Saturday, July 11, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

অসি কিংবদন্তি ম্যাথু হেডেন কন্যা কলকাতার ফ্যান! ইডেনে বেঙ্গল প্রো টি২০ টুর্ণামেন্টের অ্যাঙ্কার অস্ট্রেলিয়ান গ্রেস

জন্মদিন ১৬ জুন। ২২ এ পা রাখবেন। আপাতত তিনি কলকাতায়। কলকাতায় জন্মদিনে পরবেন শাড়ি। বাবা ছিলেন ভারতীয় বোলারদের আতঙ্ক। জসপ্রীত বুমরাকে ভয় পান মেয়ে! গ্রেস হেডেন। হেডেন-কন্যা বুমরার ফ্যান! সঞ্চালনায় নজর কাড়ছেন ম্যাথু হেডেনের কন্যা গ্রেস। বাবা ছিলেন ভারতীয় বোলারদের আতঙ্ক বলার কারণ হিসাবে পরিসংখ্যান বলছে, ভারতের বিরুদ্ধে ১৮ টেস্টে ৫৯ ব্যাটিং গড়ে ১৮৮৮ রান। ৬টি সেঞ্চুরি। যার মধ্যে একটি ডাবল সেঞ্চুরি। ২৮ ওয়ান ডে ম্যাচে প্রায় ৫৪ গড়ে ১৪৫০ রান। ৩ সেঞ্চুরি। সামলেছেন বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম দুই স্পিনার অনিল কুম্বলে ও হরভজন সিংকে সঙ্গে জাহির খান, জাভাগাল শ্রীনাথ, ইশান্ত শর্মা, আশিস নেহরার নামজাদা পেসারদেরও। সকলের বিরুদ্ধেই ব্যাট হাতে দাপট। ২০০৩ সালে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের টিম ইন্ডিয়ার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন চুরমার হয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার কাছে। সেই অসি দলের অন্যতম কাণ্ডারি ছিলেন ম্যাথু হেডেন।

বাবা ‘‌ক্রিকেটের দৈত্য’‌, মেয়ে দেখার মতো সুন্দরী! আইপিএলে সবার নজরে এই মহিলা তাঁর বাবাকে বলা হত ক্রিকেটের দৈত্য। বিরাট চেহারা। ঠিক তেমনই চেহারার সঙ্গে মানানসই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতেন ম্যাথু হেডেন। ম্যাথু হেডেনকে কে না চেনে! অস্ট্রেলিয়ার বিধ্বংসী ওপেনার ভারতের বিরুদ্ধে বহু ম্যাচে দুরন্ত পারফর্ম করেছেন। মেয়ে আইপিএলের সঞ্চালিকা ছিলেন। ক্রিকেট অ্যাঙ্কর হিসেবে জনপ্রিয় গ্রেস হেডেন। আইপিএলের পর বেঙ্গল প্রো লিগেও। সম্প্রচারকারী চ্যানেলের উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করছেন। গ্রেস হেডেনকে একাধিকবার তাঁর বাবার সাক্ষাৎকার নিতেও দেখা গিয়েছে। ভারত সফরে এসে গ্রেস আপ্লুত। এদেশের বিভিন্ন জায়গা ঘুরেছেন তিনি। ভারতের সংস্কৃতি তাঁকে অবাক করেছে বলেও জানিয়েছেন। কলকাতাও ঘুরে দেখেছেন। গ্রেস জানিয়েছেন, আর আগে তিনি বাবার মুখে ভারত সম্পর্কে শুনেছেন। এবার নিজের চোখে এদেশের বিভিন্ন জায়গা দেখে তিনি আপ্লুত। আইপিএলে তাঁর সঞ্চালনা প্রশংসা কুড়িয়েছে। গ্রেস জানিয়েছেন, বাবার থেকেই তিনি প্রথম ক্রিকেট শিক্ষা পান। পন্থের ফ্যান, ভারতের ডাল-রুটি খেতে ভালবাসেন অস্ট্রেলিয়ান‌ কিংবদন্তির কন্যা। বাবা ভারতের ত্রাস ছিলেন। টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে নজরকাড়া সাফল্য হেডেনের। একাধিকবার ভারত সফরে এলেও পরিবার নিয়ে খুব একটা আসেননি। কিন্তু সবসময় এক টুকরো ভারত নিজের সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়। সেই থেকেই ভারতের প্রতি আগ্রহ জন্মায় হেডেন‌ কন্যার। জানালেন, ভারতীয় খাবার, মশলা তাঁর খুবই পছন্দ। গ্রেস বলেন, ‘‌আমি ছোটবেলায় ভারত সম্বন্ধে আমার বাবার থেকে অনেক কিছু শুনেছি। সেই থেকে ভারতের প্রতি একটা ভালবাসা তৈরি হয়। বাবা এখনও ওখান থেকে বাড়িতে মশলা নিয়ে আসে। তাই আমি সবসময় ভারতীয় খাবার খেতে পছন্দ করি। আমি রুটি এবং ডাল কারি খেতে ভালবাসি। আমি ভারতের রুটির ভক্ত। বাবা সমসময় এক টুকরো ভারত আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসত। সবাই আমাকে জিজ্ঞেস করত, ভারতের মশলাদার খাবার খেতে আমার অসুবিধা হয়না?‌ আমি বলতাম, না, আমি ভারতীয় খাবার খেতে ভালবাসি।’‌

বাবার মতোই ক্রিকেট মাঠে ঝড় তুলেছেন হেডেন-কন্যা গ্রেস। ক্রিকেট খেলেন না। ক্রিকেটের ধারাভাষ্যকার ও ক্রিকেট সঞ্চালক হিসাবে। কলকাতায় এসেছেন বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগের ধারাভাষ্য দিতে। মাইকেল ক্লার্কের সঙ্গেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নজর কেড়েছিলেন। প্রত্যেক ম্যাচেই সঞ্চালিকা। ক্রিকেট নিয়ে সাবলীল আলোচনায়, পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণে নজর কেড়ে নিয়েছেন ২৩ বছরের তরুণী। ক্রিকেট প্রেম কি বাবার থেকে পাওয়া? ইডেন গার্ডেন্সের ক্লাব হাউসের তিনতলায় কনফারেন্স রুমে আড্ডায় গ্রেস হেডেন বললেন, ‘‌আমি ক্রিকেটীয় পরিবেশে বড় হয়েছি। বাবা ক্রিকেটার। বাড়িতে খেলা নিয়ে আলাদা আবেগ ছিল। কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, অস্ট্রেলিয়া হোক বা ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, সর্বত্রই ক্রিকেট নিয়ে একইরকম আবেগ। বাবা ভারতকে খুব পছন্দ করে। আমিও সেটাই পেয়েছি। ভারতের সংস্কৃতি, খাবার, সবই আমার দারুণ লাগে। আইপিএলে আমি পাঁচ বছর হল সঞ্চালকের কাজ করছি। আমি ভারতে কাজ শুরু করার আগে থেকেই বাবা এখান থেকে রান্না শিখে যেত। কুইন্সল্যান্ডে আমাদের বাড়িতে সেসব রান্না হতো। ভারতীয় খাবারদাবারের সঙ্গে আমার অনেকদিনের পরিচয়। অনেকেই জানতে চান, প্রথমবার ভারতে এসে খাবার কেমন লেগেছিল। আমি বলি, আরে! আমার বাড়িতেও তো এসব রান্না হয়। আমার কাছে কিছুই নতুন নয়। ভারতীয় মশলার সঙ্গেও আমি পরিচিত। আইপিএলে সঞ্চালক হিসাবে কাজ করতে এসেও আমার সমস্যা হয়নি।’‌

ভারতের বিরুদ্ধে ঈর্ষণীয় রেকর্ড ছিল ম্যাথু হেডেনের। ক্রিকেট সঞ্চলনা ও ধারাভাষ্যের মাধ্যমে মেয়েও ভারতকে ভালবেসে ফেলেছেন গ্রেস বলেন, ‘‌ক্রিকেট আমার কাছে ম্যাজিকের মতো। বাবা বিখ্যাত হওয়ায় সব সময়ই প্রচারের আলোয় থাকতে হয়েছে। ছোট থেকেই খেলাধুলো ভালবাসি। তবে কেরিয়ার শুরু হয়েছিল মডেলিংয়ে। ক্যামেরার সামনে বরাবরই স্বচ্ছন্দ ও কথা বলতে ভালবাসি। স্কুল শেষ করার পর থেকেই মডেলিং করতাম। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির চ্যানেল চ্যানেল সেভেন সঞ্চালনার প্রস্তাব দেয়। হর্স রেসিং সঞ্চালনা করে কেরিয়ার শুরু। মেলবোর্নে হর্স রেসিং ও ফ্যাশনের অনুষ্ঠান দিয়ে কেরিয়ার শুরু। তারপর গত পাঁচ বছর ধরে স্টার স্পোর্টসের হয়ে আইপিএল করছি। আমার পরিবারের সংস্কৃতি খুব সাহায্য করেছে। বাবা নিজে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে আইপিএলে খেলেছে। পরে ধারাভাষ্যকার হিসাবে কাজ করেছে। তাতে আমার খুব সুবিধা হয়েছে। ভারতে ক্রিকেট নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি, তাতে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। ভারতে এত প্রাণশক্তি, এত রং, সুর, শব্দ, হৈচৈ, মানুষের উন্মাদনা, দারুণ লাগে। কাজ করতে খুব ভাল লাগে। আমাদের দেশের সংস্কৃতির চেয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত হলেও ভালবাসি।’

‌অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইয়ান হিলির কন্যা অ্যালিসা দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলেন। হেডেন কন্যাও ক্রিকেট খেলেছেন, ‘‌ছোটবেলায় বাবা ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করিয়েছিল। খেলাধুলো আমি ভালবাসি। স্কুলে স্পোর্টস গার্ল অফ দ্য ইয়ার হয়েছি। তবে ক্রিকেটটা সেভাবে খেলা হয়নি। কখনও খেলার আগ্রহ অনুভব করিনি। তবে নেটে ব্যাটিং করেছি। মজা লাগে। সাত বছর ধরে বাবা অস্ট্রেলিয়া দলে কখনও সুযোগ পেত, কখনও বাদ পড়ত। তাই আলাদা কিছু করতেই হতো। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের ভারতীয় স্পিনারদের খেলার ব্যাপারে দুর্বলতা ছিল। সেই সময় চেন্নাইয়ে একটা স্পিন ক্লিনিক হয়। বাবা সেখানে যোগ দিয়েছিল। সেখান থেকেই স্পিন খেলার পাঠ। তারপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ভারতীয় স্পিনারদের বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে দাপট দেখিয়েছে। বাবা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার সময় কখনও ভারতে আসা হয়নি গ্রেসের। বলছিলেন, ‘ইংল্যান্ডে, দক্ষিণ আফ্রিকায়, শ্রীলঙ্কায় গিয়েছি। কিন্তু ঠিক ভারতে আসার সময় আমার স্কুলের পরীক্ষা বা এরকম কিছু পড়ে যেত। ২০১৮ সালে প্রথমবার ভারতে আসা। বেঙ্গালুরুতে আমার ১৬তম জন্মদিন কাটিয়েছিলাম। তবে ২০০৯ সালে আইপিএল যেবার দক্ষিণ আফ্রিকায় স্থানান্তরিত হয়েছিল, সেবার মাঠে গিয়ে খেলা দেখেছিলাম।’‌ ম্যাথু হেডেন স্পিনের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করতেন। দেখেছেন বাবার সাধনা। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে গ্রেসের প্রিয় ঋষভ পন্থ। ওর ফিরে আসার গল্প অবিশ্বাস্য। ওর বেঁচে থাকাটাই অলৌকিক। ওর এমন খেলাটা অলৌকিক। মানসিক জোর শেখার মতো। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দারুণ রেকর্ড। গ্রেস বলেন, ‌আমার মনে হয় ওর প্রত্যাবর্তনের কাহিনি অনবদ্য। সম্প্রতি আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি প্লেয়ার হয়। সবার গাড়ি দুর্ঘটনার কথা মনে আছে। সেই জায়গা থেকে কামব্যাক করে আবার নিজের জায়গা ফিরে পাওয়ার কৃতিত্ব ওকে দিতেই হবে। কঠোর পরিশ্রম, সংকল্পের জোরে ও এই অসাধ্য সাধন করতে পেরেছে। আমি অস্ট্রেলিয়ান, তবে ওকে নিয়ে গর্বিত। একজন প্লেয়ার এবং মানুষ হিসেবে ও খুব শক্তিশালী। ও বাকিদের অনুপ্রেরণা দিতে পারে।’‌ এখনকার ভারতীয় দলের ফাস্টবোলার যশপ্রীত বুমরার ফ্যান হেডেন-কন্যা! গ্রেস জানান, ‘‌যশপ্রীত বুমরা। আমি দারুণ ভালবাসি ওকে। কী বোলার একজন! ব্যাটার হলে আমি কোনও দিন বুমরার বিরুদ্ধে খেলতে চাইতাম না। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে যা খেলে, আতঙ্ক তৈরি করে দেয়। ওরে বাবা, ওকে খেলা দুষ্কর। কিং কোহলিকেও দারুণ লাগে। ওর দক্ষতার জন্য ওকে সকলেই ভালবাসে। ওর নেতৃত্ব দেওয়ার মুন্সিয়ানা ভাল লাগে।’‌

গ্রেস কলকাতায় বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগে ধারাভাষ্যকার হিসাবে কাজ করছেন। বাবা ম্যাথু হেডেন লর্ডসে অস্ট্রেলিয়া বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ধারাভাষ্য দিচ্ছেন। গ্রেস অবশ্য ফাইনালের খবর রাখছেন। বলছিলেন, ‘‌স্টিভ স্মিথ প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাট করল। বিউ ওয়েবস্টারও দুর্দান্ত। অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান দলে আমার প্রিয় ক্রিকেটার প্যাট কামিন্স। শান্ত, সংযত। ওকে যখন নেতৃত্ব দেওয়া হয়, অনেকে ভ্রু কুঁচকেছিলেন। কেউ ভাবতেও পারেননি যে, কামিন্স বিশ্বকাপ দেবে দেশকে। ট্র্যাভিস হেডকেও দারুণ লাগে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে আইপিএলে ভাল খেলেছে।’‌ কলকাতা দারুণ লাগছে। খুব গরম। কুইন্সল্যান্ডেও খুব গরম। তবে এখানে খুব আর্দ্রতা। কলকাতাকে কেন সিটি অফ জয় বলা হয় বুঝতে পারি। দুর্গাপুজো দেখেছি। কলকাতার মাছ খেয়েছি। ফুচকা খেয়েছি। বিরিয়ানি। তবে আমি মিষ্টি পছন্দ করি না। রসগোল্লা খাওয়া হয়নি।’‌ বলছিলেন গ্রেস। বাবার সতীর্থদের মধ্যে মাইকেল ক্লার্ক খুব স্নেহ করেন। বলেন, ‘‌তোমাকে কত ছোট দেখেছি আর এখন আমার সঙ্গে ধারাভাষ্যকারের কাজ করছো?’‌ ভারতের অনেক ক্রিকেটারও সেই কথা বলেন। ‌সোমবার গ্রেসের জন্মদিন। গ্রেস বলছেন, ‘‌ভারতীয় শাড়ি আমার ভীষণ পছন্দের। ১৬ জুন কলকাতায় আমার জন্মদিন কাটাব। সেদিন শাড়ি পড়ার ইচ্ছে রয়েছে।’‌ ক্রিকেট ছাড়া পছন্দ? ‌‘‌অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস ভাল লাগে। আমি ও আমার পার্টনার সার্ফিং করি। রান্না করি। লোকজনকে রেঁধে খাওয়াতে ভাল লাগে। দৌড়তে ভাল লাগে’‌।

সত্যিই, ম্যাথু হেডেনের মেয়েও ক্রিকেট মাঠে মন জিতে নিচ্ছেন। ভিন্ন ভূমিকায়। শচীন কন্যা সারা তেণ্ডুলকরের বন্ধু হেডেনের মেয়ে। আইপিএলের এই সুন্দরী সঞ্চালিকা। ভারতকে নিজের ‘‌দ্বিতীয় বাড়ি’‌ বলে মনে করেন হেডেন-কন্যা। আইপিএলের সঞ্চালিকাদের তালিকায় আকর্ষণীয় নাম গ্রেস হেডেন। প্রাক্তন অজি তারকা ম্যাথু হেডেনের মেয়ে। একসময় চেন্নাই সুপার কিংসে দাপটের সঙ্গে খেলেছেন বাবা ম্যাথু। ২০২৩-র বিশ্বকাপে সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও সঞ্চালনা করেছেন। চলতি আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ভারতে আসেন। যন্ত্র কুকুর ‘‌চম্পক’‌-এর সঙ্গে অজি সুন্দরী খেলার ভিডিও ভাইরাল। তবে ভারত-পাক সংঘাতের আবহে আইপিএল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কিছুটা বিপাকে পড়েন গ্রেস। পাঞ্জাব ম্যাচ মাঝপথে বাতিল হয়ে যায়। সেই ম্যাচে ধরমশালার স্টেডিয়ামেই উপস্থিত ছিলেন গ্রেস। আচমকা স্টেডিয়ামের আলো নিভে যাওয়ায় চিন্তায় পড়েছিলেন। পরে অবশ্য দেশে ফিরে যান। গ্রেসের সঞ্চালনার মূল শক্তি তাঁর স্বতঃস্ফূর্ততা। কথায় ও সৌন্দর্যে দর্শকদের মনোরঞ্জন করায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া নাচটাও ভালোই জানেন। ক্রিকেট জীবনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল শচীন তেণ্ডুলকর ও ম্যাথু হেডেনের। তবে তাঁদের মেয়েদের মধ্যে খুব বন্ধুত্ব। সারা ও গ্রেস একসঙ্গে ঘুরতেও যান। সারার থেকে ৫ বছরের ছোট ২২ বছর বয়সি গ্রেস। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় দু’লক্ষ। নিয়মিত ছবি আপলোড করেন। প্রায়ই ঘুরতে যাওয়ার ছবি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। ছোটবেলায় হেডেনের সঙ্গে খুব বেশি দেশ, বিদেশে ঘোড়ার সুযোগ হয়নি। কিন্তু এখন অস্ট্রেলিয়ান তারকা ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় মাঝেমধ্যে পরিবার নিয়ে যান। আর নিজের দেশে খেলা হলে তো কথাই নেই। মিস করেন না গ্রেস। সেই সূত্রে ক্রিকেটের প্রতিও তাঁর ভালবাসা জন্মেছে। টিভিতে দেখার পাশাপাশি মাঠে বসেও প্রচুর খেলা দেখেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles