Friday, July 17, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ রাজ্যস্তরের শুটার কিশোরী!‌ টুর্নামেন্টের আগে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল কেনাকাটা করতে

RK NEWZ জাতীয় দলে ট্রায়ালে সুযোগ পেয়েছে দময়ন্তী। পরিবারের দাবি, বুধবার তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়েছিল মেয়ে। নিজের কাছেই ছিল মোবাইল। তবে কোনও ঝামেলা বা অশান্তির আঁচ পাওয়া যায়নি। টুর্নামেন্টের দিনেই নিখোঁজ রাজ্যস্তরের শুটার দময়ন্তী সেন (১৫)। মধ্য হাওড়ার বাসিন্দা নিখোঁজ কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বাড়ির সামনের দোকানে কেনাকাটা করতে গিয়েছিল সে। তার পর থেকেই নিখোঁজ সে। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে শেষ বার দেখা গিয়েছে হাওড়া স্টেশনে। ৩০/২ উমাচরণ ভট্টাচার্য লেনের বাসিন্দা দময়ন্তী অলিম্পিয়ান জয়দীপ কর্মকারের রাইফেল শুটিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ছাত্রী। রথের দিন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ সে বেরিয়েছিল দুধ কিনতে। সাড়ে ৯টা বাজলেও মেয়ে ফিরছে না দেখে তার পরিবারের সদস্যেরা ভেবেছিলেন, দময়ন্তী নদীর ধারে প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছে। সেখানেও খোঁজ মেলেনি তার। তার পর‌ই জানানো হয় থানায়।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে ৯টা ৪৬ নাগাদ স্টেশনে ঢুকছে দময়ন্তী। ১০ টা ১ মিনিট নাগাদ তাকে শেষ দেখা যায় ৪-৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দিকে এগোতে। পরিবারের দাবি, ওই সময়ে আরামবাগ, বর্ধমান লোকাল ট্রেন থাকে। মধ্যরাত পর্যন্ত কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি কিশোরীর। দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানাচ্ছেন, বাড়ি থেকে বেরনোর সময়ে মেয়ের পরণে ছিল গোলাপি রঙের পোশাক। তবে মোবাইল ছিল বাড়িতেই। তিনি জানান, শেওড়াফুলিতেও খোঁজ চালানো হয়েছে। জাতীয় দলে ট্রায়ালে সুযোগ পেয়েছে দময়ন্তী। প্রতিদিন সকালেই তার অনুশীলন থাকে। পরিবারের দাবি, বুধবার তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়েছিল মেয়ে। নিজের কাছেই ছিল মোবাইল। তবে কোনও ঝামেলা বা অশান্তির আঁচ পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যেই হাওড়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি হয়েছে। মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় শ্রীরামপুর থানাতে রয়েছেন বাবা। ধ্রুবজ্যোতি জানান, সমাজমাধ্যমেও আবেদন জানানো হয়েছে। সেই পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর থেকে দময়ন্তীকে দেখা গিয়েছে বলে একাধিক জায়গা থেকে ফোন আসছে তবে কোনওটাই নির্ভরযোগ্য তথ্য নয়।

এরকমই ফোন এসেছিল বর্ধমান থেকে। তবে পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যার কথা বলা হচ্ছে সে দময়ন্তী নয়। হাওড়া স্টেশনে প্ল্যাটফর্মে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে তাকে শেষ দেখা যায়। দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানান, তাঁর মেয়ে জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পেয়েছে। ভালো সাফল্য পেয়েছে। প্রতিদিন সকালে তার মেয়ের অনুশীলন থাকে। বুধবার রাতে তাই তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়েছিল দময়ন্তী। মেয়ের মোবাইলটিও তাঁর কাছেই ছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles