Thursday, April 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

শুদ্ধ জামাকাপড় প্রয়োজন নেই, স্নানও করতে হবে না!‌ প্রতি সকালে বাসি বিছানায় বসে তিন মন্ত্র পাঠেই বদলাবে জীবন!

দিনের শুরুটা ভাল করার জন্য মন্ত্রপাঠ করা উচিত। এতে মন শান্ত হয়, সারা দিনটা খুব ভাল ভাবে কাটানো যায়। এর ফলে নানা দিক থেকে আমরা উন্নতি লাভ করতে পারি। দিনের শুরুটা ভাল হলে বাকি দিনটাও ভাল কাটে। এ কথা যে সত্য তার বহু প্রমাণ রয়েছে। দিনের শুরুটা ভাল হলে সারা দিন মন সত্যিই ভাল থাকে। যে কোনও কাজ দৃঢ়তার সঙ্গে করা যায়। অন্য দিকে, ঘুম থেকে ওঠার পরই যদি অপ্রীতিকর কোনও পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়, তা হলে সারা দিন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। কোনও কাজে মনোনিবেশ করা যায় না। মাথায় সেটাই ঘুরতে থাকে। শাস্ত্র জানাচ্ছে, দিনের শুরুটা ভাল করার জন্য মন্ত্রপাঠ করা উচিত। এতে মন শান্ত হয়, সারা দিনটা খুব ভাল ভাবে কাটানো যায়। এর ফলে নানা দিক থেকে আমরা উন্নতিলাভ করতে পারি। শাস্ত্রমতে, সকালে ঘুম থেকে উঠে তিন মন্ত্রোচ্চারণে খুব ভাল ফলপ্রাপ্তি ঘটে। কোন মন্ত্রগুলি পাঠ করবেন, জেনে নিন।

হনুমানের মন্ত্র: ‘ওম হম হনুমতে নমো’— বজরংবলির এই মন্ত্রটি উচ্চারণে ভাগ্যের অমানিশা কেটে যায়। নিয়মিত এই মন্ত্রপাঠে মনোস্কামনা পূরণ হয়। প্রতি দিন সকালে উঠে হনুমানের এই মন্ত্র পাঠ করলে সারা দিন খুব ভাল ভাবে কাটানো যায়। এর ফলে সাহস এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। বাড়িতেও শান্তির পরিবেশ বজায় থাকে।

শিবের মন্ত্র: ‘ওম নমো শিবায়’— শিবের এই মন্ত্র প্রায় সকলেরই জানা রয়েছে। কিন্তু ছোট্ট এই মন্ত্রের কার্যকারিতা অনেকের কাছেই অজানা। শিবের এই মন্ত্র পাঠে জীবন থেকে সকল অশুভ শক্তি দূর করা সম্ভব। নিয়মিত এই মন্ত্র পাঠ করলে সফলতার পথে আর কোনও বাধার সম্মুখীন হতে হয় না। জীবন আনন্দে ভরে ওঠে। আর্থিক ক্ষেত্রেও উন্নতিলাভ করা যায়।

বিষ্ণুর মন্ত্র: ‘ওম নমো ভগবতে বাসুদেবায় নমো’— এটি বিষ্ণুর প্রধান মন্ত্র। নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এই মন্ত্র পাঠ করলে সারা দিন ভাল কাটবে। কোনও ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতারও উন্নত হবে। কর্মক্ষেত্র থেকে পারিবারিক, যে কোনও ঝামেলার কবল থেকে রেহাই মিলবে।

পুজোর কাজে কর্পূরের অবদান অসামান্য। কর্পূর ছাড়া হিন্দু ধর্মে কোনও পুজোর কথা ভাবাই যায় না। প্রদীপে দিয়ে জ্বালানো থেকে নৈবেদ্যর উপর ছড়ানো, সবেতেই কর্পূর ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া জীবন থেকে অশুভ শক্তি কাটাতেও সাহায্য করে কর্পূর। বহু মানুষই তাই সকাল-সন্ধ্যা বাড়িতে কর্পূর জ্বালান। তবে বিশেষ এক উপাদান দিয়ে তৈরি পাত্রে কর্পূর জ্বালানো নিষেধ। এর ফলে ভাল তো হয়ই না, উল্টে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ ছাড়া শুধু কর্পূর না জ্বালিয়ে তার সঙ্গে বিশেষ কিছু জিনিস মিশিয়ে কর্পূর জ্বালালে খুব ভাল ফলপ্রাপ্তি ঘটে বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। জেনে নিন, কোন পাত্রে কর্পূর জ্বালানো উচিত নয় এবং কর্পূরের সঙ্গে কী মিশিয়ে জ্বালানো উচিত। মাটির তৈরি পাত্র বা প্রদীপে কখনও কর্পূর জ্বালানো উচিত নয়। এর ফলে ভালর বদলে খারাপ হয়। বাড়িতে নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই কর্পূর জ্বালানোর ক্ষেত্রে মাটির পাত্র ব্যবহার করা যাবে না। কর্পূর জ্বালানোর জন্য উপযুক্ত কাঁসা ও পিতলের তৈরি প্রদীপ বা পাত্র। এ ছাড়া স্টিলের তৈরি জিনিসেও কর্পূর জ্বালানো যেতে পারে।

কর্পূরের সঙ্গে কোন জিনিসগুলি মিশিয়ে জ্বালালে তার কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়? শাস্ত্রমতে, প্রতি দিন পুজোর সময় ঘিয়ের সঙ্গে কর্পূর জ্বালানো গেলে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়। সৌভাগ্যের উদয় ঘটে। পারিবারিক অশান্তির কবল থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই সময় খেয়াল রাখতে হবে, কর্পূরটি যেন ঘিয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ রূপে নিমজ্জিত থাকে। লবঙ্গ ও কর্পূর একসঙ্গে মিশিয়ে পোড়ালে বাড়ি থেকে সমস্ত নেগেটিভ শক্তি দূর হয়ে যায়। কিন্তু লবঙ্গ ও কর্পূর জ্বালানোর পর সেটি বাড়ির এক জায়গায় রেখে দিলে হবে না। সেই ধোঁয়া বাড়ির সমস্ত অংশে ছড়িয়ে দিতে হবে। পর পর পাঁচ দিন এই উপায় পালন করলেই ফল বুঝতে পারবেন।
জুঁই তেল: জুঁই তেলের সঙ্গে কর্পূর পোড়ানোরও গুণ অনেক। এই প্রতিকারটি টানা ১১ দিন করলেই তফাত বুঝতে পারবেন। আর্থিক সঙ্কট মিটে যাবে। মন ভাল থাকবে। সংসার থেকে নেগেটিভ শক্তিও দূর হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles