সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির সুপার লিগ পর্ব এবং ফাইনাল পুণেতে সরিয়ে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অর্থাৎ বিসিসিআই। সূচি অনুযায়ী ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল ইন্দৌরে। কিন্তু বিশেষ কারণে ম্যাচ সরিয়ে দিতে হল বিসিসিআইকে। সর্বভারতীয় টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতার গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলি হচ্ছে কলকাতা, হায়দরাবাদ, লখনউ এবং অহমদাবাদে। এই পর্বের সূচিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। সুপার লিগের ম্যাচগুলি এবং ফাইনাল সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পুণেতে। উল্লেখ্য, আগামী ১২ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির সুপার লিগ পর্ব। ফাইনাল ১৮ ডিসেম্বর। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ শইকীয়া বলেন, ‘‘আমরা সুপার লিগ এবং ফাইনাল ইন্দৌর থেকে পুণেতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ কেন এমন সিদ্ধান্ত হঠাৎ? বিসিসিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে কর্তারাই ম্যাচ সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। সুপার লিগ পর্বে খেলবে আটটি দল। সব দলের ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফদের থাকার জন্য পর্যাপ্ত হোটেলের ঘর পাওয়া যাচ্ছে না ইন্দৌরে। বিসিসিআই যে মানের হোটেলে দলগুলিকে রাখে তেমন হোটেলগুলির ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ১৩ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ইন্দৌরে চিকিৎসকদের সম্মেলন রয়েছে। সে জন্য সংশ্লিষ্ট হোটেলগুলির অধিকাংশ ঘর আগে থেকে ভাড়া নিয়ে রেখেছে চিকিৎসকদের সংগঠন। ফলে মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে কর্তারা পর্যাপ্ত ঘরের ব্যবস্থা করতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচগুলি অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন তাঁরা। সেই মতো সূচি অনুযায়ী ইনদোরের সব ম্যাচ পুণেতে হবে।
দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজে হারতে হয়েছে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে। এরপর ওয়ান ডে সিরিজেও দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতীয় পেস বোলিংয়ের কঙ্কালসার পরিস্থিতিটা অনেক বেশি উজ্জল। হর্ষিত রানা, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদের ওপর ভরসা করলেও তাঁরা কেউই যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পারেননি। ৩৫৯ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ জিতে নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন মহম্মদ ,সামিকে দলে ফেরানো হচ্ছে না, তা নিয়ে এবার ভারতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক কমিটি ও কোচের দিকে আঙুল তুললেন হরভজন সিং। চলতি বছরের ট্যাম্পিয়ন্স ট্রফিজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন সামি। এরপর থেকে জাতীয় দলের জার্সিতে আর কোনও ফর্ম্যাটেই দেখা যায়নি ডানহাতি পেসারকে। ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার জার্সিতে ডানহাতি পেসার দারুণ পারফর্ম করেছেন গত কয়েক মাসে। মুস্তাক আলিতেও ধারাবাহিকভাবে উইকেট পাচ্ছেন। তবুও জাতীয় দলে ডাক পাচ্ছেন না সামি। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বলেন, ”সামি কোথায়? আমি জানি না সামি কেন খেলছে না। আমি মানছি প্রসিদ্ধ আছে দলে। তবুও ওর এখনও অনেক কিছু শেখা বাকি। ভাল বোলার বিকল্প হিসেবে রয়েছে, কিন্তু তাঁকে সাইডলাইনে রেখে দেওয়া হচ্ছে। বুমরা দলে থাকলে একদম আলাদা একটা বোলিং অ্যাটাক। আর বুমরা ছাড়া একদম আলাদা মনে হচ্ছে। আমাদের তো বুমরাকে ছাড়াও জেতার অভ্যসটা তৈরি করতে হবে। ৩৬০ রানের মত লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমেছিল দ্বিতীয় ওয়ান ডেতে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু সেই রান তাড়া করতে নেমে অনায়াসেই তারা জিতে গেল। আমাদের বোলাররা রানের গতি কমাতেই পারেনি। ইংল্যান্ডের মাটিতে বুমরাকে ছাড়া সিরাজ দারুণ খেলেছে। বুমরা ছাড়া ভারত জিতেছে। কিন্তু সংক্ষিপ্ত ওভারের ফর্ম্য়াটে আমাদের এমন বোলার খুঁজতে হবে, যে ম্যাচ জেতাতে পারে। তা ফাস্ট বোলিং হোক বা স্পিন বোলিং। কুলদীপ আছে স্পিনারদের মধ্যে। কিন্তু বাকি আর কোথায়?” ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা তৃতীয় ওয়ান ডে খেলতে নামবে আগামীকাল ৬ ডিসেম্বর বিশাখাপত্তনমে। ইতিহাস বলছে যে এই মাঠে এখনও পর্যন্ত ১০টি ওয়ান ডে খেলেছে ভারত। যার মধ্যে সাতটি ম্যাচে জিতেছে। ২টো ম্যাচ হেরেছে ও একটি টাই হয়েছে। ২০১৮ সালে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্য়াচটি টাই হয়েছিল।




