এশিয়া কাপের তিনটি ম্যাচে যে ছবি দেখা গিয়েছিল, একই দৃশ্য দেখা গেল বিশ্বকাপের ম্যাচেও। যদিও ম্যাচের আগের দিন সূর্যকুমারের কথায় ইঙ্গিত ছিল, করমর্দন হতে পারে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আর অধিনায়কদের করমর্দন হবে না। এটাই ‘নিয়ম’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তার ব্যতিক্রম হল না। আরও একটা বিষয়ের ব্যতিক্রম হল না। সেটা হল ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের টসে হার। টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নিলেন পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘা। পাক মহারণে টিম ইন্ডিয়ায় জোড়া বদল। পেটের সমস্যা মিটিয়ে দলে ঢুকলেন অভিষেক শর্মা, বাদ সঞ্জু স্যামসন। অর্শদীপ সিংয়ের জায়গায় সুযোগ পেলেন কুলদীপ যাদব।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘার সঙ্গে হাত মেলালেন না সূর্যকুমার যাদব। রবিবার টসের সময় বিপক্ষ অধিনায়কের সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে গেলেন। ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই সংবাদ সংস্থাকে বোর্ডের এক সূত্র বলে দেন, “করমর্দন না করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেটাই থাকবে।” ম্যাচের পরেও দুই দলের ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফেরা হাত মেলাবেন না। এশিয়া কাপে শুরু হয়েছিল করমর্দন না করার ‘প্রথা’। সেই টুর্নামেন্টে তিনটি ম্যাচ, মেয়েদের বিশ্বকাপ থেকে ছোটদের একাধিক টুর্নামেন্ট, এই ‘নিয়মই’ বহাল থেকেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কলম্বোতে এই ম্যাচে যে নিয়ম বদলাবে, তার পূর্বাভাস ছিল না। টসের সময় দুই দেশের তারকা মাঠে আসতেই বোঝা যায়, বরফ একটুও গলেনি। বয়কট নাটকের পর যে ভারত-পাক ম্যাচের গুরুত্ব আরও বেড়েছে, সে কথা বলাই বাহুল্য। টসের সময়ও দেখা গেল দুই অধিনায়কই গুরুগম্ভীর, চোয়াল শক্ত।
শুরুতেই উসমান তারিক, সাইম আয়ুবদের ঘূর্ণি সামলাতে হবে অভিষেক শর্মাদের। পেটের সমস্যার জন্য নামিবিয়ার জন্য খেলতে পারেননি। এই ম্যাচে ফিরলেন, রানে ফিরবেন কি না সেটাই দেখার। অন্যদিকে কলম্বোর স্লো পিচে বল ঘুরবে বুঝেই ভারতীয় দলে আরেক পরিবর্তন। অর্শদীপ সিংয়ের জায়গায় খেলবেন কুলদীপ যাদব। অর্থাৎ বরুণ চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপের স্পিন অস্ত্রে সাজানো ভারতের বোলিং বিভাগ। সলমনের সঙ্গে হাত মেলাবেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে সূর্যকুমার বলেছিলেন, “২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। আমরা এখানে ভাল ক্রিকেট খেলতে এসেছি। ওই ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত নেব। আপাতত ভাল করে খাব, ভাল করে ঘুমোব। তাই ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতেই হবে।” সলমনকে এই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, “দেখাই যাক কাল কী হয়। তবে ম্যাচটা যেন সঠিক মেজাজে খেলা হয়। আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনও অর্থ নেই। অতীতে যে ভাবে ক্রিকেট খেলা হয়েছে, সে ভাবেই খেলা উচিত। এটা (করমর্দন) নিয়ে ওরা সিদ্ধান্ত নিক।”





