Thursday, July 16, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

এজবাস্টনে প্রথমবার জয়ের মুখ দেখল শুভমান গিলের ‘নতুন ভারত’!ইংল্যান্ডের ‘আকাশে’ দুর্যোগ ঘনিয়ে এলো বাংলার পেসারের দাপটে!‌ আকাশ দীপকে দলে নিতে সমর্থন করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

এজবাস্টনে প্রথমবার জয়ের মুখ দেখল শুভমান গিলের ‘নতুন ভারত’।এজবাস্টনে প্রথম জয় ভারতের। এর আগে এখানে আটটি টেস্টের মধ্যে একটিতেও জয়ের মুখ দেখেনি টিম ইন্ডিয়া। পরিসংখ্যান বদল করে ইতিহাস শুভমান গিলদের। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম সেশনে অনবদ্য টিম ইন্ডিয়া। চতুর্থ দিন যেখানে শেষ করেছিলেন, পঞ্চম দিন ঠিক সেখান থেকেই শুরু ভারতের। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার সময় ইংল্যান্ড ১৫৩ রানে ৬ উইকেট হারায়। বৃষ্টির কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টার বিলম্বে শুরু হয় ম্যাচ। ৩ উইকেটে ৭২ রানে পঞ্চম দিন শুরু করা ইংল্যান্ডের চতুর্থ উইকেট পড়ে ৮০ রানে। সৌজন্যে বাংলার আকাশ দীপ। ইনসুইং বুঝতে না পেরে ব্যক্তিগত ২৪ রানে সাজঘরের পথ দেখেন অলি পোপ। এরপর আকাশের বিষাক্ত ইনকাটারের কোনও উত্তর না পেয়ে লেগবিফোর হন প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা হ্যারি ব্রুক। লাঞ্চের আগে আকাশ দীপ তুলে নেন ৫৮ রানে ৪ উইকেট। ইংল্যান্ড তখন ৮৩/৫। ক্রিজে আসেন ইংরেজ অধিনায়ক বেন স্টোকস। জেমি স্মিথকে সঙ্গে নিয়ে দারুণ লড়াই চালাতে থাকেন স্টোকস। চলতি সিরিজে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া ওয়াশিংটন সুন্দরের ফ্লিপারে বোকা বনে যান স্টোকস। এলবিডব্লিউ হয়ে ৭৩ বলে ৩৩ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর ইংরেজ টেইল এন্ডাররা একে একে আয়ারাম গয়ারাম। আকাশদীপ নেন ছয় উইকেট। মহম্মদ সিরাজ, রবীন্দ্র জাদেজা, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও ওয়াশিংটন সুন্দর নেন একটি করে উইকেট। ‘সেরা’ পেসার বিশ্রামে। বোলিং-ব্যাটিংয়ে ইংরেজদের শাসন করে দ্বিতীয় টেস্ট ৩৩৬ রানে জিতল ভারত। গিলের ব্যাটিং বিক্রমের পর, সিরাজ-আকাশ দীপদের দাপটে এই প্রথম এজবাস্টনে টেস্ট জিতল টিম ইন্ডিয়া। সিরিজ এখন ১-১।

প্রথম ইনিংসে ‘শুভমান শো’ দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন তিনি। একের পর এক রেকর্ড গড়ে ২৬৯ রান করেন তিনি। যোগ্য সঙ্গ দেন যশস্বী জয়সওয়াল (৮৭) ও রবীন্দ্র জাদেজা (৮৯)। ইংল্যান্ডের সামনে ৫৮৭ রানের পাহাড় খাড়া করে ভারত। সেটা যে দুর্লঙ্ঘ্য হয়ে উঠবে, তা দ্বিতীয় দিনের শেষেই বোঝা গিয়েছিল। দ্বিতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ৭৭। শুরুতেই ইংরেজদের ঝটকা দেন মহম্মদ সিরাজ। ২২তম ওভারে তিনি পরপর ফেরান জো রুট (২২) এবং বেন স্টোকসকে (০)। তবে এরপরেই ম্যাচের পাশা যেন পালটে যায়। একসময় ৮৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে ৩০৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন জেমি স্মিথ (১৮৪) ও হ্যারি ব্রুক (১৫৮)। বাজবলের মেজাজে দুজনে রীতিমতো তাণ্ডব চালান ভারতীয় বোলারদের উপর। জুটি ভেঙে ভারতকে ম্যাচে ফেরান বাংলার আকাশ দীপ (৮৮/৪)। বাকিটা ‘ডিএসপি’ সিরাজের (৭০/৬) হাতে বন্দি হল ইংরেজরা। শেষ ৫ উইকেট পড়ল ২০ রানে। ইংল্যান্ডের ইনিংস থামে ৪০৭ রানে। লিড ছিল ১৮০ রানের। তৃতীয় দিনের শেষে ভারতের রান ছিল ১ উইকেট হারিয়ে ৬৪। এগিয়েছিল ২৪৪ রানে। চতুর্থ দিনে ফের ইংরেজদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন শুভমান। দ্বিতীয় ইনিংসে করলেন ১৬১। সিরিজ শুরুর আগে অনেকেই তাঁর অধিনায়কের টুপি পরা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। নিঃসন্দেহে তাঁদের জন্য এর চেয়ে যোগ্য জবাব হয় না। কেএল রাহুল (৫৫), ঋষভ পন্থ (৬৫), রবীন্দ্র জাদেজারা (৬৯) যোগ্য সঙ্গ দেন। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ৪২৭ রানে ডিক্লেয়ার করে দেয় ভারত। ইংল্যান্ডের জন্য লক্ষ্য ছিল ৬০৮। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে ৭২ রানে ৩ উইকেট হারায় ইংরেজরা। আকাশ দীপের সুইংয়ে পরাস্ত জো রুট, বেন ডাকেটরা। শেষদিনে ইংল্যান্ডে সকাল থেকে এজবাস্টনের আকাশের মুখ ভার। কখনও ঝেঁপে, কখনও ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি। বৃষ্টি থামল, রোদ উঠল। প্রায় দেড় ঘণ্টার বিলম্বে শুরু হয় ম্যাচ। ইংল্যান্ডের চতুর্থ উইকেট পড়ে ৮০ রানে। সৌজন্যে বাংলার আকাশ দীপ। তাঁর ইনসুইং বুঝতে না পেরে ব্যক্তিগত ২৪ রানে সাজঘরের পথ দেখেন অলি পোপ। এরপর আকাশের বিষাক্ত ইনকাটারের কোনও উত্তর না পেয়ে লেগবিফোর হন হ্যারি ব্রুক। জেমি স্মিথকে সঙ্গে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ করেন অধিনায়ক বেন স্টোকস। ৩৩ রানের মাথায় তাঁকে আউট করেন ওয়াশিংটন সুন্দর। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ প্রথম ইনিংসে বাজে বোলিংয়ের জন্য সমালোচিত। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ক্রিস ওকসের উইকেটটা তুলে নেন। এরপর আকাশ দীপের বলে জেমি স্মিথ ৮৮ আউট হতেই ভারতের জয় কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়। কেরিয়ারে প্রথমবার ‘পাঞ্জা’ অর্থাৎ পাঁচ উইকেট পান আকাশ দীপ।

প্রথাগত ক্রিকেট-শিক্ষা বলতে যা বোঝায়, আকাশ দীপের তা ছিল না। কোনও কোচিং সেন্টারে, কোনও কোচের তত্ত্বাবধানে ও ক্রিকেট শেখেনি। ওর এক কাকা আছে আসানসোলে, তাঁর হাত ধরেই ওর কলকাতায় আসা। সেটাও ক্রিকেটের টানেই। ছোটবেলা থেকেই টেনিস-বল ক্রিকেটটা আকাশ দীপ ভালো খেলত। এমনকী টেনিস বলের টুর্নামেন্ট খেলতে ও দুবাইতেও গিয়েছে। ক্রিকেটের হাত ধরে সেটাই ওর প্রথম বিদেশ সফর। লিডসে প্রথম ম্যাচে সুযোগ পাননি। এজবাস্টনে সুযোগ পেয়েই নিজের জাত চিনিয়েছেন আকাশ দীপ। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে চার ইংরেজ ব্যাটারকে সাজঘরের রাস্তা দেখানোর পর দ্বিতীয় ইনিংসেও জ্বলে উঠেছেন। পারফরম্যান্সে মুগ্ধ অনেকেই। টেস্টের চতুর্থ দিনে দু’টি উইকেট নেওয়ার পরই জনপ্রিয় গায়ক অভিনেতা পবন সিংয়ের একটি ভোজপুরি গান গাওয়ার একটি ভিডিও এক্স হ্যান্ডেল এবং ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল। অনুষ্ঠানে আকাশ দীপকে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে ভোজপুরি গান গাইতে দেখা গিয়েছে। আকাশ দীপের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এই পবন সিং। ভারতীয় ক্রিকেটারের কণ্ঠস্বরের প্রশংসাও, আকাশ দীপ এত ভালো ভোজপুরি গান গাইতে পারেন কারণ তিনি রোহতাসের বাসিন্দা। বিহারে জন্মালেও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন বাংলার হয়ে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক টেস্টে অভিষেক হয়েছিল আকাশের। দেশের হয়ে ৮টি টেস্ট খেলেছেন। এজবাস্টন টেস্টের চতুর্থ দিন জো রুটকে অসামান্য ইনসুইংয়ে আউট করলেও সেই আউট নিয়ে শুরু হয়েছে ‘নো বল বিতর্ক’। যদিও মাঠের আম্পায়ারের ওই ডেলিভারি নিয়ে কোনও সংশয় ছিল না। তিনি আউট দেন। বিতর্ককে তোয়াক্কা না করে ‘গায়ক আকাশ দীপে’ মজেছেন নেটদুনিয়া।

এজবাস্টন টেস্টে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস শাসন করেছে মহম্মদ সিরাজ এবং আকাশ দীপের ভারতীয় পেস জুটি। সিরাজ নিয়েছেন ছ’টা উইকেট। আকাশ নিয়েছেন চারটে। ভারতের দুই পেসার সম্মিলিত ভাবে দশ উইকেট তুলে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের। নিজের পেস বোলিং পার্টনারকে নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত মহম্মদ সিরাজ। বাংলা পেসারের বোলিং দেখে অতীব তৃপ্ত। সিরাজ নিজেও অসামান্য বোলিং করেছেন। ভারতীয় পেসারকে বুমরাহ থাকলে এক রকম। বুমরাহ না খেললে আর এক রকম। প্রকৃত রুদ্রমূর্তি দেখা যায়। এজবাস্টন টেস্টে জসপ্রীত বুমরাহের জায়গায় খেলানো হচ্ছে তাঁকে। তবে কেউই বুঝতে পারেননি গোটা টেস্টে এত ভাল বল করবেন আকাশদীপ। বাংলার জোরে বোলারকে খেলতে গিয়ে শুরু থেকেই বিপাকে ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। আকাশদীপের ক্রিকেট খেলা শুরু হয়েছিল বাবা-মাকে মিথ্যা কথা বলে।

বিহারের সাসারামের ছেলে আকাশদীপ। সেই রাজ্যে ক্রিকেটীয় পরিকাঠামো না থাকায় চলে এসেছিলেন কলকাতায়। ক্লাব ক্রিকেটে খেলার পর বাংলার হয়ে রঞ্জিতে ভাল খেলে আইপিএলের চুক্তি আদায় করেছেন। সেখানেও ভাল খেলে ঢুকে গিয়েছেন জাতীয় দলে। লাল বলে অন্য রূপের আকাশদীপকে দেখা যাচ্ছে ইংল্যান্ড সিরিজে। আকাশদীপ বলেন, “যখন ক্রিকেট খেলা শুরু করি সময় বাবা-মা জানত না। ওদের বলিনি। একটা প্রতিযোগিতায় খেলতে বেঙ্গালুরু যাওয়ার সময় বাবা-মাকে মিথ্যা কথা বলে গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, কাজ করতে যাচ্ছি। ক্রিকেট খেলতে যাচ্ছি বলিনি। আসলে আমি বিহারের ছেলে। সেখানে ক্রিকেটের অতটা চল নেই। তাই সত্যি কথা বললে কোনও ভাবেই বাবা-মা বুঝত না। আপত্তি করত। ওদের খেলাধুলো নিয়ে উৎসাহও ছিল না। তাই সত্যি কথা বলিনি। আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার পর ওরা বুঝল যে, ক্রিকেট খেলাটা ঠিক কী এবং ক্রিকেট খেলেও টাকা রোজগার করা যেতে পারে। ইংল্যান্ডে আসার আগে সবাই বলেছিল, এই দেশটা জোরে বোলারদের কাছে স্বর্গ। বল সুইং করবে, পিচে ঘাস থাকবে। মেঘলা আকাশের নীচে বল করে মজা পাওয়া যাবে। তবে এখানে এসে আমি ধোঁকা খেয়ে গিয়েছিলাম পিচ দেখে। যা শুনেছি তার কিছুই দেখছি না। সুযোগ না পেলে খেলার দিকে নজর রাখি। ম্যাচের পরিস্থিতি বিচার করি। নিজেকে ম্যাচ ফিট রাখার চেষ্টা করি। বাইক চড়তে খুব ভালবাসতাম। জোরে বোলার হওয়ার সময় বুঝলাম শরীরটাই আসল। শরীর ঠিক রাখতে হবে। তখন থেকে বাইক চালানো ছেড়ে দিয়েছি। আর বাইক চড়িনি।”

অধিনায়কের জন্যই বিপাকে পড়তে পারে বিসিসিআই। দিতে হতে পারে ২৫০ কোটি টাকার গচ্ছাও। দ্বিতীয় ইনিংসে গিল আউট হওয়ার পরই ৬ উইকেটে ৪২৭ রানে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে ভারত। ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ৬০৮। নায়কের ভঙ্গিতে ড্রেসিংরুম থেকে বেরিয়ে এসে গিল দাঁড়ান এজবাস্টনের গ্যালারির জানলায়। দু’হাত তুলে ডেকে নেন রবীন্দ্র জাদেজা ও ওয়াশিংটন সুন্দরকে। গিল যখন ড্রেসিংরুমের জানলায় এসে ডিক্লেয়ার ঘোষণা করেন, তখন তাঁর পরনে ছিল কালো রংয়ের ইনার। যেখানে ছিল নাইকির লোগো। ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই সংস্থার হয়ে প্রচার করেন। ভারতীয় দলের জার্সির স্পনসর প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থা অ্যাডিডাস। ২০২৮ পর্যন্ত অ্যাডিডাসের সঙ্গে বিসিসিআইয়ের চুক্তি রয়েছে। নাইকির লোগো দেওয়া ইনার পরে ‘মাঠে’ থাকা এক অর্থে চুক্তিভঙ্গ। গিলের বিরুদ্ধে বোর্ড কোনও ব্যবস্থা নিল। নতুবা অ্যাডিডাস থেকেও বোর্ডের থেকে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। শুভমান এই কাণ্ড ঘটালেন কেন? লিডস টেস্টে জুতোর ভিতর কালো মোজা পরে নেমেছিলেন। যা নিয়মবিরুদ্ধ। কোনও শাস্তি হয়নি।

১৯৩২ সালে প্রথম টেস্ট খেলেছিল ভারত। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ১৮৯ রানে অলআউট হয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ৯৩ বছর পরে সেই বিলেতভূমেই নয়া নজির গড়ল শুভমান গিলের নতুন ভারত। প্রথমবার একটি টেস্টে ১ হাজারেরও বেশি রান তুলল ভারতীয় দল। টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ ইতিহাসে ষষ্ঠবার ঘটল এমন অনবদ্য নজির। তেন্ডুলকর-অ্যান্ডারসন ট্রফির দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে এজবাস্টনে নেমেছে ভারত এবং ইংল্যান্ড। এই এজবাস্টন থেকে কোনওদিন টেস্ট জিতে ফিরতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ব্রিটিশ গড়ে এবার নতুন ইতিহাস লিখল ভারতের তরুণ ব্রিগেড। এক হাজারি ক্লাবে ঢুকে পড়লেন ঋষভ পন্থ-কে এল রাহুলরা। এজবাস্টন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫৮৭ রান করেছিল ভারত। অধিনায়ক শুভমানের ২৬৯র পাশাপাশি যোগ্য সঙ্গত ছিল রবীন্দ্র জাদেজার ৮৯ এবং যশস্বী জয়সওয়ালের ৮৭ রানেরও। দ্বিতীয় ইনিংসেও ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট এতটুকু ফিকে হয়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে গিল করেন ১৬১। রাহুল ৫৫, পন্থ ৬৫, জাদেজা অপাজিত ৬৯। ভারতের স্কোর ৪২৭। সবমিলিয়ে এজবাস্টন টেস্টে ১০১৪ রান তুলেছে ভারত, টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবার। এর আগে এক টেস্টে ভারতের সর্বোচ্চ রান ছিল ৯১৬, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিডনিতে। শুধু তাই নয়, সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে সবমিলিয়ে ১৮৪৯ রান তুলেছে ভারত। এর আগে কোনও সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে এত রান তুলতে পারেনি কোনও দল। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এই নিয়ে ষষ্ঠবার এক ম্যাচে এক হাজারের বেশি রান তুলল কোনও দল। ১৯৩০ সালে এই নজির গড়েছিল ইংল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ১১২১ তোলে ব্রিটিশরা। তালিকায় যোগ হয় পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা। এক হাজারি ক্লাবে ঢুকে পড়ল মেন ইন ব্লুও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles