RK NEWZ মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীকে আদালতে তুলবে ইডি। সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর দফতরে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা জেরার পরে রাতে কেন্দ্রীয় সংস্থাটির তরফে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসুকে গ্রেফতার করার কথা জানানো হল। ১ মে ইডির দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। তবে ৪ মে, ভোটের ফলঘোষণার পরে এই প্রথম বার ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর আইনজীবী। ইডি সূত্রে খবর, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার ঘটনায় তাঁকে তলব করা হয়েছিল। ইডি সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওই তালিকায় কম বেশি ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে। এবং দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে মনে করছে ইডি। সেই জন্য একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই মামলাতে সোমবার রাত সওয়া ৯টা নাগাদ গ্রেফতার করা হল বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রের সদ্য-পরাজিত বিধায়ককে। রাতে ইডি দফতরের বাইরে বেরিয়ে সুজিতের আইনজীবী জানান তৃণমূল নেতার পুত্র সমুদ্র বসু এখনও ইডি দফতরেই রয়েছেন। বিধানসভা ভোটের আগে একাধিক বার ইডি তলব করেছিল বিধাননগর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজিতকে। কিন্তু ভোটের কাজে ব্যস্ততার জন্য তিনি হাজিরা দিতে পারেননি। আদালতেও তা জানিয়েছিলেন। পরে হাই কোর্টের নির্দেশ মতো সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে গিয়ে হাজিরা দেন সুজিত। এর আগে সুজিতের বাড়ি এবং অফিসে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের যে ধাবাটি রয়েছে, সেখানেও ইডির অভিযান চলে। সুজিতের পুত্র সমুদ্র এবং পরিবারের অন্য সদস্যদেরও ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তাঁদের বয়ানও সংগ্রহ করা হয়েছিল। বার বার তলবের মুখে সুজিত দাবি করেছিলেন, যে মামলায় তাঁকে তলব করা হচ্ছে, ওই মামলায় ইতিমধ্যে চার্জশিট জমা দিয়েছে আর এক কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। কিন্তু সেই চার্জশিটে তাঁর নাম নেই বলে দাবি করেছিলেন সুজিত। কিন্তু শেষপর্যন্ত ইডির ‘জাল’ এড়াতে পারলেন না তিনি। ইডির একটি সূত্রের খবর, সোমবার রাতেই শারীরিক পরীক্ষা হবে সুজিতের। তার পরে রাখা হবে হেফাজতে। মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীকে আদালতে তুলবে ইডি।





