Friday, May 1, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বাংলার মন বোঝা নয়কো সোজা! পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার কার?‌ সোম সকাল ৮টায় গণনা শুরু, বেলা ১২টার মধ্যেই স্পষ্ট হবে!‌

RK NEWZ এক্সিট পোল নিয়ে উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। কে জিতবে, কে হারবে তা নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অধিকাংশ এক্সিট পোলই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে তৃণমূল ও বিজেপির। তবে খানিকটা এগিয়ে গেরুয়া শিবির। আবার দু-একটি এক্সিট পোলে ইঙ্গিত দিচ্ছে তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনেরও। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সি ভোটার, টুডে’জ চাণক্য এবং অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার মতো তথাকথিত গ্রহণযোগ্য এবং নামী সমীক্ষক সংস্থা বুধবার নিজেদের সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশই করেনি। বৃহস্পতিবার কিছু কিছু সংস্থা নিজেদের রিপোর্ট প্রকাশ করবে। কিন্তু অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া নিজেদের সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশই করবে না। আসলে বাংলার ক্ষেত্রে এক্সিট পোল কাজটা বরাবরই বেশ কঠিন। এখানকার রাজনীতি সচেতন মানুষ সচরাচর কোনও সমীক্ষক সংস্থাকে সঠিক তথ্য দেন না। তাছাড়া বাংলার মহিলা ভোটাররা নির্বাচনের ফলাফলে নির্ণায়ক ভূমিকা নেন। যে তথ্য অনেক সময় বুথ ফেরত সমীক্ষায় ধরা পড়ে না। সম্ভবত সেকারণেই সেই ২০১৬ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে এক্সিট পোলের ফলাফল অন্তত বাংলার ক্ষেত্রে অন্তত মেলেনি। তাই প্রদীপ গুপ্তারা হয়তো সেকারণেই এবার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। স্বাভাবিকভাবেই অন্য সমীক্ষক সংস্থাগুলির সমীক্ষা এবার আরও বড় প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল।

ভোটের দিন নজিরবিহীনভাবে সাতসকালে বাসভবন থেকে বেরিয়ে বুথে বুথে ঘুরেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পর্ব মিটতেই ভিডিও বার্তায় তিনি জানালেন, নিজেই পাহারা দেবেন ইভিএম। এমনকী গণনার দিন প্রার্থী হিসেবে থাকবেন গণনাকেন্দ্রে। তিনি একা নন, দলের সমস্ত প্রার্থীদের কাউন্টিং সেন্টারে থাকার নির্দেশ দিলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা, স্ট্রং রুম থেকে গণনাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময়ও ইভিএম বদল করা হতে পারে। গণনার সময় কারচুপির সম্ভাবনা প্রবল বলেও দাবি তাঁর। কর্মী ও রাজ্যবাসীর জন্য ভিডিওবার্তা প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানান, তৃণমূলই সরকার গড়বে, কারও চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে বিজেপি যে গণনায় কারচুপির চেষ্টা করবে, তা নিয়ে মোটের উপর নিশ্চিত তৃণমূল সুপ্রিমো। তাই প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ইভিএম পাহারা দিতে হবে। আমার এলাকায় পাহারা দেব আমি। ২৯৪ আসনের প্রার্থীরা নিজে পাহারা দিন। রাত জেগে থাকুন। আমি যদি পারি, আপনারাও পারবেন। কারণ, গণনাকেন্দ্রে ইভিএম নিয়ে যাওয়ার সময় তা বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তিনি নিজে প্রার্থী হিসেবে গণনাকেন্দ্রে থাকবেন। তাঁদের নির্দেশ, সকল প্রার্থী থেকে গণনাকেন্দ্রে থাকেন। অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া যেন একমুহূর্তের জন্যও কেউ না সরেন। মমতার কথায়, “যদি উঠতেই হয়, এমন কাউকে রেখে যাবেন যিনি টাকায় বিক্রি হবে না।” তিনি আরও স্পষ্ট করে বললেন, “আমি যতক্ষণ সাংবাদিক বৈঠক করে না বলব, ততক্ষণ কেউ গণনার টেবিল ছাড়বেন না।” পাশাপাশি কর্মীদের শান্ত ও সংযত থাকার জন্য অনুরোধও করেছেন দলনেত্রী। নিশানা করেছেন বিজেপি ও কমিশনকে।

সোমবার সকাল ৮টায় গণনা শুরু, বেলা ১২টার মধ্যেই স্পষ্ট হবে পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার কার হাতে তুলে দিলেন রাজ‍্যবাসী। দুই দফায় দেওয়া মানুষের রায় এখন স্ট্রংরুমে বন্দি। আগামী সোমবার সেই ভোট গোনার কাজ হবে। ভোট গোনার জন্য আলাদা ভাবে গণনাকক্ষ তৈরি করা হবে। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে স্ট্রংরুম। পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের রায় যন্ত্রবন্দি হয়ে গিয়েছে। অপেক্ষা শুধু সেই রায় ঘোষণার। কার ভাগ্যে কত ভোট জুটল, কোন দল জিতছে, কারা বসতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের মসনদে— তা সবই স্পষ্ট হবে ভোটগণনার পরেই। তবে গণনা সমাপ্ত হওয়ার আগেই একটা ইঙ্গিত তৈরি হয়ে যায়। আগামী ৪ মে, সোমবার যন্ত্রবন্দি মানুষের রায় গোনার কাজ শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে। কখনও-সখনও কোনও কেন্দ্রের গণনা শেষ হতে রাতও পেরিয়ে যায়। গণনার শুরুতেই পোস্টাল ব্যালট গোনা হয়। তার পরে শুরু হয় ইভিএমের ভোটগণনা। গণনা শুরুর চার ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ, দুপুর ১২টার মধ্যেই ভোটের ফলের প্রাথমিক ধারণা আসতে শুরু করে। অর্থাৎ ওই সময়ের মধ্যেই কয়েক রাউন্ডের গণনা শেষ হয়। ফলে কারা জিতছেন, কারা হারছেন— তার ইঙ্গিত মোটের উপর স্পষ্ট হতে শুরু করে। তবে ব্যতিক্রমও থাকে। কোনও কোনও কেন্দ্রের লড়াই চলে হাড্ডাহাড্ডি। সাধারণত দুই প্রার্থীর মধ্যে এই লড়াই চলে। কখনও এক জন এগিয়ে থাকেন, পরের রাউন্ডেই এগিয়ে যান অন্য জন। কোনও কোনও ক্ষেত্রে লড়াইয়ে থাকে দুইয়ের বেশি প্রার্থীও। পশ্চিমবঙ্গে দু’দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয়েছে ২৩ এপ্রিল। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা। দু’দফায় দেওয়া মানুষের রায় এখন স্ট্রংরুমে বন্দি। আগামী সোমবার সেই ভোট গোনার কাজ হবে। ভোটারেরা নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন ইভিএমে। ইভিএমের দু’টি অংশ। এক, ব্যালট ইউনিট। দুই, কন্ট্রোল ইউনিট। সব বুথেই ইভিএম মেশিনের পাশে ছিল একটি ভিভিপ্যাট মেশিন। ভোটারেরা ইভিএমে বোতাম টিপে নিজের মত জানান। তবে তিনি যেখানে ভোট দিলেন, সেই প্রার্থীর নামেই ভোটটি সংরক্ষিত হল কি না, তা ভোটারেরা দেখতে পান ভিভিপ্যাট মেশিনে। ভোটদানের পর ইভিএম মেশনগুলিকে বুথে উপস্থিত সকল বুথ এজেন্টের সামনে ‘সিল’ করে দেওয়া হয়। তার পরে সেগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয় স্ট্রংরুমে। গণনার দিনের আগে পর্যন্ত স্ট্রংরুমে কড়া পাহারার মধ্যে থাকে ইভিএম মেশিনগুলি। গণনার দিন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ওই ‘সিল’ খোলা হয়। ইভিএম মেশিনে সংরক্ষিত ভোটগুলিকে গোনার কাজ করেন আধিকারিকেরা।

স্ট্রংরুমে ইভিএমগুলি থাকে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে। ২৪ ঘণ্টাই স্ট্রংরুমগুলির পাহারায় থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আগে স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তায় ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ওই সংখ্যা আর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে।স্ট্রংরুমগুলিতে সর্ব ক্ষণ সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হয়। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, স্ট্রংরুমের বাইরের এলাকায় রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতে পারবেন। স্ট্রংরুমে থাকবে একটি মাত্র প্রবেশপথ। ওই ঘরের দরজায় রয়েছে ‘ডবল লক সিস্টেম’। কে, কখন স্ট্রং রুমে ঢুকছেন, কখন বার হচ্ছেন, সবটাই লিখে রাখতে হচ্ছে লগবুকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সেই কাজ করছেন অহরহ। স্ট্রংরুমের পাশাপাশি ভোট গোনার জন্য আলাদা ভাবে গণনাকক্ষ তৈরি করা হবে। সেটিও সুরক্ষিত থাকবে। প্রতিটি কক্ষের জন্য আলাদা প্রবেশ ও বাহির পথ থাকবে, সেটাই নিয়ম। গণনাকক্ষ যদি বড় হয়, তবে সেটিকে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে ভাগ করে দেওয়া হয়। কোনও ভাবেই এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে সরাসরি যাওয়া যাবে না। ইভিএম আনা-নেওয়ার জন্য আলাদা নিরাপদ পথ রাখতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

গণনাকক্ষে সকলের প্রবেশের অনুমতি নেই। গণনাকক্ষের মধ্যে থাকতে পারবেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারি রিটার্নিং অফিসার, কাউন্টিং স্টাফ, টেকনিক্যাল স্টাফ, কাউন্টিং সুপারভাইজ়ার, কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি ও অবজ়ার্ভার, দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী, প্রার্থী বা তাঁদের এজেন্ট। গণনাকেন্দ্রে থাকছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গণনাকেন্দ্রের বাইরে ১০০ মিটার এলাকায় কোনও যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। সেখানকার নিরাপত্তায় থাকছে রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ এবং গণনাকক্ষের মধ্যেকার অংশ থাকবে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর দখলে। তল্লাশির পরেই ভিতরে যাওয়ার অনুমতি মিলবে। মোবাইল, অস্ত্র ইত্যাদি জমা রাখতে হবে। গণনাকক্ষের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। গণনাকেন্দ্রে যাঁদের প্রবেশের অনুমতি রয়েছে, তাঁদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) থাকে। এ বার সেই পরিচয়পত্রের সঙ্গে থাকবে কিউআর কোড। ওই কোড স্ক্যান করেই যাচাই করা হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দেওয়া অনুমতিপত্র। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে গণনাকেন্দ্রে ঢোকার মুখে এক বার আইডি কার্ড পরীক্ষা করা হবে। গণনাকক্ষে যাওয়ার পথে আবার এক বার আইডি কার্ড যাচাই করবেন নিরাপত্তাকর্মীরা। শেষ বার গণনাকক্ষে ঢোকার মুখে পরীক্ষা হবে। সেখানেই আইডি কার্ডে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। ইভিএম বা ব্যালটের ছবি তোলা সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ। রিটার্নিং অফিসার, পর্যবেক্ষক ছাড়া গণনাকক্ষে কারও মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি নেই। পুরো গণনাপ্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফি বাধ্যতামূলক। ভিডিয়োগ্রাফি করা হবে স্ট্রংরুম খোলা, ইভিএম আনা, ভোট গণনা এবং ফল ঘোষণার। এই সব ভিডিয়ো নিরাপদে সংরক্ষণ করতে হবে— স্পষ্ট নির্দেশ কমিশনের।

স্ট্রংরুম থেকে ইভিএম আনা হয় গণনাকক্ষে। তার পরে সিল এবং ট্যাগ ঠিক আছে কি না, তা পরীক্ষা করা হয়। গণনা-টেবিলে প্রার্থী বা তাঁর এজেন্টদের সামনে তা খোলা হয়। সাধারণত একটি গণনাকেন্দ্রে ১৪টি টেবিল থাকে। প্রত্যেক বার ১৪টি টেবিলে গণনা সম্পন্ন হলে এক রাউন্ড হয়। ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিটে একটি ‘রেজাল্ট’ বোতাম থাকে। সেই বোতাম টিপলেই জানা যায় ভোটসংখ্যা। মোট কত ভোট পড়েছে, কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, তা নির্দিষ্ট ফর্মে লেখা হয়। তার পরে প্রতিটি রাউন্ডের ফল ঘোষণা করা হয়। গণনা শেষে নির্দিষ্ট বুথের ভিভিপ্যাট স্লিপ গোনা হয়। মিলিয়ে দেখা হয় কন্ট্রোল ইউনিটের সঙ্গে। গণনার হিসাব রাখার জন্য মূলত দু’টি ফর্ম ব্যবহার করা হয়। ফর্ম ১৭সি এবং ফর্ম ২০। ফর্ম ১৭সি-র প্রথম অংশ পূরণ করেন প্রিসাইডিং অফিসার। সেই অংশে থাকে— মোট কত জন ভোট দিয়েছেন, কত ভোট ইভিএমে রেকর্ড হয়েছে— গণনার সময় এটি ব্যবহার হয়। দ্বিতীয় অংশ পূরণ করেন গণনা পর্যবেক্ষক। এই অংশে থাকে নোটায় কত ভোট পড়েছে, প্রতিটি প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন। দ্বিতীয় অংশের ফলাফল প্রথম অংশের মোট ভোটের সঙ্গে মিলতেই হবে। যদি দুই হিসাব না মেলে তবে গণনায় বা অন্য কোনও গরমিল হয়েছে বলে ধরা হয়।

ফর্ম ২০ হল ভোট গণনার চূড়ান্ত ফলাফলের ‘শিট’। এখানে পুরো কেন্দ্রে প্রতিটি প্রার্থী মোট কত ভোট পেয়েছেন— সব একসঙ্গে লেখা থাকে। এখান থেকে জানা যায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের হিসাব, প্রতিটি প্রার্থীর মোট ভোট, নোটা ভোট এবং মোট ভোটের সংখ্যা। প্রতিটি গণনা টেবিল থেকে ফর্ম ১৭সি-র দ্বিতীয় অংশ নেওয়া হয়। সেখানকার তথ্য যোগ করে বানানো হয় ফর্ম ২০। প্রতিটি বুথের ফল লেখা হয় ফর্ম ২০-তে। সেই ফল ঘোষণা করা হয়। কাউন্টিং এজেন্ট বা প্রার্থী সেটা লিখে রাখতে পারেন।পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষার অধিকাংশেই এগিয়ে বিজেপি। কোনও কোনও সমীক্ষায় আবার তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে। তবে সর্বত্রই বিজেপি এবং তৃণমূলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘চাণক্য টুডে’ তাদের বুথ ফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করেছে। সেই সমীক্ষার ইঙ্গিত, এ বারে ভোটে বড় ব্যবধানে জয় পেতে পারে বিজেপি। ‘চাণক্য টুডে’র অনুমান, পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে কমবেশি ১৯২টি আসন পেতে চলেছে বিজেপি। আর তৃণমূলের ঝুলিতে যেতে পারে ১০০টি আসন। ২টি আসন পেতে পারে অন্যান্যরা। ভারতের নির্বাচনী ইতিহাস বলছে, অনেক ক্ষেত্রেই এই ধরনের বুথফেরত বা প্রাক নির্বাচনী জনমত সমীক্ষা মেলে না। তবে মিলে যাওয়ার কিছু উদাহরণও রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles