বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে বেঙ্গল সুপার লিগের(Bengal Super League) নক আউট পর্ব। সেমিফাইনাল হবে ডাবল লিগে। রয়্য়াল সিটি এফসি মুখোমুখি হবে নর্থ বেঙ্গল এফসির ।হাওড়া হুগলি ওয়ারিয়ার্স মুখোমুখি হবে সুন্দরবন অটো এফসির। সেমিফাইনাল ম্যাচ হবে ইস্টবেঙ্গল ও কল্যাণী স্টেডিয়ামে। চূড়ান্ত চার সেমিফাইনালিস্ট। জেএইচআর রয়্যাল সিটি এফসি, হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্স এবং সুন্দরবন বেঙ্গল অটো এফসি’র সঙ্গে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ২৪ পরগনা। পাঁচে শেষ করল উত্তরবঙ্গ। এরপর যথাক্রমে বর্ধমান ব্লাস্টার্স, এফসি মেদিনীপুর, কোপা টাইগার্স বীরভূম।

টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন ফুটবলার অ্যালভিটো বলেন, “দ্বিতীয় মরশুমের বিএসএল কলকাতা লিগের পরই শুরু করার পরিকল্পনা আছে। যাতে টিম গুলো দল গুলো সাজাতে পারে। সিএফএলের পর দল গুলো প্লেয়ার নিতে পারবে এতে ফুটবলাররা অনেকটা সময় টিমে থাকতে পারবে।” লিগের আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই আমাদের কাছে দুটি ভিন্ন জেলা থেকে আগামী মরশুমে খেলার জন্য আবেদন এলেছে। প্রাক্তন ফুটবলার ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এই টুর্নামেন্ট থেকে একজন উঠে এলেই সেটা বড় সাফল্য। একজন নয় অনেক প্লেয়ার উঠে এসেছে। কলকাতা লিগের পর অনেক ফাঁকা সময় থাকে, সেখানে ১৪ টা ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে এটা বড় বিষয়। এই টুর্নামেন্টটাকে শেপে আনতে হবে। এই বছর ১৪টি ম্যাচ হয়েছে আগামী বছর ২০ টা ম্যাচ খেলার সুযোগ তৈরি করতে হবে। আইএফএকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের এগোতে হবে।”

হাওড়া-হুগলি দলের কোচ ব্যারেটো বলেন, “এটা একটা দারুন অভিজ্ঞতা। ১৪টা করে ম্যাচ খেললাম ভিন্ন পরিবেশে।আমাদের ফোকাসে এবার সেমিফাইনাল। এটা বাংলার ফুটবলের জন্য খুব ভালো দিক। এটা দারুন একটা মঞ্চ বাংলার ফুটবলারদের জন্য। খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।”

সেমিফাইনাল পর্ব শুরু হওয়ার আগের দিন মঙ্গলবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে চার দলের কোচ অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন সেমিফাইনালে সুন্দরবনের কোচ মেহতাব নাও থাকতে পারেন। সহকারী কোচ অসীম বিশ্বাস বলেন, “বাঙালি ছেলেরা গোল করতে পারে সেটা প্রমান হয়ে গেল বিএসলে ।”





