ভারতের দু’টি অনূর্ধ্ব-১৯ দল এবং আফগানিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে নিয়ে হবে একটি ত্রিদলীয় প্রতিযোগিতা। মঙ্গলবার এই প্রতিযোগিতার জন্য দু’টি ভারতীয় দল নির্বাচন হয়েছে। ত্রিদলীয় সিরিজ়ের অনূর্ধ্ব-১৯ ভারতীয় দলে জায়গা হল না বৈভব সূর্যবংশী এবং আয়ুষ মাত্রের। সুযোগ পেয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে অন্বয় দ্রাবিড়। ভারতের দু’টি অনূর্ধ্ব-১৯ দল এবং আফগানিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে নিয়ে হবে প্রতিযোগিতা। বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে নভেম্বরের ১৭ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত হবে অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদলীয় প্রতিযোগিতা। ভারত ‘এ’ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক করা হয়েছে পঞ্জাবের বিহান মলহোত্রকে। ভারত ‘বি’ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক হায়দরাবাদের অ্যারন জর্জ। কোনও দলেই সুযোগ হয়নি বিহারের ১৪ বছরের ব্যাটার সূর্যবংশীর। আর এক তরুণ প্রতিভা মাত্রেকেও রাখা হয়নি কোনও দলে। বিসিসিআই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘‘আয়ুষ মাত্রেকে এই প্রতিযোগিতার জন্য বিবেচনা করা হয়নি। ও এখন মহারাষ্ট্রের হয়ে রঞ্জি ট্রফি খেলছে। বৈভব সূর্যবংশীকেও কোনও দলে রাখা হয়নি। ও ভারত ‘এ’ দলের হয়ে রাইজিং স্টার এশিয়া কাপের দলে রয়েছে।’’ একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বোর্ডের এক কর্তা বলেছেন, সূর্যবংশী, মাত্রে উঁচু পর্যায়ের ক্রিকেটে খেলছে। এই প্রতিযোগিতা ওদের মতো ক্রিকেটারদের জন্য নয়। সূর্যবংশী এবং মাত্রেকে রাখা না হলেও দ্রাবিড়ের প্রতিভাবান উইকেটরক্ষক-ব্যাটার পুত্র অন্বয়কে রাখা হয়েছে ভারত ‘বি’ অনূর্ধ্ব-১৯ দলে। কর্নাটকের হয়ে বিনু মাঁকড় ট্রফিতে ভাল পারফরম্যান্সের সুবাদে নির্বাচিত হয়েছে ভারতীয় দলের প্রাক্তন কোচের ছেলে। এই দলে রয়েছে বাংলার রোহিত কুমার দাস।
সুরতের মাটিতে বড় জয় পেল বাংলা। রেলওয়েজ়কে ইনিংস ও ১১৯ রানে হারালেন অনুষ্টুপ মজুমদারেরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট নিলেন শাহবাজ় আহমেদ। এই জয়ের ফলে রঞ্জির এলিট গ্রুপ সি-র শীর্ষে পৌঁছে গেল বাংলা। চতুর্থ দিন সকালে ৫ উইকেটে ৯০ রান থেকে খেলা শুরু করে রেলওয়েজ়। তাদের সব আশা ছিল ভার্গব মেরাই ও উপেন্দ্র যাদবের উপর। প্রথম ইনিংসেও এই দু’জনই জুটি গড়েছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে বড় জুটি গড়তে পারলেন না তাঁরা। মেরাই ২৬ ও উপেন্দ্র ২১ রানে আউট হওয়ার পর রেলের হার ছিল সময়ের অপেক্ষা। প্রথম ইনিংসে ১ উইকেট নিয়েছিলেন শাহবাজ। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর সামনে দাঁড়াতে পারলেন না রেলওয়েজ়ের ব্যাটারেরা। মঙ্গলবার যে পাঁচ উইকেট পড়ল তার সব ক’টিই নিলেন শাহবাজ়। তাঁর দাপটে চতুর্থ দিন মাত্র ৪২ রান যোগ করতে পারল রেলওয়েজ়। দ্বিতীয় ইনিংসে ২২.৫ ওভার বল করে ৫৬ রান দিয়ে ৭ উইকেট নিলেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। প্রথম ইনিংসে ৪৭৪ রান করেছিল বাংলা। অনুষ্টুপ ১৩৬ ও সুমন্ত গুপ্ত ১২০ রান করেন। জবাবে প্রথম ইনিংসে ২২২ রানে অল আউট হয়ে যায় রেলওয়েজ়। তাদের হয়ে মেরাই ৯১ ও উপেন্দ্র ৭০ রান করেন। বাংলার পেসার সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল নেন ৪ উইকেট। রেলকে ফলো অন করায় বাংলা। সেই সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণিত করলেন দলের বোলারেরা। ৭ পয়েন্ট পেল বাংলা। এলিট গ্রুপ সি-তে ৪ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২০। শীর্ষে তারা। সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে হরিয়ানা। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে রয়েছে উত্তরাখণ্ড। সার্ভিসেস চার নম্বরে। তাদের পয়েন্ট ১৩।




