Monday, July 13, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্ক!‌ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা ট্রাম্পের

ভারতের সঙ্গে বড়সড় বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছে আমেরিকা, এই কথা ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। সম্প্রতি চিনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সেরে ফেলেছে আমেরিকা। এবার ভারতের সঙ্গে চুক্তিও প্রায় চূড়ান্ত, এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে তিনি এটাও জানিয়েছেন, যেকোনও দেশ চাইলেই তার সঙ্গে চুক্তি করবে না আমেরিকা। হোয়াইট হাউসে ‘বিগ বিউটিফুল ইভেন্ট’ নামে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন ট্রাম্প। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, “আমাদের সঙ্গে সকলেই চুক্তি করতে চায়। মনে করে দেখুন। কয়েক মাস আগে এই সংবাদমাধ্যমই বলাবলি করছিল, আদৌ কি কোনও দেশ বাণিজ্য চুক্তি করতে আগ্রহী? তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, গতকালই আমরা চিনের সঙ্গে চুক্তি সই করেছি। আরও একটা বড়সড় একটা চুক্তি করতে চলেছি, সম্ভবত ভারতের সঙ্গে। বিরাট বড়মাপের চুক্তি হবে।” ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের অধীশ্বর হওয়ার পরই বিশ্বব্যাপী শুল্কযুদ্ধের ঘোষণা করেন। সেই তালিকায় বাদ ছিল না ভারতও। মার্কিন পারস্পরিক শুল্ক নীতির জেরে চাপ বাড়ে নয়াদিল্লির। যদিও আলোচনায় সমাধান খোঁজার পথে হেঁটে সেই নীতির উপর ৯০ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৮ জুলাই। এই সময়কালের মাঝেই সহজ বাণিজ্যের পথ খুঁজতে দফায় দফায় বৈঠকে বসেন দুই দেশের আধিকারিকরা। গত চারদিন বন্ধ দরজার আড়ালে এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনা সফল হয়েছে বলেই ইঙ্গিত মিলল ট্রাম্পের কথায়। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেকোনও দেশ চাইলেই তার সঙ্গে চুক্তি করবে না আমেরিকা। ভাষণ দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “কয়েকজনকে চিঠি দিয়ে স্রেফ জানিয়ে দেওয়া হবে, থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ। কিন্তু তোমাদের ২৫,৩৫,৪৫ শতাংশ কর দিতে হবে।” উল্লেখ্য, বাণিজ্যচুক্তি অনুযায়ী, সবমিলিয়ে চিনা পণ্যের উপর ৫৫ শতাংশ শুল্ক চাপাবে আমেরিকা। এছাড়া মার্কিন পণ্যের উপর ১০ শতাংশ কর বসাবে বেজিং। তবে অন্যান্য কোনও দেশের সঙ্গে এখনও বাণিজ্যচুক্তি করেনি আমেরিকা।

লাইভ টিভিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করার অভিযোগ নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমার বিরুদ্ধে। সেই ভিডিয়ো অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল ফুটেজে দেখা যায়, ম্যাক্সিমাকে ট্রাম্পের মতো মুখের অভিব্যক্তি করছেন। সেই সময় তিনি আবার ট্রাম্পের ঠিক পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নেদারল্যান্ডসে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেই সময়ই এই ভিডিয়োটি করা হয়েছিল। রানি ও তার স্বামী রাজা উইলেম-আলেকজান্ডারের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই সময় ট্রাম্পের মতো ‘মুখ’ করতে দেখা যায় ম্যাক্সিমাকে। এরপরই প্রশ্ন ওঠে, ডাচ রানি কি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করলেন? এদিকে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের জন্য নেদারল্যান্ডসে যাওয়া ট্রাম্প বিলাসবহুল হোটেলে ওঠেনি। ছিলেন ডাচ রাজপ্রাসাদে। রাজপ্রসাদে ট্রাম্পের সময় কেমন কাটল, সেই বিষয়ে জানতে চান ডাচ রাজা। তিনি ট্রাম্পকে বলেন, ‘আমি আশা করি আপনি ভালো ঘুমিয়েছেন। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘দারুণ লাগলো, বাড়িটা… এরপর ট্রাম্প কী বলেন, তা শোনা যায়নি’। সেই সময় ট্রাম্প ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে হাসছিলেন। এর এক সেকেন্ড পরই রানি ম্যাক্সিমাকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ট্রাম্পের অভিব্যক্তি নকল করতে দেখা যায়। নেদারল্যান্ডসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলির ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে নিজেও সংশয় প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, হামলার বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য ‘অসম্পূর্ণ’। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। উল্লেখ্য, ইরানের ওপর হামলার পর থেকেই ট্রাম্প দাবি করে এসেছিলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে আমেরিকা। কয়েক ঘণ্টা পরই ট্রুথ সোশ্যালে ফের নিজের পুরনো অবস্থানে ফিরে যান ট্রাম্প। ফের একবার সিএনএন এবং নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টকে ভুয়ো বলে দাবি করেন ট্রাম্প। পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘ইরানে হামলা চালানোর জন্য বোমারু বিমান ওড়ানো মহান আমেরিকান পাইলটরা খুবই হতাশ। শত্রু এলাকার ওপর দিয়ে বিপজ্জনকভাবে ৩৬ ঘণ্টা উড়ে এসেছেন তাঁরা। আর এখানে আসার দু’দিন পর তাঁদের সিএনএন এবং দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের ফেক নিউজ পড়তে হচ্ছে।

ইজরায়েল ও ইরান যেন স্কুল চত্বরে মারামারি করা দুই শিশু। তাই তাদের সঠিক পথে আনতে কখনও সখনও বকাঝকা করতেই হয়। ন্যাটো সম্মেলনের পরে হওয়া সাংবাদিক সম্মেলনে এমন ভাবেই ‘লাইভ’ টিভিতে তাঁর অশ্লীল শব্দচয়নের পক্ষে যুক্তি সাজিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই তাঁকে ‘ড্যাডি’ সম্বোধন করেছিলেন ন্যাটো চিফ মার্ক রুটে। এবার হোয়াইট হাউস একটি ভিডিও শেয়ার করল, যেখানে ট্রাম্পকে সম্মেলন শেষে আমেরিকায় ফিরতে দেখা যাচ্ছে। আবহে বাজছে ২০১০ সালে আশারের গাওয়া ‘হে ড্যাডি’ গানটি। এই মূহূর্তে বিশ্ব রাজনীতিতে চর্চায় ট্রাম্প ও তাঁর নতুন ‘ডাকনাম’। তাতেই যেন গা ভাসাল হোয়াইট হাউস। ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”ওরা খুবই মারামারি শুরু করেছিল। একেবারে স্কুলচত্বরে দুই শিশুর মতো। আপনারা তো জানেন, ওরা কেমন লড়ছিল। এসব ক্ষেত্রে প্রথমে দুই-তিন মিনিট লড়তে দিতে হয়। তাহলেই সহজে থামানো যায়।” আর এরপরই তাঁর কথার মাঝখানে মার্ক বলে ওঠেন, ”আর সেক্ষেত্রে ড্যাডিকে এগিয়ে আসতেই হয়। কড়া কথা বলতে হয়।” ট্রাম্প যার জবাবে বলেন, ”তোমাকে কঠোর ভাষা ব্যবহার করতে হবে। মাঝে মাঝেই একটি নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহার করতেই হবে।” উল্লেখ্য, এর আগে লাইভ অনুষ্ঠানে একটি অশ্লীল শব্দ উচ্চারণ করেন ট্রাম্প। যাকে ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। এবার নিজের সেই আচরণের পক্ষেই যুক্তি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর সেই যুক্তির আবহেই পেলেন নতুন ডাকনাম! যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। বিতর্কও। পরে ট্রাম্প বলেন, ”উনি আদর করেই আমাকে ওই নামে ডেকেছেন। ড্যাডি, তুমি আমার ড্যাডি!” হোয়াইট হাউসের তরফেই প্রকাশ করা হল ‘হে ড্যাডি’ গানের আবহে ট্রাম্পের পদচারণার ভিডিও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই গানটি ব্যবহার করে যেন ট্রাম্প ন্যাটো কর্তার সম্বোধনকেই একপ্রকার সম্মতি দিলেন। বিশ্ব কূটনীতিতে ট্রাম্পের ‘পিতাসদৃশ’ ভাবমূর্তিই যে হোয়াইট হাউস দেখতে চায় এবং দেখাতে চায়, সেটাও বুঝিয়ে দিলেন ভিডিওটি প্রকাশ করে।

মার্কিন মুলুকে ইতিহাস রচনা করলেন চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ারের ছেলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত জোহরান মামদানি। এই প্রথম মুসলিম সম্প্রদায়ের কেউ নিউ ইয়র্ক শহরের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে ৫৮.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে মেয়র পদে প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন। ৩৩ বছর বয়সি এই প্রার্থীর জয় শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের জন্য এক যুগান্তকারী মাইলফলক। জয়লাভের পরই জোহরানকে ‘পাগল কমিউনিস্ট’ বলে তীব্র কটাক্ষ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা সব সীমা অতিক্রম করেছে। মামদানি ১০০ শতাংশ একটা পাগল কমিউনিস্ট। নিউইয়র্কে মেয়র পদে প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন। দেশে আগেও উগ্র বামপন্থীরা ছিল, কিন্তু এটা একটু বেশি হাস্যকর হয়ে উঠছে। মামদানি আগাগোড়া একটা বোকা লোক। তাঁকে দেখতে ভয়ঙ্কর। কথা বলতে গেলে ওর গলা কাঁপে।’ ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারি ঘিরে তৈরি হয়েছিল অভূতপূর্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামসের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি, গাজা যুদ্ধ, আবাসন সংকট, পুলিশি বর্বরতা এবং শ্রমিক অধিকার ইস্যুতে নগরবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। জোহরান সেই ক্ষোভের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন। জোহরানের বক্তৃতায় বারবার উচ্চারিত হয়েছে, “আমি কেবল মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব করি না, আমি সেই সকল মানুষের পক্ষে লড়ছি, যাদের কণ্ঠ রুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।” বলিউডি সংলাপ, জোহরান মামদানি ভোট চেয়েছেন বাংলাতেও। হিন্দিতে তাঁর সংলাপ চমকে দিয়েছে। তাঁর শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী, প্রাক্তন গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো পেয়েছেন মাত্র ৩৬.৪ শতাংশ। জিতলে মামদানি হবেন নিউ ইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত মেয়র। বছর তেত্রিশের জোহরানের জন্ম উগান্ডায়। তবে তাঁর বাবা মাহমুদ মামদানি গুজরাটের বাসিন্দা। অন্যদিকে জোহরানের মা হলেন স্বনামধন্য পরিচালক মীরা নায়ার। জন্মের কিছু বছর পর জেহরান নিউ ইয়র্কে চলে আসেন। বর্তমানে তিনি নিউ ইয়র্কের কুইন্সের বাসিন্দা। এই কুইন্স শহরে প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশির বাস। সেখানে থাকতে থাকতেই বাংলা ভাষা রপ্ত করেছেন জেহরান। সমাজমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারে তাঁকে বাংলা ভাষাতেও কথা বলতে দেখা গিয়েছে। সস্তায় খাদ্য,বস্ত্র এবং বাসস্থান মূলত নিউ ইয়র্কের বাসিন্দাদের জন্য এই তিন প্রতিশ্রুতিই দিয়েছেন জেহরান।

পরমাণু ঘাঁটির সঙ্গেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ইরানের পরমাণু বোমার স্বপ্ন। ইরানের তিন পারমাণবিক ঘাঁটিতে হামলার পর এমনটাই দাবি করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে খোদ মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ইরানের মাটিতে হামলা চালিয়ে কিছুই লাভ হয়নি আমেরিকার। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় বিতর্ক চরম আকার নিয়েছে। মুখ খুলেছে খোদ হোয়াইট হাউস। মার্কিন গুপ্তচর বিভাগের দুই কর্তার বয়ান অনুযায়ী, আমেরিকার হামলায় ইরানের পরমাণু ঘাঁটি ধ্বংস হয়নি। বড়জোর কয়েক মাসের জন্য তাদের পারমাণবিক কার্যকলাপ পিছিয়ে যেতে পারে। এর বেশি কিছু নয়। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর সঙ্গে কথা বলার সময় এমনটাই দাবি করেছেন পেন্টাগনের দুই কর্তা। এক আধিকারিক বলেন, ইরানের পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালাতেও তাদের ইউরেনিয়াম ভাণ্ডার এখনও সুরক্ষিত। পারমাণু কার্যকলাপে ব্যবহৃত সেন্ট্রিফিউজও সুরক্ষিত। এই হামলায় লাভ যদি কিছু হয়ে থাকে তা হল, ইরানের পারমাণবিক কার্যকলাপ কয়েক মাসের জন্য পিছিয়ে যাবে মাত্র। রয়টর্সের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন হামলার আগেই ইরান তাদের সমস্ত ইউরেনিয়াম পারমাণবিক ঘাঁটি থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, হামলার পর পেন্টাগনের তরফে একাধিক ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানেই স্পষ্ট যে ফরদোতে হামলা চালানো হলেও তাতে বিশেষ ক্ষতি হয়নি। এই কেন্দ্র জাগ্রোস পর্বতমালার ৪৫ থেকে ৯০ মিটার অর্থাৎ ১৫০ থেকে ৩০০ ফুট নিচে অবস্থিত। চলতি বছরের শুরুতেই ফরদোর ভৌগলিক অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল পেন্টাগন। যেখানে দাবি করা হয়, ৩০ হাজার পাউন্ডের GBU-57 বাঙ্কার ব্লাস্টার দিয়েও এই ঘাঁটি ধ্বংস করা যাবে না।দাবি একেবারেই মানতে নারাজ হোয়াইট হাউস। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চরম আকার নিতেই হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, ‘এই ধরনের বক্তব্যের অর্থ হল রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপমান। যে সাহসি পাইলটরা ইরানে ঢুকে হামলা চালাল তাঁদের অপমানের প্রচেষ্টা। এরা সকলেই ইরানের পরমাণু ঘাঁটি পুরোপুরি ধ্বংস করার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন।’ পাশাপাশি আরও জানানো হয়েছে, ‘এটা কারও জানতে বাকি নেই যে ৩০ হাজার পাউন্ডের বোমায় যদি কোথাও হামলা চালানো হয় তাহলে সেই জায়গার কী অবস্থা হয়।’ আমেরিকার উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভান্স মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসিকে জানান, ইরানের তিনটি পারমণুকেন্দ্রে ছয়টি ‘বাঙ্কার বাস্টার’ নিক্ষেপের পর থেকেই নিখোঁজ ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম। উল্লেখ্য, যুদ্ধের আগেই জানা গিয়েছিল, ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে ইরান। ৯০ শতাংশ হলেই আণবিক অস্ত্র তৈরি সম্ভব। এই অশঙ্কাতেই ইজরায়েল ও আমেরিকা যৌথভাবে হামলা চালায় আয়াতুল্লা আলি খামেনেইয়ের দেশে। মার্কিন হামলার দু’দিন আগে ইরানের পরমাণুকেন্দ্রেগুলিতে সারি সারি ট্রাক দেখা গিয়েছিল। প্রকাশ্যে এসেছিল ফোরডো পরমাণুকেন্দ্রের একাধিক উপগ্রহচিত্র। ১৯ জুনের ওই ছবিতে ১৬টি মালবাহী ট্রাক দেখা গিয়েছিল। তখনই জল্পনা ছড়ায়, মার্কিন বোমারু বিমানের হামলার আগেই প্রয়োজনীয় পরমাণু সরাঞ্জাম গোপন আস্তানায় সরিয়ে ফেলেছে ইরান। শুধু তাই নয়, মার্কিন হামলার পর ফরদোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন করতে আরও একদফা হামলা চালায় ইজরায়েলও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles