Thursday, April 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

প্রধানমন্ত্রীর মুকুটে নতুন পালক!‌ বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদী!‌মার্কিন ডেটা অ্যানালিটিক্স সংস্থা মর্নিং কনসাল্ট সমীক্ষায় অনেক পিছিয়ে ট্রাম্প

মার্কিন ডেটা অ্যানালিটিক্স সংস্থা মর্নিং কনসাল্ট একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে সম্প্রতি। সর্বশেষ তথ্যটি ২ মার্চ থেকে ৮ মার্চের মধ্যে সংগৃহীত মতামতের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৬৮ শতাংশ রেটিং নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন মোদী। বিশ্বের বাকি নেতারা উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে রয়েছেন। নরেন্দ্র মোদীর পরেই রয়েছেন দুই রাষ্ট্রনেতা। বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই। তাঁর থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছেন ট্রাম্প-সহ বাকি দেশের জননেতা। সম্প্রতি, একটি সমীক্ষায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। সমীক্ষাতে দেখে গিয়েছে, বিশ্বে জনপ্রিয়তার নিরিখে মোদীর স্থান সবার উপরে। এর আগে ট্রাম্পকে পিছনে ফেলে প্রথম বিশ্বনেতা হিসেবে ইন্সটাগ্রামে ১০ কোটির ফলোয়ার্স ছুঁয়ে ফেলেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। এবার বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় নেতার তকমা মিলতেই আরও একটা নতুন পালক জুড়ল প্রধানমন্ত্রীর মুকুটে, তা বলা যেতে পারে। মার্কিন ডেটা অ্যানালিটিক্স সংস্থা মর্নিং কনসাল্ট একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে সম্প্রতি। সর্বশেষ তথ্যটি ২ মার্চ থেকে ৮ মার্চের মধ্যে সংগৃহীত মতামতের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৬৮ শতাংশ রেটিং নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন মোদী। বিশ্বের বাকি নেতারা উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে রয়েছেন। নরেন্দ্র মোদীর পরেই রয়েছেন দুই রাষ্ট্রনেতা। একসঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং। তাঁদের রেটিং ৬২ শতাংশ। নরেন্দ্র মোদীর থেকে অনেক পিছিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৩৯ শতাংশ রেটিং পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নরেন্দ্র মোদীর জনসমর্থনের প্রায় অর্ধেক বলা যেতে পারে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের রেটিং মাত্র ২৪ শতাংশ। তালিকার সবথেকে নিচে রয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি মাত্র ১৭ শতাংশ জনসমর্থন পেয়েছেন।

মোদীর সাম্প্রতিক রেকর্ড বলতে সম্প্রতি, ভারতের রাজনীতিতে ঐতিহাসিক নজির গড়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দীর্ঘ সময় ধরে সরকারের প্রধান হয়ে কাজ করার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এতদিন পর্যন্ত এই রেকর্ড ছিল সিকিমের প্রধানমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংয়ের। ৮ হাজার ৯৩০ দিন ধরে সরকারের প্রধান ক্ষমতায় ছিলেন তিনি। সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি মোট ৮ হাজার ৯৩১ দিন পার করেছেন। ডিজিটাল মাধ্যমেও একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। ইউটিউবে তাঁর চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৩০ মিলিয়ন অর্থাৎ ৩ কোটি পার করেছে। বিশ্বের একাধিক রাষ্ট্রনেতার থেকে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা বেশি। অন্যদিকে, ইন্সটাগ্রামে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ফলোয়ার্সের সংখ্যা পার করেছে ১০০ মিলিয়ন। অর্থাৎ ১০ কোটির বেশি ফলোয়ার্স রয়েছে তাঁর। মোদীর পরে রয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা হিসেবেও নিজেকে প্রমাণ করলেন নরেন্দ্র দামোদড়দাস মোদী।

বিশ্ব নেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তায় সবার আগে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আবারও মর্নিং কনসাল্ট গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল ট্র্যাকারে শীর্ষস্থান দখল করেছেন মোদি। ৭৫% অ্যাপ্রুভাল রেটিং পেয়েছেন তিনি। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর থেকে অনেক পিছিয়ে। মাত্র ৪৪ শতাংশ অ্যাপ্রুভাল রেটিং পেয়েছেন ট্রাম্প। ইতিমধ্যেই ২৮টি দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান লাভের মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তিনিই ভারতের ইতিহাসে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যিনি দায়িত্বে থাকাকালীন সর্বাধিক সংখ্যক বিদেশি রাষ্ট্রীয় সম্মান লাভ করেছেন।

জনপ্রিয়তার নিরিখে অনেক এগিয়ে
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুধুমাত্র ভারতের নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় মুখ। যেখানে একের পর এক দেশ তাদের নেতৃত্বে আস্থা হারাচ্ছে, সেখানে মোদি এখন ভারতবাসীর সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতা। তাঁর উন্নয়নমূলক কাজ, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংস্কারমূলক পদক্ষেপ তাঁকে এনে দিয়েছে এই অসাধারণ জনপ্রিয়তা। মর্নিং কনসাল্ট গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল ট্র্যাকার বিশ্বের বিভিন্ন নেতাদের অনুমোদনের রেটিং ট্র্যাক করে। সেই নিরিখে দেখা গিয়েছে, প্রতিপক্ষদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

কীভাবে পেলেন স্বীকৃতি
চলতি বছরের গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল রেটিং করা হয়েছিল ৪ থেকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে। যেসব দেশের রাষ্ট্রনেতাদের নির্বাচন করা হয়েছিল, তাঁদের প্রতি প্রাপ্তবয়স্কদের মতামতের ৭ দিনের গড় অনুসারে তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। মর্নিং কনসাল্ট একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রীয় সংস্থা। বিজনেস ইন্টেলিজেন্স এবং ডেটা অ্যানালিস্ট কোম্পানি। এই সংস্থার সার্ভেতে দেখা গিয়েছে, প্রতি চারজন মানুষের মধ্যে তিনজন, গণতান্ত্রিক নেতা হিসেবে নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। মাত্র ১৮ শতাংশ মানুষ এইভাবে ভাবেননি। আর ৭ শতাংশ মানুষ নিশ্চিত ভাবে কোনও মতামত প্রকাশ করেননি। মর্নিং কনসাল্ট গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল ট্র্যাকারের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অর্থাৎ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরেই রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার লি-জে-মিয়ং। তিনি পেয়েছেন ৫৯ শতাংশ অ্যাপ্রুভাল রেটিং বা অনুমোদন। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন আর্জেন্টিনার জেভিয়ার মিলেই।

মোদির অনন্য নজির
২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদি মোট ২৮টি আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা (Top Civilian Awards) পেয়েছেন, যা তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও বিশ্বব্যাপী প্রভাব স্বীকার করারই প্রতিফলন। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী ও মনমোহন সিং—এই তিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকে মাত্র দুটি করে আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছিলেন। সেই তুলনায় মোদির আন্তর্জাতিক সম্মান অর্জন এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন, “ভারতের ইতিহাসে এমন কোনও প্রধানমন্ত্রী আসেননি যাঁর এত ব্যাপক আন্তর্জাতিক প্রভাব পড়েছে। এই সম্মান শুধুমাত্র মোদির নয়, এটি ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কূটনৈতিক স্পষ্টতা ও আত্মবিশ্বাসী বিদেশনীতির প্রকাশ। আজকের ভারত বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে—আমাদের নীতিতে আমরা আপস করবো না। বিশ্ব সেটিকে সম্মান করছে, স্বীকারও করছে।”

আন্তর্জাতিক সম্মানের তালিকা
২০১৬- সৌদি আরব মোদিকে তাদের সর্বোচ্চ জাতীয় সম্মান ‘কিং আবদুল-আজিজ শাহ’ সম্মানে ভূষিত করে। ওই বছরই আফগানিস্তানও মোদিকে ‘আমির আমানুল্লাহ খান পুরস্কার’-এ ভূষিত করে যা সেই দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান।

২০১৮ – প্যালেস্তাইনে গ্র্যান্ড কলার অফ দ্য স্টেট অফ প্যালেস্তাইন সম্মানে ভূষিত হয়েছেন মোদি।

২০১৯ – মলদ্বীপ সরকারও ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘রুল অফ নিসান ইজাউদ্দিন’ সম্মানে ভূষিত করেছে। ওই বছরই সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে গিয়ে মোদি সেই দেশের সর্বোচ্চ সম্মান ‘অর্ডার অফ জায়েদ’-এ ভূষিত হন। বাহরিন সরকার মোদিকে ‘কিং হামাদ অর্ডার অফ দ্য রেনেসাঁ’ ও তাঁকে এই সম্মান জানিয়েছে।

২০২০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই বছর মোদি পান ‘লিজিয়ন অফ মেরিট’ সম্মান।

২০২৩ – পাপুয়া নিউ গিনির সরকারের তরফেও তিনি পেয়েছেন গ্র্যান্ড কমপ্যানিয়ন অফ দ্য অর্ডার অফ লোগোহু সম্মান। এই সম্মাননা থেকে বাদ পড়েনি ইজিপ্টও। ২০২৩ সালে এই দেশ মোদিকে জানায় অর্ডার অফ দ্য নাইল সম্মান। এই বছর ফ্রান্সের তরফে মোদি পান ‘গ্র্যান্ড ক্রস অফ দ্য লিজিয়ন অফ অনার’ সম্মান এবং গ্রিসের থেকে পান ‘গ্র্যান্ড ক্রস অফ দ্য অর্ডার অফ অনার’ সম্মান।

২০২৪ – ভুটান সরকার নরেন্দ্র মোদিকে ভূষিত করে ‘অর্ডার অফ দ্য দ্রুক গ্যালপো’ সম্মানে। এই বছর আরও সম্মান পেয়েছেন মোদি। রাশিয়া জানিয়েছে ‘অর্ডার অফ সেন্ট অ্যান্ড্রু দ্য অ্যাপোসেল’ সম্মান, নাইজেরিয়া জানিয়েছে ‘গ্র্যান্ড কমান্ডার অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য নাইজার’ সম্মান, ডোমিনিকা প্রজাতন্ত্র জানিয়েছে ‘ডোমিনিকা অ্যাওয়ার্ড অফ অনার’ এবং গুয়ানা সরকারের থেকে মোদি পেয়েছেন ‘অর্ডার অফ এক্সিলেন্স’ সম্মান। সবশেষে বার্বাডোজে গিয়ে মোদি পান ‘অনারারি অর্ডার অফ দ্য ফ্রিডম অফ বার্বাডোজ’ সম্মান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles