Saturday, June 13, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

আম খেয়ে আঁটিও ব্যবহার করা যেতে পারে রান্নায়! রোদে শুকিয়ে গুঁড়িয়ে নিলেই তৈরি হবে ‘ম্যাঙ্গো সিডস পাউডার’

RK NEWZ গ্রীষ্মের বাজারে পাকা আম উঠতে শুরু করেছে সবে। পুরোদমে আম খাওয়া শুরু করার আগে জেনে নিন আঁটির নানা ব্যবহার। কাঁঠালের বীজ ব্যবহার করা হয় বাঙালির শাকের চচ্চড়িতে। তরমুজের বীজ চারমগজও রান্নায় দেওয়া হয় ঝোল ঘন করার জন্য। আমের বীজ অর্থাৎ আঁটির একই রকম ব্যবহার রান্নায় আমের আঁটি ব্যবহার। শাঁসালো মিষ্টি আম খাওয়ার পরে আঁটিটুকু ফেলেই দেওয়া হয়। তবে সেই বাতিল আঁটিকেও নানা ভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে রান্নায়। গ্রীষ্মের বাজারে পাকা আম উঠতে শুরু করেছে সবে। পুরোদমে আম খাওয়া শুরু করার আগে জেনে নিন আঁটির নানা ব্যবহার।

১। কাজুবাটার বিকল্প। আঁটির শক্ত বাইরের আবরণের ভিতরে থাকে কিছুটা নরম বাদামের মতো দানা। তাকে রোদে শুকিয়ে গুঁড়িয়ে নিলেই তৈরি হবে ‘ম্যাঙ্গো সিডস পাউডার’। ওই পাউডার যে কোনও রেসিপিতে ঝোল ঘন করতে এবং গ্রেভির স্বাদবৃদ্ধি করতে কাজে লাগে। বিশেষ করে নানা মশলা দিয়ে তৈরি রান্নায় বিভিন্ন মশলার ধারালো ভাবকে একটা তারে বাঁধতেও ওই পাউডার কাজে লাগে। যে স্বাদ কাজুবাটা বা বাদামবাটা দিলে আসে, সেই একই স্বাদ মিলবে ফেলে দেওয়া আঁটির দানার পাউডারে। অল্প পরিমাণে দিলেই কাজ হয়।

২। গ্লুটেন মুক্ত রুটি-পরোটা। আটা বা ময়দার রুটি-পরোটায় গ্লুটেনের পরিমাণ কমাতেও কাজে লাগতে পারে আমের বীজের গুঁড়ো। তাতে রুটি বা পরোটা শুধু গ্লুটেন মুক্ত হবে না, তার পাশাপাশি পুষ্টিগুণও বাড়বে। আমের বীজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি১২ থাকে। আর থাকে ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম এবং আয়রন। এর পাশাপাশি প্রোটিন এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের মাত্রাও বাড়বে। তবে আমের বীজের গুঁড়ো বেশি দিলে রুটি শক্ত হয়ে যেতে পারে। পুর ভরা পরোটার ক্ষেত্রে এই মিশ্রণ কাজ করবে বেশি।

৩। আচার বানানো। কাঁচা আমের নরম আঁটি দিয়ে বা পাকা আমের আঁটির ভিতরের নরম দানা দিয়ে অনেকে আচারও বানান। সর্ষের তেল, রসুন, লঙ্কা ইত্যাদি সহযোগে সেই আচার মুখরোচক হয় খেতে।

৪। মুখরোচক জলখাবার। এ দেশের কিছু অঞ্চলে আমের আঁটির ভিতরে থাকা বীজ মুখরোচক মুখ চালানোর খাবার হিসাবেও খাওয়া হয়। অনেকেই বাদাম ভাজার মতো করে ওই বীজ অল্প নুন আর সামান্য লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে ভেজে খান। তাতে বাইরের অংশটি মুচমুচে হয়, ভিতরের অংশ থাকে নরম।

৫। মিষ্টিতে ব্যবহার। আঁটির ভিতরে থাকা বীজ জলে ভিজিয়ে মসৃণ ভাবে বেটে, তা দিয়ে ক্ষীর বা পায়েস বা হালুয়ার মতো মিষ্টিও বানানো যায়। মিষ্টত্ব আনতে ব্যবহার করা যেতে পারে আমের শাঁসই। দুধের থেকেও বেশি ঘন আর ক্রিমের মতো খেতে হয় ওই ধরনের মিষ্টি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles