Sunday, July 12, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

কলকাতা লিগ উদ্বোধনে ক্রীড়ামন্ত্রী!‌ ব্যারেটোর দলকে হারিয়ে অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গলের

ইস্টবেঙ্গল ৩ (জেসিন, জোসেফ, বেলাল) জর্জ টেলিগ্রাফ ০

RK NEWZ ইস্টবেঙ্গল মাঠে জমকাল অনুষ্ঠানও হয়। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ। ছিলেন এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রাক্তন খেলোয়াড় মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, মেহতাব হোসেন, দীপঙ্কর রায়, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের দেবব্রত সরকার, আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত। লাল-হলুদ ক্লাবের তরফে ক্রীড়ামন্ত্রীর হাতে জার্সি তুলে দেওয়া হয়। এবারের কলকাতা লিগ প্রখ্যাত খেলোয়াড় সাহু মেওয়ালালের নামে করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেওয়ালালের পুত্র। সেখানে প্রকাশিত হয় প্রখ্যাত ফুটবলারের নামে স্ট্যাম্প। জয় দিয়ে কলকাতা লিগের অভিযান শুরু করল গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। প্রতিপক্ষ ছিল জর্জ টেলিগ্রাফ। মনে রাখতে হবে বিপক্ষের ডাগআউটে ছিলেন ‘মাস্টারমাইন্ড’ ব্যারেটো। তবে তাঁর দল বিশেষ ছাপ ফেলতে পারল না। ফলে ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে জয় পেতে বিশেষ সমস্যা হল না। শুরু থেকে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় মশাল ব্রিগেড। লাল-হলুদ রিজার্ভ দলের কোচ বিনো জর্জের ভরসা দুই পুরনো মুখ জেসিন টিকে এবং পিভি বিষ্ণু। সঙ্গে ছিলেন চাকু মাণ্ডি, তন্ময় দাসের মতো পরিচিত মুখ। তাদের নিয়েই ঝড় তোলে ইস্টবেঙ্গল। ২৪ মিনিটেই জেসিনের গোলে তমলুক খেলাঘর জর্জ টেলিগ্রাফের বিরুদ্ধে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। এরপর একাধিক সুযোগ পেলেও দ্বিতীয় গোল আসছিল না। অবশেষে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫+৪ মি.) পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জোসেফ জাস্টিন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনে এবার কলকাতা লিগে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ এবং রাষ্ট্রগান ‘বন্দে মাতরম’– দুই-ই রাখা হয়েছে। ডার্বির ভেন্যু নিয়ে অনির্বাণ দত্ত বলেন, “আমরা বারাসত স্টেডিয়ামে ডার্বি আয়োজনের চেষ্টা করছি। গতবার কল্যাণীতে খুব ভালো ডার্বি হয়েছিল। তবে বারাসত শহরের কাছাকাছি হওয়ায় দর্শকদের মাঠে পৌঁছনো সহজ হবে। স্টেডিয়ামটিও নতুন করে সেজে উঠেছে। সম্ভব হলে বারাসতেই ডার্বি হবে, না হলে কল্যাণী তো রয়েছেই।”

ডায়মন্ড হারবার এফসি এবং শ্রীভূমি এফসি এবার কলকাতা লিগে অংশ নিচ্ছে না। ফলে দুই গ্রুপে সমান সংখ্যক ম্যাচ নিশ্চিত করতে লটারির করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত। তাঁর কথায়, “আমরা সমস্ত ক্লাবকে ডেকেছিলাম। তাদের মতামত নিয়েই লটারি হয়। একদিকে দু’টি দল খেলছে না। অন্যদিকে সব দল খেলছে। তাই একটি নন-প্লেয়িং দলকে উলটো গ্রুপে নিয়ে গিয়ে একটি প্লেয়িং দলকে ওই গ্রুপে পাঠানো হয়েছে, যাতে দুই গ্রুপেই সমান সংখ্যক ম্যাচ হয়।” দুই ক্লাবের না খেলার কারণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, “ওরা কোনও উত্তর দেয়নি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জানাতে বলেছিলাম। এখনও পর্যন্ত ওদের কাছ থেকে কোনও ফিডব্যাক পাইনি।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles