সেনাবাহিনীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠ। সেনার আমন্ত্রণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত। রবি সন্ধ্যাতেই কলকাতায় পা রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দমদম বিমানবন্দরে হাজির বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের ভিড়ে গাড়ি থেমে যায়। নেমে পড়ে মোদি তাঁদের উদ্দেশে হাত নেড়ে কার্যত জনসংযোগ করেন। রাজভবনে রাত্রিবাস প্রধানমন্ত্রী। যৌথবাহিনীর কমান্ডারদের সম্মেলনে যোগ দিতে কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, ‘সুপারস্পাই’ তথা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও। ফোর্ট উইলিয়ামে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে সেনার সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী-প্রতিরক্ষা মন্ত্রীরা। তাঁর সফর এবং কর্মসূচির বিষয়টি জানানো হয়েছে ইস্টার্ন কমান্ডের তরফে। কলকাতায় পা রাখার পর কোনও কর্মসূচি নেই প্রধানমন্ত্রীর। কম্বাইনড কমান্ডারস কনফারেন্সের সূচনায় মোদি। সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক। থাকবেন ইস্টার্ন কমান্ড সেনা সর্বাধিনায়ক সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহান, প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং। বৈঠক শেষে দুপুরেই ফের বিহারের উদ্দেশে রওনা মোদির।

কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোর্ট উইলিয়ামে বিজয় দুর্গে তিনদিনের গুরুত্বপূর্ণ সেনা সম্মেলনে যোগ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং, সেনা সর্বাধিনায়ক চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান-সহ বাহিনীর তিন প্রধান-সহ শীর্ষকর্তারা। বৈঠকের লক্ষ্য, ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর ‘সংস্কার, রূপান্তর ও পরিবর্তন’ বিষয়ে মতবিনিময়। পাশাপাশি পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে সেনা কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক। সেনা সম্মেলন একটি দ্বিবার্ষিক প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত শীর্ষস্তরীয় মতবিনিময়ের আসর। সম্মেলনের উদ্বোধন মোদির হাত ধরেই। সেনাবাহিনীর শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি, প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো এবং যৌথ বাহিনীর ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আলোচনা। বিজয় দুর্গে মোদির এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। একদিকে অশান্ত বাংলাদেশ।অস্থির চিন সীমান্ত। নেপালে পালাবদল। পরিবর্ত পরিস্থিতিতে ‘তিন ফ্রন্টে’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনার স্ট্র্যাটেজি, কতটা প্রস্তুত বাহিনী, খতিয়ে দেখবেন প্রধানমন্ত্রী। সেনার আধুনিকীকরণ এবং পরিকাঠামোগত সরলীকরণ নিয়েও এদিন আলোচনা। ‘সুপারস্পাই’ অজিত ডোভালও বৈঠকে।





