RK NEWZ চাপে বাংলা! দ্বিতীয় দিনেও খারাপ আলোর জন্য তাড়াতাড়ি ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। রনজিতে মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চাপে বাংলা। ইডেনে মাত্র ১৪৩ রানে অলআউট হওয়ার পর প্রত্যাশা ছিল বোলাররা কামব্যাক করাবেন। সেই কাজ শুরুও করে দিয়েছিলেন মহম্মদ শামি। কিন্তু ব্যাস, ওই টুকুই। দিব্যি বড় লিডের দিকে এগোচ্ছে মহারাষ্ট্র। দ্বিতীয় দিনেও খারাপ আলোর জন্য তাড়াতাড়ি ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। এখন প্রতিপক্ষকে অলআউট করতে পারেনি লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। ফলে টানা চার জয় পেতে দুরন্ত কামব্যাক করতে হবে বাংলাকে। টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় মহারাষ্ট্র। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর আর সামলে উঠতে পারেনি বাংলা। কোনও মতে ১৪৩ রান তুলে গুটিয়ে যান অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। আশা ছিল, বাংলার শক্তিশালী বোলিং প্রত্যাঘাত করবে। প্রথম দিনের শেষে দু’উইকেট তুলে নেন শামি। দ্বিতীয় দিনের শুরুটা খারাপ হয়নি। যোগ্য সঙ্গ দেন শাহবাজ আহমেদও। স্পিন জাদুতে তিন উইকেট তুলে নেন। মহম্মদ কাইফ ও সুরজ সিন্ধু জয়সওয়ালের শিকার একটি করে। লাঞ্চের পর রীতিমতো আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন তনয় সাঙ্ঘাভি ও রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকার। দু’জনের জুটিতে উঠে যায় ৪২ রান। দ্বিতীয় দিনের শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে মহারাষ্ট্রের রান ৯ উইকেট হারিয়ে ২০৪। লিড রয়েছে ৬১ রানের। খুব বড় নয়, তবে বাংলার ‘ভঙ্গুর’ ব্যাটিংয়ের জন্য এটাই বড় লিড। এখনও টিকে তনয় (৫৭)। শেষ উইকেটে প্রায় ৫০ রানের পার্টনারশিপ হয়েছে। এই জুটি ভাঙতেই কালঘাম ছুটেছে বাংলার বোলিংয়ের। দুপুর ৩টে ১০ নাগাদ চা রিরতি হয়। তারপর আর খারাপ আলোর জন্য দিনের ম্যাচ শুরু হয়নি। তৃতীয় দিন সকালে লক্ষ্য থাকবে দ্রুত পৃথ্বী শ’র দলকে অলআউট করে দেওয়ার। কিন্তু বাংলার ব্যাটিংয়ের যা অবস্থা, তাতে দ্রুত বড় রান তুলতে পারবে তো? ইডেনের পিচে জুজু নেই। অথচ নিয়মিত উইকেট হারানো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।





