Monday, June 15, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

১ বৈশাখ নয়, এবার ২০ জুন সরকারিভাবে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’! সরকারিভাবে প্রথমবার অনুষ্ঠানে ২১ জুন ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’-এ প্রধানমন্ত্রী

RK NEWZ উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশভাগের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে আগামী ২০ জুন রাজ্যজুড়ে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার। সরকারিভাবে এবারই প্রথমবার এই দিনটি বড় আকারে উদযাপিত হতে চলেছে। তারকেশ্বরে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর পরের দিন অর্থাৎ ২১ জুন ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’-এর অনুষ্ঠানেও তিনি এই বাংলা থেকেই শামিল হবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতর এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে এই দিবসটি পালনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে রাজ্যের লোকভবনে (সাবেক রাজভবন) এই দিনটি পালন করা শুরু হয়েছিল। তবে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০ জুন দিনটি পালনের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। এর পরিবর্তে তাঁর সরকার ১ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল) দিনটিকে ‘বাংলা দিবস’ হিসেবে পালন করা শুরু করে। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বড়সড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০ জুন দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার অনুমোদন দেওয়া হয়। রাজ্যের মুখ্যসচিবের জারি করা সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই উৎসব সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিটি জেলায় জেলাশাসককে চেয়ারপার্সন করে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের জেলা স্কুল পরিদর্শকেরা। এ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট এলাকার বিধায়ক ও সাংসদেরাও এই কমিটির অংশ হবেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী এবং আলোচনাসভার মধ্য দিয়ে রাজ্যের গৌরবময় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও পরম্পরাকে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি, বাংলা ভাগের ইতিহাস সম্পর্কে জনমানসে সচেতনতা তৈরি করাও এই আয়োজনের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বিষয়ের প্রচার বাড়াতে পাঠাগার, সংগ্রহশালা বা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের কর্মসূচিও রাখা হতে পারে। অন্যদিকে, রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়েও এই বিশেষ কর্মসূচি বাধ্যতামূলকভাবে পালন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘২০ জুন প্রধানমন্ত্রী বাংলায় আসছেন। যেহেতু তারকেশ্বরের ঐতিহাসিক সম্মেলন থেকেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রথমবার বাংলা ভাগ নিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন, তাই এই পবিত্র স্থানটিকে বেছে নিয়ে সেখানেই মূল অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হবে।’ তিনি আরও জানান, এই মঞ্চ থেকে অত্যন্ত সুচারুভাবে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মাহাত্ম্য আলোচনা করা হবে। কীভাবে পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হলো এবং হিন্দু-বাঙালির শেষ হোমল্যান্ড হিসেবে ১৯৪৭ সালে কীভাবে এই রাজ্যের জন্ম হয়েছিল— সেই সমস্ত অজানা ইতিহাস এই আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।

আর পাম্প থেকে সবাই কিনতে পারবে না পেট্রল-ডিজেল! সংকট কাটাতে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের। আর পেট্রল পাম্প থেকে সবাইকে পেট্রল-ডিজেল দেওয়া হবে না। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। শিল্প ক্ষেত্রে, ব্যবসার ক্ষেত্রে এবং বড় কোনও সংস্থার ব্যবহারের জন্য পেট্রল বা ডিজেল আর পেট্রল পাম্প থেকে কেনা যাবে না। পেট্রল পাম্প থেকে শুধুমাত্র সাধারণ গ্রাহকরাই জ্বালানি তেল কিনতে পারবেন। বৃহস্পতিবার এক নির্দেশিকায় জানিয়েছে মোদি সরকার। সাধারণ পেট্রল পাম্পগুলি মূলত খুচরো ক্রেতাদের জন্য। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় খুচরো গ্রাহকদের ছাড়িয়ে অনেক ব্যবসায়ী, কল-কারখানার ব্যবহারের জন্য বা বড় কোনও সংস্থার ব্যবহারের জন্য পেট্রল পাম্প থেকেই তেল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যাটা মূলত হয় ডিজেলের ক্ষেত্রে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এভাবে আর পম্প থেকে তেল কিনতে পারবে না ওই ব্যবসায়ীরা। তাদের তেল কিনতে হবে সরাসরি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পাইকারি তেল বিক্রয় কেন্দ্র থেকে। প্রথমত বিশ্বজুড়ে তেল সংকট। যার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া। এই পরিস্থিতিতে প্রতিনিয়ত মোটা লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। এখন এই বড় ব্যবসায়ীক সংস্থাগুলি যদি সরাসরি তেল সংস্থাগুলির কাছে থেকে তেল কেনে তাহলে তাঁদের লোকসানের পরিমাণ খানিকটা কমবে। কারণ এই সংস্থাগুলি সরাসরি তেল কিনলে কোনও ভরতুকি পায় না। সাধারণ পেট্রল পাম্পে যে ডিজেল এখন ৯৫ টাকা ২০ পয়সা লিটার বিক্রি হচ্ছে, সেটাই সরাসরি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার থেকে কিনতে হলে বড় ব্যবসায়ীদের গুণতে হবে লিটারপ্রতি ১৩৪ টাকা ৫০ পয়সা। ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির লোকসান অনেকটাই কমবে। দেশে জ্বালানি সংকট যে বড়সড় সমস্যা, সেটা প্রকাশ্যে না মানলেও একের পর এক পদক্ষেপে বুঝিয়ে দিচ্ছে কেন্দ্র। গত মাসে ৩ বার পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে কেন্দ্র। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অঘোষিতভাবে পেট্রল বিক্রিতে নিয়ন্ত্রণও চাপানো হয়েছে। এবার ব্যবসায়ীক কেনাবেচাতেও নিয়ন্ত্রণ চাপাচ্ছে মোদি সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles