Thursday, April 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিলি করতে হবে ভোটার স্লিপ!‌ ভোটারদের হাতে স্লিপ তুলে দেওয়ার দায়িত্বে বিএলও!‌ আড়াই কোটি আধার কার্ড বাতিল করল কেন্দ্র

গত ১৫-২০ বছর ধরে ভোটার স্লিপ বিলির কাজ করেননি অনেক বিএলও। কিন্তু নির্বাচনী প্রক্রিয়াবিধি অনুযায়ী, এটা তাঁদেরই কাজ। আসন্ন বিধানসভা ভোটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ দিতে হবে বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-দের। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়ালের দফতর সূত্রের খবর, গত ১৫-২০ বছর ধরে ওই কাজ করেননি অনেক বিএলও। কিন্তু নির্বাচনী প্রক্রিয়াবিধি অনুযায়ী, ভোটার স্লিপ বিলি করা তাঁদেরই কাজ। ফলে এ বার তাঁদের তা করতে হবে। এত দিন অনেক জায়গায় রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা ভোটার স্লিপ দিতে যেতেন বলে অভিযোগ। সিইও দফতর সূত্রের খবর, নির্বাচনী প্রক্রিয়াকতে আরও স্বচ্ছ এবং পক্ষপাতহীন করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। প্রসঙ্গত, ‘মাত্রাতিরিক্ত কাজের চাপে’র প্রতিবাদে রাজ্যের মুখ্য সিইও-র দফতরে গত নভেম্বর থেকে কয়েক দফায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিএলও-দের একাংশ। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-পর্বের বুথভিত্তিক কাজের সঙ্গে যুক্ত এই বুথস্তরের আধিকারিকদের উপর এ বার ভোটরা স্লিপ বিলির কাজ চাপানোর ফলে ফের অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। বিহারের পরে এখন পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্যে(৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল-সহ) এসআইআর-এর কাজ চলছে। ৫ লক্ষ ৩২ হাজারের বেশি বিএলও কাজ করছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিএলও-দের উপরে বাড়তি কাজের চাপ নেই বলে কমিশনের দাবি। প্রত্যেক বিএলও-র উপরে গড়পড়তা ২৫০টি পরিবার এবং ৯০০ থেকে ১,০০০ জন ভোটারের দায়িত্ব রয়েছে। এই ভোটারদের ফর্ম বিলি, তা জমা নিয়ে ফর্ম ‘ডিজিটাইজ়ড’ করার দায়িত্ব পালন করছেন তাঁরা। এ বার নতুন ভোটার তালিকা অনুযায়ী যাচাই করে ভোটারদের হাতে স্লিপ তুলে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হবে তাঁদের। প্রসঙ্গত, আগামী এপ্রিল-মে মাসে তামিলনাড়ু, কেরল, অসম, পুদুচেরির সঙ্গেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা।

২০১১ থেকে ২০২৫। এই ১৪ বছরে সম্মিলিতভাবে যত না আধার কার্ড বাতিল হয়েছে তার প্রায় দ্বিগুণ আধার বাতিল হয়েছে স্রেফ শেষ ৬ মাসে! বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করল এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। ইন্ডিয়া টুডে’র দাবি, UIDAI স্রেফ গত ৬ মাসে বাতিল করেছে আড়াই কোটি মানুষের আধার। তবে, উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। শুধু মৃত ব্যক্তিদের আধার কার্ডই নিষ্ক্রিয় বা বাতিল করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় বহু অস্তিত্বহীন ব্যক্তির আধার কার্ড! সেটার জন্য যতটা না দায়ী ভুয়ো আধার বা বেআইনি পরিচয়পত্র, তার চেয়ে অনেক বেশি দায়ী মৃত ব্যক্তিদের আধার নিষ্ক্রিয় না হওয়া। কাঠগড়ায় সেই কেন্দ্র সরকার। হিসাব বলছে, দেশের মৃত্যুহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিষ্ক্রিয় হচ্ছে না আধার। গত বছর এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের করা আরটিআইয়ের জবাবে UIDAI জানায়, ২০১১ সালের পর থেকে ১৪ বছরে মাত্র ১.১৫ কোটি আধার নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। দেশের মৃত্যুর হারের তুলনায় এই সংখ্যাটা অনেকটাই কম। রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই তড়িঘড়ি আসরে নামে UIDAI। তড়িঘড়ি শুরু হয় আধার নিষ্ক্রিয়করণের কাজ। মৃতের হারের সঙ্গে আধার নিস্ক্রিয়করণের হারের ভারসাম্য তৈরি করতে মরিয়া কেন্দ্র। সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্র জানিয়েছে, “গত ৬ মাসে আড়াই কোটি মৃত মানুষের আধার নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles