এই ঋণ শুধু বিগত ৩৪ বছরের ঋণ নয়। দেশ স্বাধীনের পর থেকে বাম আমল পর্যন্ত মেলানো হিসাব। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বলেন, ” এটা কিউমিলেটিভ এফেক্ট (আগের এবং বর্তমান মিলিয়ে এই ঋণ) হয়। দেশ স্বাধীনের পর এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ডঃ প্রফুল্ল ঘোষ। নির্বাচনের আগে আসেন বিধানচন্দ্র রায়। তারপর প্রফুল্ল চন্দ্র সেন। ‘বামেরা লক্ষাধিক টাকা ঋণ চাপিয়ে চলে গিয়েছে।’ সিপিএম-কে আক্রমণ করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হামেশাই এই অভিযোগ করতে শোনা যায়। বিভিন্ন জনসভা হোক বা প্রশাসনিক সভা, বহুবার এই অভিযোগ করেছেন তিনি। এবার সাংবাদিক বৈঠক করে তা খণ্ডালেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। শুধু খণ্ডালেন বলা ভুল,আবার হিসাব করেও বুঝিয়ে দিলেন বাম চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “একটা কথা বারবার শাসকদলের বক্তারা বলেন, আমরা কী করে রাজ্যের উন্নয়ন করব। আমাদের ঘাড়ের উপর ১ লক্ষ ৯২ হাজার কোটি টাকা ঋণ চাপিয়ে চলে গেছে। এখন ঋণ হয়েছে ৭ লক্ষ ১৪ হাজার কোটি টাকা।” এই ঋণ শুধু বিগত ৩৪ বছরের ঋণ নয়। দেশ স্বাধীনের পর থেকে বাম আমল পর্যন্ত মেলানো হিসাব। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বলেন, ” এটা কিউমিলেটিভ এফেক্ট (আগের এবং বর্তমান মিলিয়ে এই ঋণ) হয়। দেশ স্বাধীনের পর এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ডঃ প্রফুল্ল ঘোষ। নির্বাচনের আগে আসেন বিধানচন্দ্র রায়। তারপর প্রফুল্ল চন্দ্র সেন। আবর বিধানচন্দ্র রায়, তারপর আসেন সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় তারপর জ্যোতি বসু ও তারপর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শুধু বামফ্রন্ট সরকারের বেলায় ১ লক্ষ ৯২ হাজার কোটি টাকা ঋণ ছিল তা নয় না।” অর্থাৎ এই ঋণের অঙ্ক বেড়েছে সেই দেশ স্বাধীনের পর থেকে। তিনি বলেন, “গত ৬৪ বছরে ১ লক্ষ ৯২ হাজার কোটি টাকা ঋণ? আর ১৫ বছরে ৫ লক্ষের কোটি টাকার উপরে ঋণ। এটা তৃণমূলের আমলে। জবাব কে দেবে? যাঁরা বলে উন্নয়ন কী করে করব? তার জবাব দেবে কি কেউ?”
দেওয়া হবে ৬০০০ হাজার টাকা ভাতা, SSC-PSC-তে নিয়োগ, ১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ সম্পূর্ণ বিনা মাশুলে, ভোটে জিতলে বামেরা। একঝাঁক তরুণ মুখে সঙ্গে বর্ষীয়ান-অভিজ্ঞ নেতাদেরও প্রার্থী করা হয়েছে। জেলায় জেলায় বাংলা বাঁচাও যাত্রা করেছে তারা। আর এবার ভোটকে সামনে রেখে ইস্তাহার প্রকাশ করল সিপিএম। এ দিন, সাংবাদিক বৈঠকে বামফ্রন্ট চেয়ারম্য়ান বিমান বসুর হাত ধরে এই ইস্তাহার প্রকাশিত হয়।কাজ-কাজ আর কাজ! ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে কর্মসংস্থানের উপর জোর দিয়েই ইস্তেহার প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। তা সে সরকারি চাকরি হোক কিংবা শিল্প বৃদ্ধি, সবেতেই কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নতিতেও একাধিক প্রতিশ্রুতি রয়েছে তাদের। তবে, এর মধ্যে ভাতা বাড়ানোর কথাও কিন্তু বলেছে তারা। এ রাজ্যে সিপিএম শূন্য। গত পাঁচ বছর ধরে বামেদের কোনও প্রতিনিধিই নেই রাজ্য বিধানসভায়। বারবার শূন্যের খোঁচা শুনতে হয়েছে রাজ্যের একসময়ের শাসক দলকে সিপিএম-কে। এবার ফের রয়েছে নির্বাচন। শূন্যের ক্ষরা কাটাতে মরিয়া লাল শিবির। একঝাঁক তরুণ মুখে সঙ্গে বর্ষীয়ান-অভিজ্ঞ নেতাদেরও প্রার্থী করা হয়েছে। জেলায় জেলায় বাংলা বাঁচাও যাত্রা করেছে তারা। আর এবার ভোটকে সামনে রেখে ইস্তাহার প্রকাশ করল সিপিএম। এ দিন, সাংবাদিক বৈঠকে বামফ্রন্ট চেয়ারম্য়ান বিমান বসুর হাত ধরে এই ইস্তাহার প্রকাশিত হয়।
প্রতিটি পরিবার পাবে স্থায়ী কাজ
গরিব মানুষের জন্য বছরে ১২০ দিন (শহরে) গ্রামে ২০০ দিনের কাজ। দৈনিক ৬০০ মজুরি
৫ বছরের মধ্যে SSC-PSCর মতো সরকারি চাকরির শূন্যপদ পূরণ
শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি নূন্যতম ৭০০ টাকা। ৪টি শ্রমকোড রাজ্যে প্রয়োগ নয়
১৬ টি ফসলের নূন্যতম সহায়ক মূল্য করা হবে দেড় গুণ
প্রিপেড স্মার্ট মিটার বন্ধ, ১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ সম্পূর্ণ বিনা মাশুলে, ২০০ ইউনিট পর্যন্ত অর্ধেক দাম
নদীভাঙন রোধ। খাল-বিল-পুকুর বোজানোর বিরোধিতায় আইন
৫ বছরের মধ্যে ২০ লক্ষ স্বনির্ভর গোষ্ঠী। মহিলার ক্ষমতায়ন। প্রতিটি জেলায় পুলিশের নিজস্ব ‘স্বশাসিত অভয়া বাহিনী’,তামান্ন ও তিলোত্তমার ন্যায় বিচার
প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্প। দরিদ্র প্রবীণদের জন্য ৬০০০ টাকা বার্ধক্য ভাতা।
সংখ্যালঘু,আদিবাসীদের জন্য স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল তৈরি।





