Friday, May 1, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

তারেকের শপথগ্রহণে মোদিকে আমন্ত্রণ বিএনপির!

তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি। সশরীরে ঢাকায় উপস্থিত হয়ে প্রয়াত খালেদা জিয়ার দলের আমন্ত্রণ রক্ষা করবেন মোদি? ভারত বিরোধিতা, মৌলবাদের আগুন, পাকিস্তানের অঙ্গুলিহেলন পেরিয়ে অবশেষে গণতন্ত্রের সোজা পথে হাঁটবে বাংলাদেশ? ফিরবে দিল্লি-ঢাকার অতীতের উষ্ণ বন্ধুত্ব? নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর কার্যত সেই ইঙ্গিতই দিয়েছে বাংলাদেশের শাসকদল বিএনপি। শুক্রবার নির্বাচন জয়ের পর এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি হবু প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর পালটা ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় তারেকের দল। ভারত বিরোধিতা, মৌলবাদের আগুন, পাকিস্তানের অঙ্গুলিহেলন পেরিয়ে অবশেষে গণতন্ত্রের সোজা পথে হাঁটবে বাংলাদেশ? ফিরবে দিল্লি-ঢাকার অতীতের উষ্ণ বন্ধুত্ব? নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর কার্যত সেই ইঙ্গিতই দিয়েছে বাংলাদেশের শাসকদল বিএনপি। শুক্রবার নির্বাচন জয়ের পর এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি হবু প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর পালটা ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় তারেকের দল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তারেক রহমানকে পাঠানো অভিনন্দন বার্তা প্রসঙ্গে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরাও আমাদের দলের পক্ষ থেকে নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।’শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর দেড় বছরের শাসনকালে অচলবস্থা চরমে উঠেছিল। ভারত বিদ্বেষ, হিন্দু নির্যাতন, মৌলবাদ মিলিয়ে মবের মুলুকে পরিণত হয়েছিল প্রতিবেশী দেশ। শুধু তাই নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুছে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ান ইউনুস। গোটা ঘটনাকে মোটেই ভালো চোখে দেখেনি ভারত। একাধিকবার কূটনৈতিক ঠোকাঠুকি লেগেছে দুই দেশের।

নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভের পর লাইনচ্যুত বাংলাদেশকে ট্র্যাকে ফেরানোর গুরুভার এখন বিএনপি প্রধান তারেক রহমানের কাঁধে। দেশের অভ্যন্তরে বেলাগাম হিংসা, বিদ্বেষ, বৈষম্যের পাশাপাশি ‘বিভ্রান্ত বিদেশনীতি’ কীভাবে সামলাবে নয়া সরকার? চিন-পাকিস্তান না কি অতীতের মতো ভারতকেই বেছে নেওয়া হবে? শনিবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে তারই আভাস দিলেন বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী। দেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বিদেশনীতি প্রসঙ্গে জানালেন, ‘কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখবে বাংলাদেশ। কারও প্রতি বিশেষ পক্ষপাতিত্ব করব না।’ হাসিনা সরকারের পতনের পর গত দেড় বছরের ইউনুস জমানায় বহু পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশে। হিংসা, খুন, সংখ্যালঘু নির্যাতন, মৌলবাদের দাপাদাপি মিলিয়ে দেশটি ‘মবের মুলুকে’ পরিণত হয়েছিল। শুধু তাই নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভুলে পাকিস্তানের সঙ্গে দহরম মহরম বাড়িয়েছিল ইউনুসের সরকার। উসকানি দেওয়া হচ্ছিল ভারত বিদ্বেষের আগুনে। গুরুতর এই পরিস্থিতি পেরিয়ে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে তারেক বলেন, “বাংলাদেশ তার কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখবে এবং কারও প্রতি কোনও পক্ষপাতিত্ব করব না। দেশের স্বার্থই সবার আগে। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা হবে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles