Saturday, May 2, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

মাত্রাতিরিক্ত ট্রাইগ্লিসারাইড মানেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি! নিয়ম করে রোজ ফল ৫টি ফল খেতে পারলেই বিপন্মুক্তি

RK NEWZ ফাইবারের গুণে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমতে পারে। ফাইবার ক্ষুদ্রান্ত্রে চর্বি এবং চিনির শোষণের গতিকে ধীর করে দেয়। ফলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হয়। তাই ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইড হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অতিরিক্ত কোনও কিছুই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়— এই সূত্র ট্রাইগ্লিসারাইডের জন্যও কার্যকর। উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মাত্রার মতো এটিও হার্টের রোগের কারণ হতে পারে। ট্রাইগ্লিসারাইড রক্তে ভেসে থাকা এমন এক ধরনের চর্বি বা লিপিড, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়, কিন্তু মাত্রা বেড়ে গেলেই ঝুঁকি! এটি শরীরের প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। খাবারের অতিরিক্ত ক্যালোরি (বিশেষ করে কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটজাতীয় খাবার) থাকলে, সেটি লিভারে গিয়ে ট্রাইগ্লিসারাইড হিসেবে কোষগুলিতে জমা হয়। সেটিই ধীরে ধীরে শরীরে শক্তির জোগান দেয়। কিন্তু মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদ্‌রোগ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ফাইবারের গুণে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমতে পারে। ফাইবার ক্ষুদ্রান্ত্রে চর্বি এবং চিনির শোষণের গতিকে ধীর করে দেয়। ফলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হয়। তাই ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইড হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলমূলে দ্রবণীয় ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং পুষ্টি উপাদান থাকে, যা ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এবং ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। তবে রাতারাতি নয়, নিয়ম করে রোজ ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি কমে।

এই ফল খেলে উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডের সমস্যা থেকে মুক্তি?

১. আপেল: ফাইবারে ভরপুর এক ফল। বিশেষ করে খোসায় থাকা পেকটিনের গুণে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমতে পারে। রোজ নিয়ম করে আপেল খেলে হজমের গতি শ্লথ হতে পারে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে, শরীরে শক্তির জোগান দিতে পারে ধীরে‌ ধীরে। ফলে হার্টের স্বাস্থ্যরক্ষায় আপেলের জুড়ি মেলা ভার।

২. অ্যাভোকাডো: ফাইবার এবং মনো‌স্যাচুরেটে ফ্যাটের দুর্দান্ত মেলবন্ধন দেখতে পাওয়া যায় এই ফলে। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি লিপিডের মাত্রার খেয়াল রাখার জন্য অ্যাভোকাডোর গুরুত্ব অপরিসীম। তাই নিয়মিত এই ফলটি খাওয়া দরকার।

৩. কমলালেবু: শীতের এই ফল সারা বছরই অল্প অল্প করে পাওয়া যায় বাজারে বা অনলাইনে। ভিটামিন সি এবং ফাইবারে ভরপুর কমলালেবু শরীরে চিনির শোষণের গতি কমিয়ে দিতে পারে। ফলে ট্রাইগ্লিসারাইড কমানোর জন্য কমলালেবু খাওয়া যেতে পারে।

৪. কিউয়ি: ভিটামিন ও ফাইবারে ভরপুর এই ফল রক্তের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এর ডায়েটারি ফাইবার চিনি ও চর্বি শোষণের গতি শ্লথ করতে পারে বলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও কমতে পারে।

৫. বেদানা: বেদানা ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। উচ্চ পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকার কারণে রক্তে চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

শরীর ও মনে ঠিক থাকাই লক্ষ্য। বয়স যতই হোক না কেন, ভাবনার গতিপ্রকৃতি এখন সে দিকেই যাচ্ছে। অভিনেতা হোন বা সাধারণ মানুষ, এই ধারাতেই গা ভাসিয়েছেন। জিমে গিয়ে রেজ়িস্ট্যান্স ট্রেনিং ও কঠিন ট্রাইসেপ ডিপ। ফিটনেস ও সুশৃঙ্খল যাপন পদ্ধতি নিয়েও। নিরামিষ আহার করেন। নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। আর এখন তো পেশির শক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম ট্রাইসেপ ডিপও করছেন। অভিনয়ে ফিরেছেন নানা। সে জন্য শরীর ঠিক রাখতেই হবে। জানিয়েছেন, এক বারে ১৫টি ট্রাইসেপ ডিপ করতে পারেন তিনি। তবে এই বয়সে এমন ব্যায়াম করা কি নিরাপদ? শরীরের ঊর্ধ্বাংশের পেশির জোর বৃদ্ধি করার ব্যায়াম ট্রাইসেপ ডিপ। মূলত হাতের পেশি শক্তিশালী করতে ব্যায়ামটি করা হয়। ট্রাইসেপ ডিপ নানা ভাবে করা যায়। নানা যে ভাবে করছেন, তাতে একটি যন্ত্রের দুই হাতল ধরে হাতের উপর ভর দিয়েই শরীর উপরে তুলছেন ও নামাচ্ছেন। সবটাই হাতের উপর ভর দিয়ে করতে হবে। এতে শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকবে ও হাতের ব্যায়ামও হবে। হাতের পেশি শক্তপোক্ত হবে। আরও এক ভাবে করা যায় ট্রাইসেপ ডিপ। এতে যন্ত্রপাতি লাগে না। ব্যায়ামটি করতে একটি মজবুত চেয়ার বা বেঞ্চের সামনে দাঁড়াতে হবে। উল্টো দিকে ফিরে দুই হাত বেঞ্চের প্রান্তে রাখতে হবে। দুই পা বাড়িয়ে দিতে হবে সামনের দিকে। শরীরের ওজন হাতের উপরে থাকবে। এ বার কনুই ভাঁজ করে ধীরে ধীরে শরীর নীচের দিকে নামাতে হবে ও হাতে জোর দিয়ে আবার ঠেলে উপরে তুলতে হবে। বয়স্কেরাও ব্যায়ামটি করতে পারেন, তবে নিয়ম মানতে হবে। যাঁদের কাঁধে বা কব্জিতে চোট রয়েছে, তাঁরা এমন ব্যায়াম করতে পারবেন না। বয়স্কেরা দেওয়ালে ভর দিয়েও ব্যায়ামটি করতে পারেন, তা হলে শরীরের উপর চাপ কম পড়বে। হার্টের রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এমন ব্যায়াম করা যাবে না। ট্রাইসেপ ডিপ ঠিকমতো করতে পারলে বাতের ব্যথাবেদনা হবে না, হাত ও পা বয়সকালেও সচল থাকবে। হাঁটতে-চলতে গিয়ে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে।‌‌

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles