২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারতের ফুটবল দল ফিফা ক্রমতালিকায় ১০২ নম্বরে ছিল। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ভারত নেমে ১৪২ নম্বরে পৌঁছেছে। দেড় লক্ষের দেশের কাছে লজ্জায় দেড়শ কোটির দেশ! প্রায় ১৫০ কোটি জনসংখ্যার ভারত যেখানে এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন করতে পারছে না সেখানে সাড়ে ৫ লক্ষ জনসংখ্যা কেপ ভার্দে বা দেড় লক্ষ জনসংখ্যার কুরাসাও বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ফিফা ক্রমতালিকায় এশিয়ার যে ৪৬টি দেশ রয়েছে তার মধ্যে ভারত ২৭ নম্বরে। প্রথম ৫০-এর মধ্যে থাকা এশীয় দেশগুলি হল জাপান (১৮), ইরান (২০), দক্ষিণ কোরিয়া (২২), অস্ট্রেলিয়া (২৬) ও উজবেকিস্তান (৫০)। আর কত নীচে নামবে ভারতীয় ফুটবল? নামতে নামতে ১৪২ নম্বরে তারা। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারতের ফুটবল দল ফিফা ক্রমতালিকায় ১০২ নম্বরে ছিল। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ভারত নেমে ১৪২ নম্বরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের কাছে ০-১ গোলে হারের পর আরও ছ’ধাপ নেমেছে খালিদ জামিলের দল। ২০০৩ সালে শেষ বার বাংলাদেশের কাছে হেরেছিল ভারত। ২২ বছর পর সেই ‘কীর্তি’ করে দেখিয়েছেন খালিদ। বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুরের মতো ফিফা ক্রমতালিকায় পিছিয়ে থাকা দলের কাছে হেরে এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জনের লড়াই থেকেও বিদায় নিয়েছে ভারত।
১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারত ফিফা ক্রমতালিকায় ৯৪ নম্বরে উঠেছিল। সেটিই ভারতের সবচেয়ে ভাল পারফরম্যান্স। ঠিক ২০ বছর পর ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে ফিফা ক্রমতালিকায় সবচেয়ে নীচে ছিল ভারত। ১৪৮ নম্বরে নেমেছিল তারা। সেটিই ভারতের সবচেয়ে খারাপ র্যাঙ্কিং। এখন ভারত ১৪২ নম্বরে। অর্থাৎ, আর সাত ধাপ নামলেই সর্বকালীন লজ্জা হবে ভারতের। গত কয়েক মাসে ভারত যে ভাবে খেলছে তাতে সেটা হওয়াও অসম্ভব নয়। ২০২২ সালে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার সভাপতি হয়েছিলেন কল্যাণ চৌবে। পরের কয়েক মাসে ভারত ফিফা ক্রমতালিকায় কিছুটা উঠেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের পর থেকে শুরু হয়েছে পতন। ভারতের ফুটবল সংস্থায় নান রকম জটিলতা চলছে। পাশাপাশি আইএসএল হবে কি না তা নিয়েও জটিলতা চলছে। দেশের ফুটবলের হালও খারাপ হওয়ার ফলে চাপ আরও বাড়ছে কল্যাণের উপর।




