Tuesday, April 28, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

আসছে ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অফ ব্যানার্জি’!‌ মুখ্যমন্ত্রীর সংগ্রামের কাহিনি? আর কে এন্টারটেনমেন্টের ডকু ফিচার

আর কে এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে প্রস্তুত ডকু ফিচারটির প্রযোজনা করেছেন জুনেইদ খান। ছবিতে তিনি অভিনয়ও করেছেন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময়ই বাংলার মানুষের জন্য লড়াই করেছেন। রাজ্যবাসী যেন কোনওমতেই কুৎসা, অপপ্রচারে কান না দেন। ঠিক এই বার্তা ছড়িয়ে দিতেই তৈরি হয়েছে একটি বিশেষ ডকু ফিচার। ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অফ ব্যানার্জি’। সময়সীমা ২৫ মিনিট। তথ্যচিত্রটির টিজার লঞ্চ হতে চলেছে আজ, বিকেল চারটের সময়। কলকাতা প্রেস ক্লাবে। আর কে এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে প্রস্তুত ডকু ফিচারটির প্রযোজনা করেছেন জুনেইদ খান। ছবিতে তিনি অভিনয়ও করেছেন। ছবির কনসেপ্ট, স্ক্রিপ্টও তাঁর। পরিচালনায় রাহুল সাহা। শুটিং এখনও চলছে। রমজানের কারণে কিছুদিন বন্ধ রয়েছে। জুনেইদের কথায়, ছবিতে মুখ্যমন্ত্রীর আন্দোলন, তাঁর অনশন-সহ ইতিহাসের বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। মূলত ১৯৯৩ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সময়কালকে দেখানো হয়েছে। ১৯৯৩ সালে ‘দিদি’র আন্দোলন থেকে শুরু করে রাজ্য-রাজনীতিতে যুবনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থান, দলের হয়ে তাঁর মাঠে নামা-এই সব কিছুই ছবিতে দেখানো হয়েছে। আর্টিস্ট ফোরামের সদস্য জুনেইদ জানালেন, “অনেকেই জানেন না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনের সূচনা-পর্বের সময় থেকেই অভিষেক তাঁর ছায়াসঙ্গী। অনেক ছোটবেলা থেকেই। একটা ছোট পতাকা হাতে নিয়ে অভিষেক ঘুরে বেড়াতেন আর আন্দোলন করতেন। মাত্র চার বছর বয়স থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলন শুরু করেছিলেন। ছাব্বিশের নির্বাচন ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি বিরোধীরা অনেক রকমের আক্রমণ করে চলেছেন। কাজেই আমি ছবিতে দেখাতে চাই, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার মানুষের পাশে কীভাবে আছে। দলের একজন কর্মী হিসাবে এটা আমার উপহার। একটি ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার প্রয়াস, বলতে পারেন।” এর আগে জুনেইদ গানের অ্যালবামও প্রকাশ করেছেন, ‘জয় বাংলা’। উল্লেখ্য, ছবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড়বেলার চরিত্রে অভিনয় করছেন জুনেইদ নিজেই। বাকি শিল্পীদের অডিশনের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয়েছে। ছবির শুটিং হয়েছে নানা জায়গায়। নদিয়ার পলাশিপাড়া তার মধ্যে অন্যতম। ‘শিবা দ্য বস’, ‘স্ট্রাগল’ (হিন্দি ছবি), ‘বেইমান’- এর মতো একাধিক বাণিজ্যিক ছবির অভিনেতা জুনেইদের একটি সোশ্যাল মিডিয়া টিম রয়েছে। জয় হিন্দ, জয় বাংলা (২০২১)। তৎকালীন রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় প্রেস ক্লাবে লঞ্চ করেছিলেন। এছাড়াও প্রতিবারই ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে গান তৈরি করেন তিনি। যুবনেতা অভিষেককে নিয়ে তাঁর শেষ গান ছিল, ‘আসছে বস’। জুনেইদের কথায়, “আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আমার আবেগ। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার আইডল। একবার গানের অ্যালবাম তৈরি করতে নিজের সোনার ব্রেসলেট বিক্রি করে দিয়েছিলাম। এবারও ডকু-ফিচার বানাতে পঞ্চান্নগ্রামের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিয়েছি।” এত কিছু করার একটাই লক্ষ্য। আর সেটি হল, “আমি মুখ্যমন্ত্রীর ত্যাগকে সম্মান করতে চাই। তিনি ক্রমাগত বিরোধীদের সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন শুধুমাত্র রাজ্যবাসীর স্বার্থে। সেই সত্যটাকে আমি প্রত্যেকটা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। এখন চারপাশে অনেক কিছু ঘটছে। ঘটানো হচ্ছে। অথচ ভোটের পর ভোট চলে গেলেও মুখ্যমন্ত্রী যে গণতান্ত্রিকভাবে মানুষের পাশে আছেন, মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন-সেই বার্তা দিতে চাই। কারণ শেষপর্যন্ত তিনি বাংলার মানুষের জন্য লড়ে চলেছেন। তাই বাংলার মানুষ যেন তাঁর বিরুদ্ধে না যান।”

এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ৬৪ লক্ষের নাম বাদ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত তৃণমূল। আগামী ৬ মার্চ ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৭ অক্টোবর, রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই সময় থেকে বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা আশঙ্কা করেছিলেন ইচ্ছাকৃতভাবে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলেও যে আন্দোলন হবে, সেকথা বারবার জানিয়েছেন মমতা-অভিষেকরা। গত ৪ নভেম্বর, দক্ষিণ কলকাতায় দলীয় নেতা-কর্মীদের মহামিছিল করেন মমতা। এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতার জল গড়িয়েছে দিল্লিতেও। একের পর এক চিঠির পর ইতিমধ্যে দিল্লিতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন মমতা-অভিষেকরা। সাধারণ মানুষের এসআইআর ‘যন্ত্রণা’র কথা তুলে ধরতে সুপ্রিম কোর্টে নিজে দাঁড়িয়ে সওয়ালও করেছেন মমতা। এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর প্রয়োজনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি। ভোটমুখী বাংলায় প্রায় ৬৪ লক্ষের নাম বাদ দিয়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে বলেই অভিযোগ শাসক শিবিরের। আর তার প্রতিবাদে এবার ধরনায় বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সেকথা ঘোষণা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, এসআইআর তালিকায় প্রায় ৬৪ লক্ষের নাম বাদ পড়ার নেপথ্যে বিজেপির বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রাকে দায়ী করেছেন তিনি। অভিষেক আরও বলেন, “এইভাবে এত বিধানসভার মানুষের নাম অ্যাডজুডিকেশন লিস্টে থাকলে সেখানে ভোট হলে হলেও তো অমীমাংসিত থেকে যাবে।” সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে অভিষেকের হুঁশিয়ারি, “বেশি চালাকি করতে যাবেন না। আপনাকে চ্যালেঞ্জ করলাম আমার নামে মামলা করুন। আমি তাহলে মামলা লড়ার সুযোগ পাব। ধরে ধরে মুখোশ খুলব। আপনি যাদের অ্যাজুডিকেশন করেছেন তারাই আপনাদের ৬ মাসের মধ্যে বিচারাধীন করবে।” নাম বাদ যাওয়া দলীয় কর্মীদের ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার পরামর্শও দেন অভিষেক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles