Friday, July 17, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

শরীরের বিশেষ নজর রাখেত হবে চল্লিশ পেরোলেই!‌ যোগাভ্যাসে ‘স্ট্রেস হরমোন’ নিয়ন্ত্রণে থাকে, রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে

‌৪০ বছরের পর শরীরের পরিপাকতন্ত্র একটি সার্বিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হয়। খাবার হজম থেকে শুরু করে পুষ্টিগুণ শোষণের ক্ষেত্রেও তারতম্য ঘটে। তাই ৪০ বছরের বেশি বয়সে অনেকেই পেটের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। কারও ক্ষেত্রে আবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। সময় থাকতে সতর্ক হলে সমস্যাগুলি থেকে দ্রুত মুক্তি পেয়ে সুস্থ জীবনযাপন করা সম্ভব। বয়সের সঙ্গে পৌষ্টিকতন্ত্রের মধ্যে দিয়ে খাবারের চলনের গতি কমে যায়। একই সঙ্গে খাদ্যনালী থেকে বিভিন্ন উৎসেচকের ক্ষরণও কমে আসে। ফলে খাবার হজম হতে সময় বেশি লাগে। তার ফলে পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তৈরি হতে পারে। খাবার হজম করতে এবং জীবাণুনাশে পাকস্থলীর অ্যাসিডের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ৪০ বছরের পর এই অ্যাসিডের পরিমাণ কমতে থাকে। তার ফলে দেহে ভিটামিনের অভাব তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে পেটের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। পেটের উপকারী জীবাণুর সংখ্যা বয়সের সঙ্গে কমতে শুরু করে। তার ফলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা, হজমশক্তিও দুর্বল হতে থাকে। ঘন ঘন অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার, অস্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং ক্লান্তি থেকেও পরিপাকতন্ত্র উপকারী জীবাণুর পরিমাণ কমতে থাকে। ৪০ বছরের পর গ্যাস, অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের মতো সমস্যা বাড়তে পারে। তাই নিয়মিত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। বয়সের সঙ্গে মানুষের দীর্ঘকালীন ওষুধ নির্ভরতা বাড়তে থাকে। এমন কতকগুলি ওষুধ রয়েছে, যারা পেটের উপকারী জীবাণুদের ভারসাম্য নষ্ট করে। তার ফলেও পেটখারাপ বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।

চিন্তার বিষয় ডায়াবেটিস। ‘ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন’-এর ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে ২০২৪ সালে ভারতে ডায়াবিটিসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮ কোটির উপরে। পরিস্থিতি যে ভাবে এগোচ্ছে, তাতে এই সংখ্যা ২০৫০-এ ১৫ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে। ডায়াবিটিস হলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় ইনসুলিন নামক হরমোন। সেটি ঠিক ভাবে ক্ষরিত না হলে বা কোষ ইনসুলিনে ঠিকমতো সাড়া না দিলেই এই সমস্যা হয়। চিকিৎসকেরা বলনে, এই অসুখ মোটেই হেলাফেলার নয়। বরং নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, এই রোগকে বশে রাখতে সাহায্য করে। আর তার জন্যই দরকার রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখা। চিকিৎসকেরা ডায়াবেটিক রোগীদের হাঁটাহাটির পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যাঁরা শরীরচর্চা করেন এবং এই বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, অনেকেই বলেন, ডায়াবিটিস বা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের ভাল উপায় যোগাভ্যাস। হাঁটাহাটির উপকারিতা অনেক। মেদ ঝরাতে, হার্ট ভাল রাখতে হাঁটতে বলেন চিকিৎসকেরা। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও হাঁটার উপকারিতা রয়েছে। যোগাসনও শরীরচর্চার ভাল উপায়। স্নায়ুর উত্তেজনা কমাতে, ব্যথা-বেদনা সারাতে, শরীর ভাল রাখতে যোগাসন কার্যকর। কিন্তু যদি ডায়াবিটিস কমানোর প্রশ্ন ওঠে, তা হলে এগিয়ে থাকবে শরীরচর্চা কোন পন্থা? ডায়াবিটিসের চিকিৎসক অভিজ্ঞান মাঝি বলছেন, ‘‘ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ক্যালোরি খরচ করা দরকার। অর্থাৎ, খাবারের মাধ্যমে যে ক্যালোরি শরীরে ঢুকছে, সেটি ঝরিয়ে ফেলার জন্য হাঁটতে বলা হয়। এতে ‘ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স’ কমে। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে শরীরের কোষগুলি ইনসুলিন হরমোনে ঠিকমতো প্রতিক্রয়া করে না। আধ ঘণ্টা জোরে হাঁটলে, ঘাম ঝরলে ক্যালোরি ঝরে, ইনসুলিন রেজ়িস্ট্যান্স কমে যায়, রক্তে শর্করার মাত্রাও কমতে থাকে। অন্য দিকে, যোগাসনের লক্ষ্যই হল শরীরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা। হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণেও যোগাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকলে স্বাভাবিক ভাবেই ইনসুলিন হরমোন আরও ভাল ভাবে কাজ করবে। হাঁটা এবং যোগাসন। দুই-ই শরীরের জন্য ভাল।’’ ডায়াবিটিসের দু’টি ধরন আছে। টাইপ ১ এবং টাইপ ২। টাইপ ১ ডায়াবিটিসে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ইনসুলিন হরমোনটি সঠিক মাত্রায় নিঃসৃত হয় না। তার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা ‘হাইপার গ্লাইসেমিয়া’র কারণ। টাইপ ২ ডায়াবিটিসে ইনসুলিন হয় ঠিকমতো ক্ষরিত হয় না, বা হলেও কোষ সেই ইনসুলিনকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারে না। যার ফলে শর্করা ঠিক ভাবে শরীর কাজে লাগাতে পারে না এবং তার জেরে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত ডায়াবিটিস-প্রশিক্ষক এবং পুষ্টিবিদ জানাচ্ছেন, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে হাঁটাহাটি এবং যোগাভ্যাস, দুই-ই উপকারী। তবে যোগাসন করলে তা অনেক বেশি স্থিতিশীল থাকে। নিয়মিত সঠিক পন্থায় যোগাসন অভ্যাস করলে অগ্ন্যাশয়ের কার্যদক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। খাওয়ার পরই তাঁরা হাঁটাহাটির পরামর্শ। ৩০-৪৫ মিনিট দিনে হাঁটাহাটি করলে ভাল। খাওয়ার পরে অন্তত পক্ষে ১০ মিনিট হাঁটলেও উপকার হবে। নিয়মিত যদি সময় করে যোগাসন করা যায়, বিশেষত অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির আসন করা সম্ভব হয়, তার দীর্ঘমেয়াদি সুফল মিলবে। যোগাভ্যাসে ‘স্ট্রেস হরমোন’ নিয়ন্ত্রণে থাকে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে হরমানের ভারসাম্য থাকা খুব জরুরি। নিয়ম করে হাঁটাহাটি করার পাশাপাশি সঠিক ভাবে যোগাসন করেন। দ্বিগুণ উপকার মিলবে অবশ্যই।

বংশে ডায়াবেটিস থাকলে এমন ভয় পাওয়া অমূলক নয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে বংশগতির প্রভাব স্পষ্ট। বাবা-মা, বিশেষ করে উভয়ের যদি ডায়াবেটিস থাকে, তবে সন্তানদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় ৫০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত। তবে এখানেও একটি বিষয় মনে রাখতে হবে। ডায়াবেটিসে শুধু জিন নয়, জীবন যাপনের অভ্যাসও একটা বড় নিয়ামক। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিনের গঠন ঝুঁকিপূর্ণ হলেও তা সক্রিয় হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জীবনযাপনের উপর ভিত্তি করে। অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, অতিরিক্ত ওজন, ঘুমের অভাব- এসব জিনিসই জিনের উপর চাপ তৈরি করে। অর্থাৎ আপনি যদি আগেভাগেই সতর্ক থাকেন, তবে সেই “পারিবারিক অভিশাপ” এড়ানো সম্ভব। নিয়মিত হাঁটা বা শরীরচর্চা (প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট)। শর্করা ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। নিয়মিত সুগার টেস্ট করা। স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ ও পর্যাপ্ত ঘুম। ‘প্রিভেনটিভ লাইফস্টাইল’ এখন চিকিৎসাবিদ্যার মূলমন্ত্র। পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে আরও বেশি সতর্ক থাকা জরুরি। সবশেষে একটাই কথা, জিনও আপনার ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিতে পারে না, নিজেকে ঠিক রাখলে ভয় নয়, সচেতনতা-ই হোক ডায়াবেটিস প্রতিরোধের প্রথম ও প্রধান ওষুধ।

অতিরিক্ত কোলেস্টেরল দেহের রক্তনালীতে জমা হয় প্লাক তৈরি করে। এই প্লাক রক্তসঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটায়, যা ডেকে আনে হৃদরোগ। এতদিন এই ধরনের রক্তনালির ব্লকেজ দূর করতে অস্ত্রোপচার করাই ছিল বিধেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী ভবিষ্যতে অতিক্ষুদ্র এক ধরনের যন্ত্র দিয়েই গলিয়ে দেওয়া যাবে ব্লকেজ। শরীরে ঢুকবে এক ক্ষুদ্র যন্ত্র, তারপর ব্যালিস্টিক মিসাইলের মতো পৌঁছে যাবে জমে থাকা কোলেস্টেরলের দলা তথা প্লাকের কাছে। আর তারপর? ভেঙে গুঁড়িয়ে দেবে সেই মৃত্যুফাঁদ! সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড এবং মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা যৌথভাবে এমনই এক ন্যানো-থেরাপির সাফল্যের কথা ঘোষণা করেছেন। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে বলে আশা তাঁদের। ক্ষেপণাস্ত্রটি মাইক্রস্কোপিক মেডিক্যাল ডিভাইস। আকারে একবিন্দু ধূলিকণার মতো হলেও এর ক্ষমতা কিন্তু কম নয়। এটিকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে রক্তনালিতে জমে থাকা ‘প্লাক’ অর্থাৎ কোলেস্টেরল ও মৃত কোষের স্তর ধ্বংস করতে।

এখনও পর্যন্ত প্রথম ধাপে শূকরের উপর পরীক্ষা করা হয়েছে এই পদ্ধতি। গবেষকদলের সদস্য ডঃ জেমস লি জানিয়েছেন, “এই প্রযুক্তি রক্তনালির ভেতর থেকে সরাসরি প্ল্যাকের উপর প্রভাব ফেলে, অস্ত্রোপচার ছাড়াই ব্লকেজ ধ্বংস করতে পারে। মানুষের উপর পরীক্ষা না করা হলেও শূকর-এর উপর এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে।” পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মাত্র ১২ সপ্তাহে এই ন্যানোথেরাপি শূকরের রক্তনালিতে জমা ব্লকেজ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছে। প্ল্যাক ছোট হয়েছে, প্রদাহ কমেছে, এমনকি কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা যায়নি, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য এক বড় সাফল্য। বিশ্বখ্যাত ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাটি।

প্লাস্টিকের তৈরি বোতলে জল রাখা যে ক্ষতিকারক। সময়ের সঙ্গে কাচ এবং তামার বোতল থেকেও অনেকে জল পান করে থাকেন। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অনেকেই তাঁদের জলের বোতল নিয়মিত পরিষ্কার করেন না। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সপ্তাহে এক বার হয়তো বোতলটিকে পরিষ্কার করা হয়। অনেক সময় বোতলে অল্প জলও রয়ে যায়। তার মধ্যেই আবার জল ভরা হয়। জলের বোতল ভিজে থাকলে সময়ের সঙ্গে তার মধ্যে বিভিন্ন জীবাণু জন্ম নেয়। তার ফলে জলপানের পর পেট এবং শ্বাসনালির সংক্রমণের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে এই ধরনের বোতল থেকে জল পান করলে চর্মরোগ এবং মূত্রনালীর সংক্রমণ হতে পারে। জলের বোতলের ঢাকনা প্রতি দিন সাবান দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। কারণ জল জমে আগে বোতলের ছিপি বা ঢাকাতে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে। বোতলের উপরের অংশে কালো বা সবুজ ছোপ দেখলেই সাবধান হওয়া উচিত। এগুলি জীবাণু, ঠোঁটের সংস্পর্শে সেখান থেকে সহজেই সংক্রমণ হতে পারে। জলপানের পর,দিনের শেষে বোতলের বাকি জল যেন ফেলে দেওয়া হয়, তা খেয়াল রাখা উচিত। বোতলটিকে উল্টো করে রেখে দিলে তা সকালের মধ্যে শুকিয়ে যাবে। বোতলের মধ্যে যদি কোনও শর্করা জাতীয় পানীয় শরবত রাখা হয়, তা হলে তা পান করে নেওয়ার পর গরম জলে বোতলটিকে ভাল করে ধুয়ে নেওয়া উচিত। শর্করার উপস্থিতিতেও বোতলে জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে। ব্যবহৃত বোতলগুলিকে সপ্তাহে অন্তত এক বার সাবান জলে কয়েক ঘণ্টার জন্য ডুবিয়ে রাখা উচিত। তার পর ভাল করে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নেওয়া উচিত। যে বোতলগুলি স্বচ্ছ নয়, তার মধ্যে ছত্রাক বা জীবাণুর উপস্থিতি বাইরে থেকে বোঝা যায় না। সপ্তাহে দু’বার বোতল পরিষ্কার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

ঠান্ডা লাগা বা বুকে কফ জমে শ্বাসে কষ্ট হওয়া খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। বুকে একবার কফ বসে খেলে কাশি আর গলার ভেতর ভার লাগার সমস্যা যেন যেতেই চায় না। মধু আর লেবু সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারলে অল্প সময়েই রোগমুক্তি হতে পারে। আয়ুর্বেদ মতে, মধুতে থাকে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা গলার কর্কশ ভাব কমায় এবং কাশি উপশমে সহায়তা করে। অন্য দিকে, লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড কফ নির্মূল করতে সাহায্য করে। ফলে বুকে জমে থাকা কফ সহজেই বেরিয়ে আসে। এক কাপ ঈষদুষ্ণ গরম জলে এক চামচ মধু ও আধখানা লেবুর রস মিশিয়ে দিনে দু’বার খালি পেটে পান। চাইলে সঙ্গে এক টুকরো আদাও যোগ। আদাও কফ বার করতে সাহায্য করে। হালকা কফ বা প্রাথমিক উপসর্গে কার্যকর। শ্বাসকষ্ট বা দীর্ঘস্থায়ী কাশির সমস্যা হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বাঞ্ছনীয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles