Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

এসিএল ২-এ স্বপ্ন প্রায় শেষ ইস্টবেঙ্গলের!‌ গোলনষ্টের ‘শাস্তি’, ঘরের মাঠে আল সিবের কাছে হার লাল হলুদের

ইস্টবেঙ্গল: ০
আল সিব: ২ (অ্যালেক্স, জাহির)

RK NEWZ এসিএল ২-র আশা কার্যত শেষ ইস্টবেঙ্গলের! হাতে পেনসিল নিয়ে অনেক অঙ্ক করাই যায়। সেসব করে লাল-হলুদ সমর্থকরা নিজেদের সান্ত্বনা দিতেই পারেন। বাস্তবটা তাঁরাও জানেন, এসিএল ২-এর স্বপ্ন শেষ। কারণটাও জানেন। কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের ‘ভুল’ দল নির্বাচন আর গোলনষ্টের এক সুনিপুণ অভ্যাস। ফলাফল- ঘরের মাঠে ০-২ গোলে হার। গোটা ম্যাচে আধিপত্য রেখেও শেষ ৫-৭ মিনিটে গোল হজম। ও! গোদের উপর বিষফোঁড়াও আছে। আনোয়ার আলির চোট। সেটা কতটা ভোগাবে সেটা তো আইএসএলে এলেই বোঝা যাবে।যুবভারতীতে আল সিবের বিরুদ্ধে হাবাস যে দলটা নামালেন, তাতে কোনও চমক ছিল না। দুই বিদেশি স্ট্রাইকার বাইরে। আক্রমণে ডেভিড ও এডমুন্ড। ফল যা হওয়ার, তাই হয়েছে। গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছে, গোলের কাছে পৌঁছেছে। শুধু একটা জিনিস করতেই যত সমস্যা। সেটা হল গোল। অবশ্য শুধু ভারতীয়দের দোষ দিয়েই বা কী হবে? ম্যাচের ২০ মিনিটে মহম্মদ রশিদ যে গোলটা মিস করলেন, তা ক্ষমার অযোগ্য। বিপিনের ক্রস যখন রশিদের মাথায় আসছে, তখন গোলের নিচে গোলকিপার নেই। এক ডিফেন্ডার দাঁড়িয়ে। রশিদ হেড করলেন সাইডবারের একহাত বাইরে। ৩২ মিনিটে দানি রামিরেজের শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কোনও মতে বাঁচান ওমানের ক্লাবের গোলকিপার। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ফের সুযোগ মিস করেন ডেভিড। এডমুন্ডের হেডও অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দানির ট্রিভেলা শট বাঁচিয়ে দেন আল সিবের গোলকিপার। ৬০ মিনিট নাগাদ একে লোবাকে নামান হাবাস। কিছুক্ষণ পর লুকাস জিলিনস্কিকে নামান। খেলায় গতি আসে, শুধু ওই একটা জিনিসই আসেনি- গোল। বক্সের আশপাশে নিছক ঘোরাঘুরি, উদভ্রান্তের মত কয়েকটা ক্রস। ব্যস এই। গোটা মাঠজুড়ে অকারণ পরিশ্রম করে যখন গোটা দল ক্লান্ত, সেই সময় পালটা দিল আল সিব। ৭৫ মিনিটে পূর্বা লাচেনপা এক হাত ছুঁড়ে গোললাইন সেভ করেন। নাহলে ওখানেই ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে যেত। তারপর ভাগ্য লেখার জন্য ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হল।
৮৫ মিনিটে সেই মেয়েই জোরাল শটে আল সিবকে এগিয়ে দেন। বক্সের মধ্যে অনেকক্ষণ ঘুরঘুর করছিলেন। মান্ডিকে যেভাবে একটা সাইড টার্নে পিছনে ফেলে দিলেন, তা লোবারা শিখে নিতে পারেন। দ্বিতীয় গোল এল ৯১ মিনিটে। কাউন্টার অ্যাটাকে জাহির আল আঘবারি জালে বল জড়িয়ে দেন। ইস্টবেঙ্গল আসল ধাক্কাটা তার আগেই খেয়ে যায়। ১৮ মিনিটে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান আনোয়ার আলি। সম্ভবত হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট। কতটা গুরুতর এখনই বলা সম্ভব নয়। হাবাস সবাইকে রোটেট করে খেলিয়েছেন, শুধু আনোয়ার ছাড়া। ভারতীয় ডিফেন্ডারের চোটের উপর কিন্তু লাল-হলুদের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভরশীল। বিকল্প হিসেবে সন্দীপ মান্ডি, লালচুংনুঙ্গারা খেলার চেয়ে মারামারিতে বেশি মনোযোগী। এসিএল ২-এ ৪ ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট ২। গ্রুপে সবার শেষে। বাকি দুই ম্যাচ জিতলেও সর্বোচ্চ পয়েন্ট হবে ৮। খাতায়-কলমে আশা বেঁচে। গ্রুপে দ্বিতীয় হয়েও পরের রাউন্ডে যাওয়া যায়। তবে এই ফুটবলের পর স্বপ্ন না দেখাই ভালো। বরং আইএসএলই পরবর্তী মনোযোগ হাবাসের। সেখানেও অযথা পরীক্ষানিরীক্ষা করবেন না তো?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles