লেকটাউনে ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিশ্বের বৃহত্তম মেসির মূর্তি এবার স্থান পেল শ্রীভূমির ক্লক টাওয়ার সংলগ্ন উঁচু মঞ্চে। বহু দিনের প্রস্তুতি শেষে ফাইবারের বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি এই বিশাল মূর্তিটি ক্রেনের মাধ্যমে স্থাপন করা হয় নির্দিষ্ট স্থানে।শিল্পী মন্টি পালের উদ্যোগে নির্মিত এই অভূতপূর্ব মেসি মূর্তি। বহু দিনের প্রস্তুতি শেষে ফাইবারের বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি এই বিশাল মূর্তিটি ক্রেনের মাধ্যমে স্থাপন করা হয় নির্দিষ্ট স্থানে। অভূতপূর্ব মেসি মূর্তি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মাত্র কিছুদিন সময়ের মধ্যেই প্রায় ৩০ জন শিল্পীর চেষ্টায় রুপ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ব বিখ্যাত ফুটবল খেলোয়াড়ের মূর্তি। শিল্পীর হাতের ছোঁয়ায় অতীতে শ্রীভূমির বিখ্যাত মারাদোনার মূর্তিটি নির্মাণ হয়েছিল। স্থানীয় মানুষজন সহ রাস্তা দিয়ে চলা কৌতূহলীদের ভিড়। শিল্পীর হাতের ছোঁয়ায় অতীতে শ্রীভূমির বিখ্যাত মারাদোনার মূর্তিটি নির্মাণ হয়েছিল। মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় ৭০ ফুট বলেই জানা গিয়েছে। মেসি কলকাতা সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাড়ছে উন্মাদনা। সফরেই ফুটবল মহাতারকার হাতে উদ্বোধন হবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই মেসি মূর্তির। মূর্তিটির উচ্চতা প্রায় ৭০ ফুট। মেসি কলকাতা সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাড়ছে উন্মাদনা। বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই মেসি মূর্তি লেকটাউনে শ্রীভূমির মুখ হিসেবে পরিচিত রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসুর এই উদ্যোগ এর ফলে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকেই। এত বড় মেসির মূর্তি বিশ্বে আর নেই বলেই জানা যায়। তাই অপেক্ষা আর মাত্র কিছুদিনের। কলকাতায় জুড়বে আরও একটি পালক। অপেক্ষা আর মাত্র কিছুদিনের। কলকাতার মুখে জুড়বে আরও একটি পালক।
আর তিন দিনের অপেক্ষা। তার পরেই কলকাতায় পা রাখতে চলেছেন লিওনেল মেসি। সল্টলেক স্টেডিয়াম থেকে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কলকাতা থেকে মুম্বই, দিল্লি এবং হায়দরাবাদেও যাবেন মেসি। সময়ের নিরিখে কলকাতায় সবচেয়ে কম সময় থাকলেও এখানে অনুষ্ঠানে থাকছে নানা বৈচিত্র্য। ইতিধ্যেই মেসির থিমসং সামনে এসেছে। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়ের সুরে সেই গানের ভিডিয়োতে মেসিকে ঘিরে কলকাতা ফুটবলের নানা উন্মাদনা তুলে ধরা হয়েছে। মেসির নাম লেখা নানা ধরণের টি-শার্টও বাজারে এসেছে। দক্ষিণ আমেরিকার সংস্কৃতির ট্যাঙ্গো নাচের সঙ্গে মেলানো হয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। টলিউডের শিল্পীরা মেসির সামনে এই পারফরম্যান্স করবেন। যার দায়িত্বে রয়েছেন ক্ল্যাসিক্যাল ড্যান্সার অনুশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়। থাকবেন টলিউডের সিনেমা জগতের শিল্পীরাও। মাঠে খুদে ফুটবলারদের সঙ্গে একটি কোচিং ক্লিনিকে অংশ নেবেন মেসি। পরে দেখবেন মোহনবাগান ও ডায়মন্ডহারবারের ম্যাচ। মাঠে নেমে দু-একটা পেনাল্টি কিকও নিতে পারেন কিংবদন্তি। টিকিট বিক্রি বেশ ভালো হয়েছে বলে দাবি আয়োজকদের। বেশ কিছু কর্পোরেটকে বড় সংখ্যার টিকিট দেওয়া হয়েছে। মাঠ ভরে যাবে বলেই আশা করা হচ্ছে। কলকাতা ছাড়ার আগে শ্রীভূমিতে নিজের মূর্তি উদ্বোধন করবেন মেসি। যেখানে দিয়েগো মারাদোনার মূর্তিও আছে। একটা সময়ে শোনা গিয়েছিল, কলকাতায় মেসিকে নিয়ে অনুষ্ঠানে থাকতে পারেন শাহরুখ খান। তাঁর অফিস থেকে নাকি এই ব্যাপারে খোঁজখবরও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা আসেনি। খুব সম্ভবত, মেসি এবং শাহরুখ, দুই কিংবদন্তিকে একমঞ্চে কলকাতায় দেখা যাবে না।সল্টলেক স্টেডিয়ামের মূল আয়োজনে ৭৫ হাজার দর্শকের জন্য গ্যালারি খোলা রাখা হয়েছে। ইভেন্টের প্রমোটার শতদ্রু দত্ত জানান, টিকিটের চাহিদা এতটাই বেশি যে মঙ্গলবার থেকেই কাউন্টার বিক্রিও চালু করা হয়েছে।
মেসিকে পরানো হতে পারে ধুতি ও পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও একাধিক উপহারও থাকবে তাঁর জন্য। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী আন্তোনেল্লার জন্য উপহার দেওয়া হবে শাড়িও। জানা গিয়েছে মেসির জন্য থাকবে ইলিশ, চিংড়ি, নলেন গুড়ের রসোগোল্লা ও মিষ্টি দই। কলকাতায় আসছেন ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসি। আর তা নিয়ে কলকাতার আপামর ফুটবল প্রেমীদের মনে উন্মাদনা আলাদা মাত্রায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে যুবভারতীর বিভিন্ন স্ট্যান্ডের টিকিট। তবে হ্যাঁ, কলকাতার পাশাপাশি হায়দরাবাদ, মুম্বই ও দিল্লিতেও যাবেন। ডিসেম্বরের ১৩ তারিখ কলকাতায় পা রাখবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তাঁর সঙ্গে থাকবেন উরুগুয়ের ফুটবলার লুই সুয়ারেজ ও আর্জেন্টাইন তারিকা রদ্রিগো ডি’পল। মেসিকে পরানো হতে পারে ধুতি ও পাঞ্জাবি। এ ছাড়াও একাধিক উপহারও থাকবে তাঁর জন্য। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী আন্তোনেল্লার জন্য উপহার দেওয়া হবে শাড়িও। জানা গিয়েছে মেসির জন্য থাকবে ইলিশ, চিংড়ি, নলেন গুড়ের রসোগোল্লা ও মিষ্টি দই। ১৩ ডিসেম্বর রাত ১টায় (১২ ডিসেম্বরে মধ্যরাতে) কলকাতায় অবতরণ করবে মেসির বিমান। সেই রাতে তিনি থাকবেন বাইপাসের ধারের একটি হোটেলে। ১৩ তারিখ সকাল ৯টা ৩০ থেকে ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সেখানে স্পনসরদের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, এরপর বেলা ১১টা বেজে ১৫ মিনিট থেকে ১১টা বেজে ২৫ মিনিটের মধ্যে যুবভারতীতে পৌঁছাবেন তিনি। আর এর মাঝে অর্থাৎ, ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যে ওই হোটেল থেকেই লেকটাউনে তাঁর যে ৭০ ফুটের বিরাট মূর্তি, তার উদ্বোধন করবেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সুজিত বসু সহ বেশ কিছু অতিথি। ৭০ ফুটের মূর্তি উন্মোচনের জন্য যুবভারতী থেকে লেকটাউনে যাওয়ার কথা ছিল মেসির। কিন্তু আর্জেন্টাইন মহাতারকার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই পরিকল্পনায় আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ। আর সেই কারণেই এই মূর্তি উন্মোচনের ব্যাপারটা হবে হোটেল থেকেই ভার্চুয়ালি। মেসি যুবভারতীতে পৌঁছালে সেখানে নাচে-গানে স্বাগত জানানো হবে তাঁকে। রাজকীয় সংবর্ধনাও দেওয়া হবে মেসিকে। যুবভারতীতে এদিন অনুষ্ঠিত হবে মোহনবাগান ‘মেসি’ অল স্টার বনাম ডায়মন্ড হারবার ‘মেসি’ অল স্টার ম্যাচও। জানা গিয়েছে, এই দুই দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গেও দেখা করবেন মেসিও। যুবভারতীতে সকাল সাড়ে ১১টায় উপস্থিত হবে শাহরুখ খান। তারপর বেলা ১২টার আশেপাশে সেখানে পৌঁছবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ছাড়াও মেসির সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও লিয়েন্ডার পেজকেও। সব শেষে একটি হুডখোলা জিপে করে যুবভারতী প্রদক্ষিণ করবেন মেসি। ফলে, যুবভারতীর সব স্ট্যান্ড থেকেই মেসি দর্শন সম্ভব। দুপুরে হায়দরাবাদের উদ্দেশ্য রওনা দেবেন।
লিওনেল মেসির ভারত সফরের দিনক্ষণ। ধীরে ধীরে আরও স্পষ্ট হচ্ছে তিন দিনের এই সফরে কী কী করবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। নিজের এবারের ভারত সফরে র্যাম্পেও হাঁটবেন মেসি। মুম্বাইয়ে আগামী রোববারের ওই ফ্যাশন শোতে তার সঙ্গী হবেন ইন্টার মায়ামি ক্লাবের দুই সতীর্থ লুইস সুয়ারেস ও সার্জিও বুসকেতস। মেসির ভারত সফরের প্রমোটার শতদ্রু দত্ত, ফ্যাশন শো-র পাশাপাশি ২০২২ বিশ্বকাপ থেকে মেসির কিছু স্মারকও নিলামে তোলা হবে। যেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ জনহিতকর কাজে খরচ হবে। শণি ভোরে মেসির ভারত সফর। ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা, হায়দরাবাদ, মুম্বাই ও দিল্লিতে ভ্রমণ করবেন আটবারের বিশ্বকাপজয়ী তারকা। তার এই সফরের নাম দেওয়া হয়েছে গোট (গ্রেটেস্ট অব অল টাইম) ট্যুর অব ইন্ডিয়া। শতদ্রু জানিয়েছেন, মুম্বাইয়ের রোববারের আয়োজন বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারা উপস্থিত থাকবেন। “এটি পুরোপুরি সংরক্ষিত একটি আয়োজন হবে। তারকা মডেল, তারকা ক্রিকেটার, বলিউড তারকা, মিলিওনিয়ার ও ফাউন্ডাররা থাকবেন এই অনুষ্ঠানে। টাইগার শ্রফ, জ্যাকি শ্রফ, জন আব্রাহামসহ আরও অনেকে এতে উপস্থিত হবেন।” মুম্বইয়ের ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়াতে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় হবে প্যাডেল কাপ। এরপর বিকেল ৫টায় শুরু হবে মূল আয়োজন। মেসির দীর্ঘ দিনের সতীর্থ ও কাছের বন্ধু লুইস সুয়ারেস একটি স্প্যানিশ মিউজিক শোতেও অংশ নেবেন। ভারত সফরের প্রথমাংশে কলকাতায় থাকবেন মেসি। সেখানে তার ৭০ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য উন্মোচন করা হবে। যা তার সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য হতে চলেছে। তবে নিরাপত্তাজনিত সবুজ সংকেত না পাওয়ায় সশরীরে যেতে পারবেন না। হোটেলে বসেই সেটি উন্মোচন করবেন মেসি। স্থানীয় সময় শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টায় কলকাতায় নামবেন মেসি। পরদিন সকাল ৯টা ৩০ থেকে ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত একটি মিট এন্ড গ্রিট আয়োজনে থাকবেন তিনি। পরে হবে ভাস্কর্য উন্মোচনের অনুষ্ঠান। মেসি সশরীরে না থাকলেও, সল্ট লেক স্টেডিয়ামে ৭৫ হাজারের বেশি দর্শক উপস্থিতি আশা করছেন আয়োজকরা। শনিবার দুপুর ২টায় হায়দরাবাদের উদ্দেশে কলকাতা ছেড়ে চলে যাবেন মেসি। সেখানে কাজ সেরে পরদিন তিনি থাকবেন মুম্বাইয়ে। আর সোমবার নয়া দিল্লিতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সূচি।
আরও একটা পালক লিওনেল মেসির মুকুটে। কলকাতায় পা রাখার আগে মেজর লিগ সকারের এমভিপি অর্থাৎ মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারের পুরস্কার জিতে নিলেন আর্জেন্টাইন মহানায়ক। এবার নিয়ে পর পর দ্বিতীয়বার এমএলএস-এর সব থেকে মূল্যবান ফুটবলার। মেসি মানেই রেকর্ড। মেসি মানেই বল পায়ে ম্যাজিক। আবার মেসি মানেই একের পর এক পুরস্কার। অবিশ্বাস্য সব নজির গড়েন তিনি। মেজর লিগ সকারের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার যেমন। এমএলএসের তিন দশকের ইতিহাস তুলে ধরছে এক অন্য তথ্য। তিরিশ বছরে মেসিই একমাত্র ফুটবলার টানা দু’বার এই পুরস্কার জিতলেন। তাঁর আগে ১৯৯৭ ও ২০০৩ সালে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন প্রেকি। কেরিয়ারের এই পড়ন্ত বেলাতেও মেসি ছড়িয়ে দিচ্ছেন সোনালী রোদ্দুর। আগামী বিশ্বকাপেও তাঁর বাঁ পায়ের জাদু দেখতে মুখিয়ে সবাই। সেই মেসিই ইন্টার মায়ামির হয়ে ট্রফি জিতছেন। জিতে নিচ্ছেন পুরস্কার। চলতি বছরের মেজর লিগ সকারের সেরা খেলোয়াড় হন মেসি। সাপোর্টার্স শিল্ড এবার ইন্টার মায়ামির শো কেসে জায়গা পায়নি। তবে এমএলএস কাপ ঘরে তুলেছে মেসির দল। মেসি যে দলের সম্পদ, সেই দল যে মাঠে নেমে ফুল ফোটাবে, তা বলাই বাহুল্য। মাঠে তাঁর ছড়িয়ে দেওয়া জাদু ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। হোয়াইট ক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার মেজর লিগ সকার খেতাব জিতে নেয় মায়ামি। অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। আবার গোটা টুর্নামেন্টেও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। তিনি পাস বাড়িয়েছেন, নিজে গোল করেছেন। মেজর লিগ সকারের ২৮টি ম্যাচে ২৯টি গোল করে মেসি দেখিয়ে দিয়েছেন, তিনি ছন্দেই রয়েছেন। আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনিকে স্বস্তি দেবে মেসির ফর্ম। মেজর লিগ সকারের মোস্ট ভ্যালুয়েবল পুরস্কারটি ল্যান্ডন ডোনোভানের নামে। এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে ১৯৯৬ সাল থেকে। ফুটবলার, টেকনিক্যাল স্টাফ এবং সংবাদ মাধ্যমের ভোটে সংশ্লিষ্ট ক্লাবের সব থেকে মূল্যবান খেলোয়াড়কে বেছে নেওয়া হয়। সেই পুরস্কারই মেসি পরপর দু’বার পেলেন। মোট ভোটের ৭০.৪৩ শতাংশ পেয়ে মেসি বহু মাইল পিছনে ফেলে দিয়েছেন সান দিয়েগো এফসি-র আন্দ্রেজ ড্রেয়ারকে (১১.১৫%)।




