তুষারপাত শৈল শহরে। শিশির জমে পরিণত হচ্ছিল বরফে। পারদের পরিমাণ আরও কয়েকধাপ কমে। শুরু হয় তুষারপাত। শীত জাঁকিয়ে পড়তেই উত্তরবঙ্গে শুরু হল তুষারপাত। শুক্রবার থেকে উত্তর সিকিমের একাধিক জায়গায় তুষারপাত শুরু হয়েছিল। শনিবার সন্ধ্যা থেকে বরফ পড়তে শুরু করল দার্জিলিঙে। সান্দাকফু ও ফালুট সংলগ্ন এলাকায় বরফ পড়তে দেখা যায়। শনি সকাল থেকেই তুষারপাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। শিশির জমে পরিণত হচ্ছিল বরফে। সন্ধ্যার পরে পারদের পরিমাণ আরও কয়েকধাপ কমে। তার জেরেই শুরু হয় তুষারপাত। দার্জিলিঙের রক গার্ডেন পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে পর্যটকদের জন্য। দুর্গাপুজার সময়ে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল রক গার্ডেনের রাস্তা। সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শনিবার গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে রক গার্ডেন খোলার কথা জানানো হয়। ডালি থেকে গঙ্গামায়া পার্ক পর্যন্ত রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। শুধুমাত্র পর্যটকেদের গাড়ি ও ছোট যানবাহন চলাচলে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কনকনে ঠান্ডায় ফের জমে যাবে বাংলা! আর কয়েক ঘণ্টায় হাড়কাঁপানো ঠান্ডার ইনিংস শুরু। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং ফের শুরু হতে চলেছে। আজ রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ কলকাতার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ও ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে। চলতি সপ্তাহান্তে তাপমাত্রার পারদ চড়বে, আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। গত ৩১ ডিসেম্বর ও পয়লা জানুয়ারি, দু’দিনেই শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ছিল। হাড়কাঁপানো ঠান্ডার আমেজ আজ উধাও। মনোরম স্বস্তির আবহাওয়া বেশিদিন টিকবে না। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সোমবার থেকেই তাপমাত্রার পারদ ফের নিম্নমুখী থাকবে বাংলা জুড়েই। সব জেলায় তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে। সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে। এরপরের কয়েকদিনে তাপমাত্রার কোনও পরিবর্তন হবে না। আগামী সপ্তাহে আবারও হু হু করে নামবে শহরের তাপমাত্রা। ফিরবে হাড়কাঁপানো শীত। সঙ্গে ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।




