Saturday, April 25, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বিজয় হাজারে থেকে বিদায় বাংলার!‌ সামিদের ব্যর্থতায় বিফলে সুদীপের লড়াই

জুরেলের সেঞ্চুরি। টানা ৭ ম্যাচে জয় পেল উত্তরপ্রদেশ। নকআউটে যেতে গেলে উত্তরপ্রদেশকে বড় ব্যবধানে হারাতে হত বাংলাকে। তবে জয় তো দূরের কথা, ৫ উইকেটে হেরে বিজয় হাজারে ট্রফির পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা শেষ হল অভিমন্যু ঈশ্বরণের দলের। ধ্রুব জুরেলের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে বঙ্গ ব্রিগেডকে হারিয়ে প্রতিযোগিতায় টানা ৭ ম্যাচ জয় পেল উত্তরপ্রদেশ। প্রথমে ব্যাট করে বাংলা অল আউট হয়ে যায় ২৬৯ রানে। জবাবে ৪২.২ ওভারে জয়ের রান তুলে নেয় উত্তরপ্রদেশ। বিপক্ষ দলে রিঙ্কু সিং ছাড়াও ধ্রুব জুরেল, জিশান আনসারি, সমীর রিজভি, প্রশান্ত বীর, বিপরাজ নিগমের মতো ক্রিকেটাররা ছিলেন। এছাড়া কার্তিক ত্যাগি, আরিয়ান জুয়ালও ফর্মে ছিলেন। সেখানে বাংলা শেষ ম্যাচে হেরেছিল হায়দরাবাদের কাছে। একা শাহবাজ আহমেদ ব্যাটে-বলে টেনেছিলেন দলকে। মহম্মদ শামি, আকাশ দীপ ও মুকেশ কুমারের মতো তারকা পেসার দাগ কাটতে পারেননি। এ ম্যাচেও অবশ্য তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালোই করেন অধিনায়ক অভিমন্যু। প্রথম তিন ওভারে ওঠে ৩৩। যদিও করণ লাল (৫) উইকেটে থিতু হতে পারেননি। পরের ওভারে সাজঘরে ফেরেন ঝোড়ো শুরু করা অভিমন্যু। তাঁর সংগ্রহ ১১ বলে ২৮। অনুষ্টুপ মজুমদারও (১৩) এদিন ব্যর্থ। তবে উইকেটের একপ্রান্তে দুর্দান্ত লড়াই চালাতে থাকেন সুদীপ কুমার ঘরামি। যদিও অল্পের জন্য সেঞ্চুরি করার সুযোগ হারান। ব্যক্তিগত ৯৪ রানে তাঁকে ফেরান প্রশান্ত বীর। গত ম্যাচের ‘হিরো’ শাহবাজ আহমেদ ভালোই খেলছিলেন। তবে ৪৩-এর বেশি এগোল না তাঁর ইনিংস। শেষের দিকে আকাশ দীপ ১৬ বলে ৩৩ রান না করলে বাংলা হয়তো আড়াইশোও পেরত না। ৫০ ওভারের কোটা শেষ করার ২৯ বল আগেই বাংলা গুটিয়ে যায় ২৬৯ রানে। শক্তিশালী উত্তরপ্রদেশের কাছে ২৭০ রানের লক্ষ্য কার্যত সহজ। সেটাই প্রমাণ করে তারা। তবে শুরুতে অবশ্য ঝটকা দিয়েছিলেন আকাশ দীপ। তাঁর বলে ব্যক্তিগত ৪ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন অভিষেক গোস্বামী। এরপর উইকেটে জমে যান আরিয়ান জুয়াল এবং ধ্রুব জুরেল। তাঁদের জুটিতে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ ১৩২ রান। সেখানেই হয়তো দেওয়াল লিখনটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ৫৬ রানে আরিয়ান ফিরলেও জুরেল ছিলেন সপ্রতিভ। তিনি করেন ৯৬ বলে ১২৩ রান। শেষ পর্যন্ত ২৬ বলে ৩৭ অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের সরণিতে পৌঁছে দেন অধিনায়ক রিঙ্কু সিং। বাংলার হয়ে মহম্মদ শামি এদিন আহামরি ছিলেন না। ১টি উইকেট পেলেও ৭ ওভারে খরচ করেন ৫৩ রান। আকাশ দীপ, অঙ্কিত মিশ্র, রোহিত কুমাররা ভাগ করে নেন ১টি করে উইকেট।

উপেক্ষিত সরফরাজ খান ইতিহাস গড়লেন। বিজয় হাজারে ট্রফিতে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি করলেন তিনি। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষিত হয়েছে। সেই দলে জায়গা হয়নি সরফরাজের। মুম্বইয়ের ব্যাটার সরফরাজ ১৫ বলে পঞ্চাশ করেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে। তাঁর আগে বরোদার অতীত শেঠ ১৬ বলে পঞ্চাশ করেছিলেন। সেটাই ছিল বিজয় হাজারে ট্রফিতে দ্রুততম পঞ্চাশ। দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির পরেও মুম্বই কিন্তু ম্যাচ হেরে যায় এক রানে। ২১৬ রান তাড়া করছিল মুম্বই। অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ও মুশির খান যথাক্রমে ২৩ ও ২১ রানে ফিরে যান। সরফরাজ ব্যাট করতে নেমে মুম্বইকে ম্যাচে রাখেন। মায়াঙ্ক মারকাণ্ডে ফিরিয়ে দেন সরফরাজকে। মারকাণ্ডে ফেরান অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারকে। ৪৫ রানে ফেরেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে শ্রেয়স আইয়ার হয়তো প্রথম একাদশে থাকতে পারেন। পরে সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে ও হার্দিক তামোর যথাক্রমে ১৫,১২ ও ১৫ করেন। পাঞ্জাবের ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন রামনদীপ সিং (৭২)। আনমোলপ্রীত সিং ৭৫ বলে ৫৭ রামনের ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে পাঞ্জাব ২১৬ রান তোলে। সেই রান তাড়া করতে নেমে এক রানে ম্যাচ হেরে যায় মুম্বই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles