ব্রিগেডে গীতাপাঠের কর্মসূচি। মঞ্চের কাছে নিরাপত্তারক্ষীরা। প্রচুর ভিড়। বাগেশ্বর বাবার বক্তৃতার আগেই ভাষণ দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কর্মসূচিতে যোগ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, দলের প্রাক্তন দুই সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং দিলীপ ঘোষও। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির আরও দুই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায় এবং রাহুল সিংহ। রয়েছেন বিজেপির আরও অনেক নেতা। গীতাপাঠের জন্য তিনটি মঞ্চ তৈরি ছিল। মূল মঞ্চের দু’পারে অপেক্ষাকৃত ছোট দু’টি মঞ্চ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাধুসন্তরা। উপস্থিত স্বামী জ্ঞানানন্দ, স্বামী ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী এবং সাধ্বী ঋতম্ভরা। রাজ্যের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধিরাও মঞ্চে। কর্মসূচিতে যোগ মতুয়াদের একাংশের। মঞ্চে গীতাপাঠে সাধুসন্তরা। পিছনের এলইডি স্ক্রিনে গীতাপাঠ বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী।

গীতাপাঠের আগে বেদপাঠ এবং কীর্তনের অনুষ্ঠান। ১২টা নাগাদ গীতাপাঠ শুরু হয়। গীতার প্রথম, নবম এবং অষ্টাদশ অধ্যায় পাঠ। সভাস্থলে বহু মানুষ। আয়োজক ‘সনাতন সংস্কৃতি সংসদ’-এর দাবি, পাঁচ লক্ষ মানুষের গীতাপাঠ। বছর দুয়েক আগে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরেও ব্রিগেডে গীতাপাঠের আয়োজন করা হয়েছিল। সে বার ছিল এক লক্ষের লক্ষ্যমাত্রা। রবিতে একসঙ্গেই ব্রিগেডে ঢুকতে দেখা যায় সুকান্ত এবং দিলীপকে। বেশ কিছু ক্ষণ পরে পৌঁছোন শুভেন্দু। তবে সামনের সারিতে তাঁর জন্য নির্দিষ্ট আসনে না-বসে মাঠের পিছনের দিকে মাটিতে বসেছেন শুভেন্দু। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রথমে তাঁর জন্য নির্দিষ্ট আসনেই বসেছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু তিনি উপস্থিত হতেই ছবি তোলার হুড়োহুড়ি শুরু হয়। তার পরেই পিছন দিকে গিয়ে মাটিতে বসে পড়েন তিনি।




