Wednesday, July 22, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেমন দেখেছি’ দীপক ঘোষের লেখা বই! প্রকাশ, বিক্রি এবং এর কোনও অংশের প্রচারে স্থগিতাদেশ বারাসত আদালতের?

দীপক ঘোষ। একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ। মমতার ছায়াসঙ্গী বলে পরিচিত ছিলেন। এবং দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দীপক ঘোষর লেখা এই বইটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বলে দাবি। প্রকাশনার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। বইটির কিছু অংশ আগেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। বারাসত আদালতের এই স্থগিতাদেশ। আপাতত বইটির প্রচার এবং বিতরণ আর করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে লেখা দীপক ঘোষের বই ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেমন দেখেছি’র প্রকাশ, বিক্রি এবং এর কোনও অংশের প্রচারের উপর স্থগিতাদেশ জারি করল বারাসত আদালত। মামলাটি করেছিলেন বিধাননগর পুরনিগমের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ নাগ। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বারাসত সিভিল কোর্টের জুনিয়র ডিভিশনের ফার্স্ট কোর্ট বিচারক পৌলমী পণ্ডিত এই নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে। ফলে এই সময়ের মধ্যে বইটির প্রকাশ, বিক্রি, বিতরণ কিংবা বইয়ের কোনও উদ্ধৃতি বা অংশ কোনও সামাজিক মাধ্যমে বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা যাবে না। সামাজিক মাধ্যমে যে অংশবিশেষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেগুলির প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা জারি। প্রসেনজিৎ নাগের দাবি, বইটিতে কিছু বিতর্কিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য রয়েছে, যা মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ও ব্যক্তিগত জীবনের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। সেই কারণেই তিনি বইটির প্রকাশনা ও প্রচারে স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতে যান। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে বিষয়টি নিয়ে আগামী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত কোনওরকম প্রকাশনা বা প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

স্বাস্থ্যজনিত কারণ। আকস্মিকভাবেই উপরাষ্ট্রপতি পদে জগদীপ ধনকড়ের ইস্তফা। নেপথ‌্য কারণ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ‘স্বাস্থ্যের অবনতি’ নাকি ‘অন‌্য কিছু’ তা নিয়ে এখনই তৃণমূল কংগ্রেস বিষয়টিতে তীক্ষ্ম নজর রাখছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমি এখনই এই বিষয়ে কিছু বলব না। আমাদের সংসদীয় দল আছে, ওরা বলবে। তবে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের স্বাস্থ‌্য ঠিকই আছে বলে আমার মনে হয়। বাকি বিষয় নিয়ে আমি কোনও মন্তব‌্য করব না।’’ উপরাষ্ট্রপতি পদে জগদীপ ধনখড়ের আকস্মিক পদত্যাগে দেশের রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের তালিকায় উঠে আসছে একাধিক নাম। ভারতীয় সংবিধান অনুসারে, যদি উপরাষ্ট্রপতি তাঁর পদ থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে তাঁর পদ পূরণের জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একজন নতুন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।নির্বাচন শূন্য হওয়ার তারিখ থেকে ছয় মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। এই নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত, উপরাষ্ট্রপতির দায়িত্ব, বিশেষ করে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান অথবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অনুমোদিত রাজ্যসভার অন্য কোনও সদস্য দ্বারা পালন করা হয়। ধনখড়ের মতোই কোনও বর্তমান রাজ্যপাল, অথবা সংগঠনের অভিজ্ঞ নেতা বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কাউকে উপরাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হবে। বিজেপির হাতে বিকল্পের অভাব নেই।

নীতীশ কুমার
জল্পনায় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নাম। চলতি বছরের শেষেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। তাই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে তাঁকে সরাসরি উপরাষ্ট্রপতি পদে এনে, বিহারে বিজেপির মুখ বসাতে তৎপর গেরুয়া শিবির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ান এনডিএ ছাড়ার জল্পনায় শিলমোহর দিয়েছেন। নীতীশের নাম উঠলেও তিনি উপরাষ্ট্রপতির পদ নিতে রাজি হবেন কিনা বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন।বিহার থেকে সরে দাঁড়ালে রাজ্যের রাজনীতিতে তাঁর ছেলে নিশান্ত কুমারের জমি শক্ত করার লড়াই কঠিন হয়ে যাবে।

ভি কে সাক্সেনা
উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে উঠে আসছে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয়কুমার সাক্সেনার নামও। ভি কে সাক্সেনা দিল্লির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তৎকালীন আপ সরকারের একাধিক পদক্ষেপে বাধা দিয়েছিলেন। নিয়োগ থেকে শুরু করে দিল্লি জল বোর্ড, সাক্সেনা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ান। এই লড়াই দিল্লির নির্বাচনে কেজরিওয়ালের পরাজয়ের অন্যতম কারণ।

মনোজ সিনহা
ধনখড়ের জায়গায় পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি কে?‌ সম্ভাব্য নাম জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। উত্তরপ্রদেশের বিষয়টি বিবেচনা করে মনোজ সিনহাকে বিজেপি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিতে পারে। প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রী এবং উত্তরপ্রদেশের প্রবীণ বিজেপি নেতা সিনহার ৩৭০ ধারা বাতিলের পর উপত্যকায় স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অবদান রয়েছে। তবে জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার দায় কিছুটা হলে তাঁর উপরেই গিয়েছে।

২৮ জুলাই বোলপুরে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। সেখানেই উপস্থিত থাকবেন জননেত্রী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোলপুর থেকে ‘ভাষা আন্দোলন’ শুরুর মমতার। বাংলা ভাষা ও বাঙালিদের উপর বিজেপিবিদ্বেষ। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর আক্রমণ নেমে আসছে বলে অভিযোগ। বাঙালি অস্মিতা রক্ষার জন্য মুখ্যমন্ত্রী আরও একবার পথে নামছেন। চলতি মাসের শেষেই বীরভূম সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৮ জুলাই বোলপুরে প্রতিবাদ পদযাত্রায় মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। জননেত্রী বলেন, “বাংলা ভাষার উপর চলছে বিশাল সন্ত্রাস। কে কোন ভাষায় কথা বলবে, কে কী খাবে, তা নিয়েও বলে দেবে ওরা! জেনে রাখবেন, এখানে সবার অধিকার রক্ষিত হবে।” মাতৃভাষা রক্ষায় দলের জনপ্রতিনিধিদের নির্দিষ্ট কর্মসূচিও বেঁধে দিলেন। এবার বোলপুর থেকে ‘ভাষা আন্দোলন’ শুরু করছেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles