্থ হননি। এখন কেমন আছেন শ্যুমাখার? জানা গেল সেই আপডেট। ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, “চারপাশে যা ঘটছে তার কিছুটা বুঝতে পারলেও সম্ভবত সবটা আন্দাজ করতে পারেন না।” ২০২৪ সালে তাঁর মেয়ে জিনা-মারিয়া বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে সেই জল্পনা সত্যি হয়নি। ৩ জানুয়ারি ছিল শ্যুমাখারের জন্মদিন। সেদিন তাঁর মেয়ে গোটা পরিবারের ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘চিরকালের সেরা। শুভ জন্মদিন বাবা।’ এই মুহূর্তে শ্যুমাখারের হুইলচেয়ারে বসতে পারার খবরে কিছুটা হলেও মুখে হাসি ফুটেছে ভক্তদের মনে। তাঁর আরোগ্য কামনা করছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।




