বাংলার ভোটের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দুপুরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। রাজ্যের শাসকদলকে সরাসরি তোপ দেগেছেন শমীক। সরাসরি জানিয়ে দেন, তৃণমূলের সময় শেষ। মানুষ এবার বিজেপি-র সরকার গড়বে। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বঙ্গবাসীকে নির্ভুল ভোটার তালিকা উপহার দেওয়া নির্বাচন কমিশনের কাজ। কে বাধা দিচ্ছে, আক্রমণ করছেন মানুষ জানে। একাধিক অবিজেপি রাজ্যে হয়েছে এসআইআর। একমাত্র বাংলায় জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করতে হয়েছে। এটা লজ্জার।” বাংলাকে ‘টার্গেট’ করার অভিযোগও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, নতুন স্লোগান শোনা যাচ্ছে, “জনতা বনাম মমতা”। তিনি বলেন, এটা বাংলার মানুষের টার্গেট। প্রতিবার প্রচার করে তৃণমূল কংগ্রেস, টার্গেট দিল্লি। ভোটের পরেই সব গল্প শেষ। অমিত শাহকে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণের জবাবে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ভোট কুশলী অমিত শাহ। তাঁকে সবাই ভয় পাচ্ছে। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির দাবি, রাজ্যে আইনের শাসন ভেঙে পড়েছে। শমীক ভট্টাচার্যের কটাক্ষ, “মুখ্যমন্ত্রী প্যারাট্রুপার পলিটিশিয়ান নন, তিনি বড় কংগ্রেসি নেতার মেয়ে নন। তাঁর লড়াই আন্দোলনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি মাটি চেনেন, মাটির গন্ধ জানেন। তিনি জানেন, বেলা শেষ, খেলা শেষ।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় সরকার গড়া প্রসঙ্গে স্পষ্ট জানান, ”যদি নয়, আমরাই সরকারে আসছি”। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ৩৫ পাতার ‘চার্জশিট’ও প্রকাশ করেন। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তাঁর প্রশ্ন, ২১-এর বিধানসভা এবং ২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচন পরবর্তী হিংসার দায় কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নেবেন? বীরভূমের সভা থেকে বিজেপি-কে সরাসরি আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, “বিজেপি ধর্মের রাজনীতি করে, আর তৃণমূল কর্মের রাজনীতি করে।”





