শুধুমাত্র পাহারা দেওয়ার জন্যই যে চারপেয়ে সন্তান দরজার পাশে ঘুমোয় তা নয়। কখনও কখনও ওই জায়গাকে তারা নিরাপদ মনে করে। সেই কারণেই ঘুমোনোর জন্য বেছে নেয় দরজা। তবে পোষ্য যদি দরজার কাছে উদ্বিগ্ন হয়ে ছোটাছুটি করে বা দরজায় সর্বদা আঁছড়ায়, তাহলে কিন্তু বিষয়টা চিন্তার। কারণ, কুকুররা সাধারণত উদ্বেগের কারণেই এই ধরণের আচরণ করে থাকে। অনেকক্ষেত্রেই আবার মালিকের জন্য অপেক্ষায় দরজায় বসে বা শুয়ে থাকে পোষ্যেরা। এটি আদতে ওদের সহজাত প্রবৃত্তি। যেখানে থাকে সেই এলাকাকে রক্ষা করতে চায় ওরা। দরজার কাছাকাছি থাকলে নজরদারিতে সুবিধা। কোনওরকম জটিল পরিস্থিতির আভাস পেলেই সহজেই সে বার্তা পৌঁছে দিতে পারবে মালিককে। সেই কারণে দরজার পাশটাই ওদের পছন্দ। কুকুরেরা প্রবলভাবে প্রভুভক্ত। তারা মালিকের জন্য সর্বদা নিবেদিত প্রাণ। যে বাড়িতে থাকে প্রাণ দিয়ে হলেও সেখানকার বাসিন্দাদের রক্ষা করার চেষ্টা করে ওরা। এই প্রবণতার সঙ্গে যোগ রয়েছে দরজার পাশে ঘুমোনোর। এটি আদতে ওদের সহজাত প্রবৃত্তি। যেখানে থাকে সেই এলাকাকে রক্ষা করতে চায় ওরা। দরজার কাছাকাছি থাকলে নজরদারিতে সুবিধা। কোনওরকম জটিল পরিস্থিতির আভাস পেলেই সহজেই সে বার্তা পৌঁছে দিতে পারবে মালিককে। সেই কারণে দরজার পাশটাই ওদের পছন্দ। যদি আপনার বাড়ির পোষ্য সর্বদা ঘুমোনোর জন্য দরজার পাশাটাই বেছে নেয়, তাহলে জানবেন সে প্রবলভাবে আত্মবিশ্বাসী। বাড়িতে চারপেয়ে সদস্যের জন্য আলাদা বিছানা-কম্বল থাকা সত্ত্বেও ঘুমের জন্য ওদের পছন্দ দরজার পাশের জায়গাটা। হাজারও ডাকাডাকি পরও মন না চাইলে তাকে সেখান থেকে সরায়, এমন সাধ্যি কার! প্রবল শীতেও এই দৃশ্য দেখা যায় অহরহ। সুন্দর, সাজানো গোছানো জায়গা থাকা সত্ত্বেও কেন দরজার পাশটাই বারবার বেছে নেয় ওরা?





