বলিউডে যৌনতা। এমন মন্তব্য বার বার শুনেছেন অভিনেত্রীরা। ঘনিষ্ঠ দৃশ্য। সাহসী রূপে ধরা। ‘সেক্স সিম্বল’ তকমা। এই তকমাকে কামদেবের দান বলে মনে করেন অভিনেত্রীরা। খোলামেলা আলোচনা। অভিনয়জীবন। দর্শকের জন্যই। ‘সেক্স সিম্বল’ বা যৌনতার প্রতীক? যৌনতার প্রতীক আবার কী! যৌনতার প্রতীক হল কামসূত্র। বেড়াতে গিয়ে প্রেম হয় দ্বিগুণ! যৌনতার প্রতীক ঈশ্বরের দান। এটা কামদেবের দান। ‘সেক্স সিম্বল’ কোনও ভাল তকমা হতে পারে না। আবার খারাপও না। আত্মবিশ্বাসও কমে গিয়েছে। ভাবতে বাধ্য করেছেন। পাশের বাড়ির মেয়ের মতো দেখতে হওয়া উচিত। সেটাকে সৌন্দর্য বলে না। কিন্তু ক্রমশ লোকজনের দৃষ্টিভঙ্গিকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজেকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। গ্রীষ্মের দাবদাহে দিনের ক্লান্তি গিয়ে থামে না রাতেও। শহরের বিছানায় শুয়ে মানুষ খুঁজছে ঠাণ্ডা একটু ঘুমের কোণ। শরীরের উত্তাপে ঘুম যেন দূর থেকে হাতছানি দেয়। ক্লান্ত বোধ। পারিবারিক অস্থিরতা। ঘুমেও প্রভাব। সেই সমীকরণ! হৃদয়ের ইমোজিও— তবে, তা লাল নয়। সাদা। ভালবাসা নিয়ে মধ্যযুগের কবি রুমির লেখা একটি উক্তি। “আমি তোমাকে আমার হৃদয় দিয়ে বা বুদ্ধি দিয়ে ভালবাসব না। বুদ্ধিভ্রম হতে পারে, আবার হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বরং আমি তোমাকে আমার আত্মা দিয়ে চিরন্তন ভালবাসব।” উচ্ছ্বসিত ভালোবাসা। ভালবাসার পরিবর্তে আত্মিক প্রেমের কথা। সামাজিক আলোচনা সঙ্গত। অতিপ্রাকৃত শক্তি সংক্রান্ত ভয়। সিরিজের অকুস্থল। ছোট শহরের মেয়ে। অতীতে একটি ‘দুর্ঘটনা’ রয়েছে। সে কলেজ জীবনের শেষ পর্বে গণধর্ষণের শিকার। সেই ঘটনার স্মৃতি তাকে তাড়া করে ফেরে। ছায়াচ্ছন্ন ইতিহাস রয়েছে। এই ভয় অতিপ্রাকৃত উৎসের, তা নয়। অনুসরণকারী বা স্টকারদের নিয়ে সমস্যা। রয়েছে আগন্তুকত্বের সমস্যা।
আগন্তুক। নতুন জনপদে আগন্তুক। নতুন বাসস্থানে আগন্তুক। নতুন পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা সংশয়। বাড়ির আনাক-কানাচ। এলোপাথাড়ি অন্ধকার। কিছুটা ভয়ের আবহ। বিশেষ করে রাতে করিডরের প্রান্তে বাথরুমে যেতে গা ছমছম। খুব বেশি রাতের নিশুত সময়ে একা। ভৌতিক গুজব ছিল না। খানিক উদ্ভট পরিবেশ। অপদস্থ হওয়ার ভয়। মূলগত ফারাক রয়েইছে। মেয়েদের অতিরিক্ত মাত্রায় ‘ভালনারেব্ল’ হিসেবেই সমাজ দেখে। সমাজ-শাসনের একটা ভয়। মেয়েদের স্বভাবজাত ‘ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়’ থেকে কখনও কখনও শঙ্কার আভাস। মেয়েদের ‘ভালনারেব্ল’ বা ‘দুর্বল লিঙ্গ’ হিসেবে দেখার যে সামাজিক নজর। অস্বীকার করার তেমন কোনও অবকাশ নেই। এই ‘ভালনারেবিলিটি’ থেকেই বলিউড, মায় হলিউডও রসদ পায় হরর ছবি নির্মাণের। সাহিত্যে একই বিষয় দেখা যায়। ১৯৭৩-এর ‘এগজরসিস্ট’ থেকে সাম্প্রতিকের ‘খওফ’। সর্বত্রই ছড়িয়ে রয়েছে এর উদাহরণ। মেয়েদের সমস্যার বিভিন্ন রকমফের রয়েছে, যা পুরুষদের থেকে আলাদা। সমান্তরালে লেখালিখি। ‘ভয়’ প্রসঙ্গে ভয়ের বিষয়টি অনুপস্থিত। গল্প আজ পডকাস্ট আর ভ্লগের দৌলতে। ‘খারাপ লোক’-এর ভয়। জবরদস্ত ওয়ার্ডেন। সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের সঙ্গে থাকার অভিজ্ঞতা। ভয় ছিল অন্ধকারের। শাঁওলি যে সময়ে হস্টেলে কাটিয়েছেন, সেই সময়ে লোডশেডিং ছিল নৈমিত্তিক ব্যাপার। হাবভাব একটু রহস্যময় ছিল। কাঙ্ক্ষিত নির্জনতাটুকু। ফলে ছোটখাটো ভয়ের বিষয়কে এড়িয়ে নিজের মতো করে।
ভয়ের কাহিনি। মনোবিদ্যা-সম্মত চরিত্রটি? মনো-সমাজকর্মী। অতিপ্রাকৃত বা ভূত-প্রেত সংক্রান্ত ভয়। মানুষকে ভয়, নিরপত্তা সংক্রান্ত ভয়। প্রথমটির কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। মানুষ স্বভাবগত ভাবেই ভয় পেতে ভালবাসে। যে কারণে মানুষ ভয় পাবে জেনেও হরর ছবি দেখে, ভৌতিক সাহিত্য পড়ে। সাহিত্যই হোক বা আজন্ম লালিত বিশ্বাস-জাত ভীতি, অতিপ্রাকৃত থেকে ভয়ের একটি বিশেষ চরিত্র আছেই। বাস্তব ভিত্তি-রহিত নয়। ‘কেয়ার গিভার’ হিসাবে যাঁরা থাকেন, তাঁদের সকলে নারী না-ও হতে পারেন। পুরষদের থেকে একটা নিরপত্তা জনিত ভয় অনেকের মনেই কাজ করে। বাইরের মহল্লা নিয়েও কিছু ভয় ক্রিয়াশীল থেকেই যায়। অনেক রকম ভয় অনেক সময়েই মিলেমিশে যায়। অপরিচয়ের ভয়, নতুন পরিবেশের ভয়, একাকিত্বের ভয়, নিরাপত্তাহীনতার ভয় এবং অতিপ্রাকৃত সংক্রান্ত ভয় একত্র হয়ে এমন এক ভয়ের জন্ম দেয়। এই ভয়গুলি থেকে বেরিয়ে আসা যে খুব কঠিন। পঞ্চেন্দ্রিয় সজাগ থাকলেই সেটা কয়ার যায়। এই পাঁচ ইন্দ্রিয়ের যোগফলকেই ‘মেয়েদের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়’ বলে চিহ্নিত। আর অতিপ্রাকৃত বা প্রেতাত্মা সংক্রান্ত ভয়ের সঙ্গে যুঝতে গেলে দরকার যুক্তির। মনে রাখা দরকার, আত্মার অস্তিত্বই যেখানে প্রমাণিত নয়, সেখানে প্রেতাত্মা বিষয়টি যে অলীক, সে ধারণা রাখা প্রয়োজন। বিবিধ ভয়কে একত্র করে একটি বিশেষ ভয়ে পরিণতি পাওয়ার কথা বলেছেন, সেটি প্রণিধানযোগ্য। ‘খওফ’ দেখতে বসলে বোঝা যায়, তার চিত্রনাট্য এই বিবিধ প্রকার ভয়ের সমাহারকেই তুলে ধরেছিল। বিবিধ প্রকার ভয়ই একাকার হয়ে সিরিজের ‘হরর’কে তৈরি করছে, তা বোঝা যায় সিরিজটি দেখতে বসলে। সমাধানও ছিল পঞ্চেন্দ্রিয়ের একীকরণ ও মেয়েদের সম্মিলিত শক্তির উত্থান। ভারতীয় ছবিতে ‘নারী নজর’ ফিমেল গেজ আজও তেমন ভাবে হাজির নয়।
স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়েছিল বহু বছর আগে। সন্তানকে একা হাতে মানুষ করতে করতে কেটে গিয়েছে অর্ধেক জীবন। মধ্য চল্লিশে এসে ভাল লাগল কাউকে। অনেক দিন বাদে মনে হল, এর সঙ্গেই কাটিয়ে দেওয়া যায় বাকি জীবন। কিংবা আরেকজন। বিয়ের কয়েক বছরের মধ্যেই স্ত্রীকে হারিয়ে একা। একরত্তি মেয়ের মুখ চেয়ে আর দ্বিতীয় বিয়ে করেননি। পঞ্চান্ন ছুঁইছুঁই বয়সে এসে মনে হল, ক’দিন পরে মেয়েও চলে যাবে শ্বশুরবাড়ি। বাকি জীবনটা তবে একলা কাটবে কী করে? বহুদিনের বান্ধবীকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। সে-ও রাজি। ব্যস! রে রে করে তেড়ে এল সমাজ। চর্চা, সমালোচনা, হাসাহাসি, ট্রোল— বাদ গেল না কিছুই। মেনে নিতে পারল না নিজের সন্তানও। কথা বন্ধ, অশান্তি। যোগাযোগ বন্ধ করে দিল মেয়ে। অবসাদে ডুবে গেল ছেলে। মনটা কি হওয়ার কথা ছিল? দীর্ঘকাল একা কাটানোর পরে মধ্যবয়সে এসে কেউ জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে চাইলে এভাবে সমালোচনায় বিদ্ধ হতে হবে কেন? সত্যিই কি তার জেরে সন্তানের মানসিক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে? উল্টো উদাহরণও তো রয়েছে সমাজে। যেখানে বড় হয়ে, প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে একলা মা বা বাবার বিয়ে দিয়েছে সন্তান। তা হলে প্রৌঢ়ত্বে এসে বিয়ে করার বিষয়টা কি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে না? একটু সহজ হতে পারে না সন্তানের কাছে? বিষয়টা কিন্তু ভেবে দেখার। ডিভোর্স বা জীবনসঙ্গীকে অকালে হারানোর পরে প্রৌঢ়ত্বে এসে মা কিংবা বাবা ফের বিয়ে করলে প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের কি তা মেনে নিতে সমস্যা হয়? মনোবিদ দেবাঞ্জন পানের মতে,“প্রৌঢ়ত্বে পৌঁছনোর পরে সঙ্গীহারা কোনও মানুষ নতুন জীবনসঙ্গীর কাছে আশ্রয় খোঁজেন, তা তো অন্যায় বা দোষের হতে পারে না। সমস্যাটা হল বিয়ে একটা সামাজিক বন্ধন বা স্বীকৃতি, যাতে আরও অনেকগুলো মানুষ জড়িয়ে যায়। তাই বেশ কিছু দিক মাথায় রাখা জরুরি। বিশেষত যাঁরা বিয়ে করছেন, তাঁদের মানসিক দিক বা প্রয়োজনীয়তা এবং তাঁদের কারও যদি প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান থাকে, তার মনোভাব। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই সন্তানের ক্ষেত্রে এ বিষয়টা একটু বাধোবাধো ঠেকে। শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বেই কিন্তু ছবিটা এক। ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগানের গবেষক ক্যারে ওয়েক্সলার শেরম্যান যেমন বারবারই দেখেছেন, আমেরিকাতেও বহু পরিণতবয়স্ক ছেলেমেয়ে প্রৌঢ়ত্বে এসে বাবা-মায়ের বিয়ে মেনে নিতে পারে না। এমন আচরণের নেপথ্যে কিছু কারণ আছে। প্রথমত, সন্তান ভাবতে পারে, তার জন্য বাবা বা মায়ের স্নেহের ভাগ কমে যাবে। ফলে একটা আবেগজনিত নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়। কিংবা মা বা বাবার বিয়ে নিয়ে লোকে কী বলবে, সমাজ কেমন চোখে দেখবে, ভুরু কোঁচকাবে বা হাসাহাসি করবে কিনা– সেটাও তাদের অস্বস্তিতে ফেলতে পারে। তার জেরে হতাশা বা রাগ যা ঠেলে দিতে পারে অবসাদ বা অ্যাংজাইটির সমস্যার দিকে। মা বা বাবা বিয়ের পরে অন্য বাড়িতে চলে যাওয়াটাও শূন্যতা তৈরি করে দিতে পারে। মা কিংবা বাবা বিপথে চলে যাচ্ছেন, অর্থ-সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে সমস্যা হবে কিনা, এমন আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে সন্তানের মনে। আর তা থেকেই প্রৌঢ় বয়সে মা কিংবা বাবার বিয়ে মেনে নিতে সমস্যা তৈরি হয়। মানুষটি বিপত্নীক বা বিধবা, দীর্ঘকাল একা কাটিয়েছেন, অথবা শারীরিক কিংবা মানসিক সমস্যায় জর্জরিত, তিনি প্রৌঢ়ত্বে এসে নতুন সঙ্গীর কাছে আশ্রয় খুঁজতেই পারেন। তাঁদের সত্যিকারের শুভাকাঙ্ক্ষী হলে একে স্বাগত জানানো উচিত। কিন্তু উল্টোদিকের মানুষদের কাছে, বিশেষত সন্তানের কাছে সবটা সহজ করে তুলতে তাঁদের নিজেদেরও কিছু করণীয় থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় সামাজিক লজ্জা বা সংকোচের কারণে সন্তানের কাছে সবটা গোপন রাখলে সে যদি অনেক দেরিতে এই সম্পর্কের কথা জানতে পারে, তা বিপজ্জনক হতে পারে। অন্যরা জানে, সে জানছে দেরিতে, এমনটা সন্তানকে আরও বেশি আঘাত দিতে পারে। বরং শুরু থেকেই তাকে যদি জানানো যায়, নতুন কাউকে ভাল লাগছে বা তাঁর উপর ভরসা তৈরি হচ্ছে, তা অনেকটা সহজ করে দেয় সবটা। বারবার সন্তানের সঙ্গে এ বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করাটা, কিন্তু প্রৌঢ়ত্বে এসেও দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। ঝগড়া-অশান্তি না করে বাস্তব পরিস্থিতি এবং নিজের চাহিদার জায়গাটা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। ভবিষ্যতে তার কোনও আইনি বা সম্পত্তিগত সমস্যা আসতে চলেছে, এমন আশঙ্কা থেকেও সন্তানকে দূরে রাখতে হবে। শুধু সন্তান বা নিজের কাছের মানুষেরা নয়, সন্তানের পরিমণ্ডলকেও আস্তে আস্তে জীবনের এই নতুন অধ্যায় সম্পর্কে অবহিত করা জরুরি। তাতে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা কমবে। তা ছাড়া, যে সঙ্গী আপনার জীবনে আসতে চলেছেন, তাঁর সঙ্গেও সন্তানকে শুরু থেকেই মেলামেশার সুযোগ করে দিন। তার যদি তাঁকে ভাল না-ও লাগে, বুঝিয়ে দিন সবার সবাইকে ভাল না লাগতেই পারে। এতে সমস্যার কিছু নেই, এর জেরে কোনও বিপদের আশঙ্কাও নেই। সবশেষে বলি, নতুন কাউকে বিয়ে করে অন্যত্র চলে গেলে সন্তানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখাটা বন্ধ বা কম করে দেবেন না। এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আখেরে ভাল হবে সবারই।” মধ্যবয়সে এসে কাউকে নতুন করে ভাল লাগতেই পারে। ফুটতেই পারে বিয়ের ফুল। সন্তানকে পাশে নিয়ে, খোলামেলা আলোচনা করতে করতে এগিয়ে চলুন। বকুল বিছানো পথ ধরে নতুন বসন্ত আসবেই।
এক সময় যাঁকে প্রিয়তম বন্ধু বলে মনে হতো, এখন তাঁর সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগই নেই এমনটাই জানালেন ৯১% মানুষ, একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায়। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এই বিচ্ছেদের পেছনে নেই কোনও বড় ঝগড়া বা তিক্ততা; বরং জীবনের স্বাভাবিক পরিবর্তন, স্থানান্তর, পেশা পরিবর্তন কিংবা ব্যক্তিগত মূল্যবোধের বিবর্তনই মূল কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সমীক্ষাটি বলছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনযাপন, রুটিন ও সামাজিক পরিসর বদলে যায়। আর সেই পরিবর্তনের ছায়া পড়ে সম্পর্কের ওপরেও। প্রিয় বন্ধুত্বগুলো তাই অনেক সময় ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়, কোনও বিদ্বেষ ছাড়াই। তবে এর মধ্যেও আশার কথা অনেকেই জানিয়েছেন, পুরনো সেই বন্ধুর কথা মনে পড়লে এখনো মন ভরে ওঠে, আফসোস নয়, বরং থাকে একরাশ মায়া। যেন জীবনের কোনো সুন্দর অধ্যায়, যা শেষ হয়ে গেলেও থেকে যায় স্মৃতিতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সব সম্পর্ক চিরকাল টিকে থাকে না, তবে তাদের প্রভাব চিরন্তন। এই সমীক্ষা যেন আমাদের সেই কথাই আবার মনে করিয়ে দিল সব বন্ধুত্ব স্থায়ী না হলেও, তাদের ছোঁয়া অমলিন।




