অধিনায়ক স্মৃতি ৫ রানে আউট। জিতল দল। টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় গুজরাত। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেলেও শুরুটা ভাল করতে পারেনি বেঙ্গালুরু। দ্রুত আউট হয়ে যান ওপেনার গ্রেস হ্যারিস ১৭ এবং অধিনায়ক স্মৃতি ৫। মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগে জয়ের হ্যাটট্রিক করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। গুজরাত জায়ান্টসকে ১৫০ রানে অলআউট করল স্মৃতি মন্ধানার দল। আগের ম্যাচে উপি ওয়ারিয়র্জ়ের বিরুদ্ধে ১০ উইকেটে না-জেতার আক্ষেপ এই ম্যাচে পুষিয়ে নিলেন স্মৃতিরা। রাধা যাদব এবং শ্রেয়াঙ্কা পাতিল জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেন। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেলেও শুরুটা ভাল করতে পারেনি বেঙ্গালুরু। দ্রুত আউট হয়ে যান ওপেনার গ্রেস হ্যারিস এবং অধিনায়ক স্মৃতি। ব্যর্থ হন দয়ালন হেমলতা ৪ এবং গৌতমী নায়েকও ৯। এর পর একটি গুরত্বপূর্ণ জুটি হয় রাধা যাদব এবং রিচা ঘোষের। বেঙ্গালুরুর হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন রাধা। পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে এসে তিনি ৪৭ বলে ৬৬ রান করেন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৬টি চার এবং ৩টি ছক্কা। রিচার ব্যাট থেকে ২৮ বলে ৪৪ রানে আসে। ৪টি চার এবং ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি। শেষের দিকে ১২ বলে দ্রুত ২৬ রান তুলে ১৮০ রানের দিকে দলকে নিয়ে যান নাদিন ডি ক্লার্ক। ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ১৮২ রান তোলে বেঙ্গালুরু। গুজরাতের সফলতম বোলার সোফি ডিভাইন ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন। ৪২ রানে ২ উইকেট কাশ্বী গৌতমের। ৪১ রানে ১ উইকেট রেণুকা সিংহ ঠাকুরের এবং ৩৫ রানে ১ উইকেট জর্জিয়া ওয়ারহামের। ১৮২ রানের জবাবে বেঙ্গালুরুর বোলারদের দাপটে ১৫০ রানে গুটিয়ে যায় গুজরাত। ৩২ রানে জেতেন স্মৃতিরা। বেঙ্গালুরুর সফলতম বোলার শ্রেয়াঙ্কা। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৫টি উইকেট। বিনিময় ২৩ রান দেন তিনি। গুজরাতের সর্বোচ্চ রান করেন ভারতী ফুলমালি ৩৯। এই নিয়ে পর পর দু’টি ম্যাচ হারল অ্যাশলে গার্ডনারের গুজরাত। পর পর তিনটি ম্যাচ জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। মেয়েদের আইপিএলে টানা তৃতীয় ম্যাচে জয়!
বিজয় হাজারে ট্রফির ফাইনালে সৌরাষ্ট্র, রবিবার সামনে বিদর্ভ। জয় হজারে ট্রফির ফাইনালে উঠে গেল সৌরাষ্ট্র। বেঙ্গালুরুতে তারা হারিয়ে দিল পাঞ্জাবকে। ৯ উইকেটে জিতেছে সৌরাষ্ট্র। একাই অপরাজিত ১৬৫ রান করে দলকে জিতিয়েছেন বিশ্বরাজ জাদেজা। পাঞ্জাবের বোলিংকে শাসন করেছেন। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পঞ্জাবের শুরুটা হয়েছিল ভালই। হরনুর সিংহ এবং অধিনায়ক প্রভসিমরন সিংহ ওপেনিং জুটিতে ৬০ রান যোগ করেন। দ্বিতীয় উইকেটে আরও বড় জুটি হয়। প্রভসিমরন এবং অনমোলপ্রীত সিংহ মিলে ১০৯ রান তোলেন। প্রভসিমরন বেশি আগ্রাসী ছিলেন। সৌরাষ্ট্রের বোলারদের বিরুদ্ধে লেগ সাইডে অনেকগুলি শট খেলেন। আচমকা আগ্রাসন কমিয়ে দেন তিনি। সেটাই পতন ডেকে আনে। চিরাগ জানির বলে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন প্রভসিমরন ৮৭। ৯টি চার এবং ৩টি ছয় মারেন। অনমোলপ্রীতকে অবশ্য টলানো যায়নি। ধীরেসুস্থে খেলে তিনি ১০৩ রান করেন। চিরাগকে দু’টি চার মেরে ৯৭-তে পৌঁছন। একটি দু’রান এবং একটি খুচরো রান নিয়ে শতরান পূরণ করেন। রমনদীপ সিংহ ৪২ ছাড়া কাউকে পাননি অনমোলপ্রীত। পরের দিকে একের পর এক উইকেট হারায় পঞ্জাব। শেষ পর্যন্ত তারা ২৯১ রানে অলআউট হয়ে যায়। ব্যাট করতে নেমে এক বারও সৌরাষ্ট্রকে দেখে মনে হয়নি তারা এই ম্যাচ জিততে পারবে না। শুরু থেকেই এতটাই সাবলীল ছিল তাদের ব্যাটিং। প্রথম উইকেটে ২৩ ওভারে উঠে যায় ১৭২ রান। হার্ভিক দেসাই ৬৪ এবং বিশ্বরাজ পাঞ্জাবের কোনও বোলারকে দাঁড়াতে দেননি। বিশ্বরাজ ২৯ বলে অর্ধশতরান এবং ৭৪ বলে শতরান পূরণ করেন। ১২০ রানের মাথায় তাঁর ক্যাচ পড়ে। প্রেরক মাঁকড়ের অপরাজিত ৫২ সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১২১ রানের জুটি গড়ে দলকে জিতিয়ে দেন।





