মূল অভিযুক্ত বাবুলাল। অভিযোগ প্রকাশ্যে। তড়িঘড়ি কর্তব্য থেকে সরানো হল। বাবুলাল উলুবেড়িয়া ট্রাফিক গার্ডে অস্থায়ী হোমগার্ড হিসাবে কর্মরত। ধৃত দুই অভিযুক্তকে আদালতে হাজির। ধৃতদের তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ বিচারকের। হাওড়ার হাসপাতালে মহিলা জুনিয়র ডাক্তারকে নিগ্রহের ঘটনায় আগেই ধরা পড়েছিলেন এক ট্রাফিক হোমগার্ড-সহ দু’জন। এ বার তৃতীয় অভিযুক্তকেও ধরল পুলিশ। বুধে গ্রেফতার করা হয়। অস্থায়ী হোমগার্ডের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে মূল অভিযুক্ত শেখ বাবুলালকেও। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম শেখ সম্রাট। সোম সন্ধ্যার ওই ঘটনার সময় উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত থাকা বাবুলালের পরিচিত যুবককে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত দুই অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করানো হয়েছে। ধৃতদের তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তড়িঘড়ি কর্তব্য থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে মূল অভিযুক্ত বাবুলালকে। ওই যুবক উলুবেড়িয়া ট্রাফিক গার্ডে অস্থায়ী হোমগার্ড হিসাবে কর্মরত। সোম সন্ধ্যায় এক আত্মীয়কে নিয়ে উলুবেড়িয়ার ওই হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে যায় বাবুলাল। সঙ্গে আরও ১০-১২ জন। সে সময় হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে কর্মরত ছিলেন ‘আক্রান্ত’ মহিলা জুনিয়র চিকিৎসক। ট্রাফিক হোমগার্ডের আত্মীয়ের শারীরিক পরীক্ষার পর তিনি কিছু ক্ষণের জন্য হাসপাতালের রেস্ট রুমে গিয়ে বসেছিলেন। অভিযোগ, তখনই দলবল নিয়ে ওই জুনিয়র চিকিৎসকের উপর চড়াও হন বাবুলাল। তাঁকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। ‘আক্রান্ত’ মহিলার দাবি, ওই দলের মধ্যে কয়েক জন তাঁকে ‘ধর্ষণে’র হুমকি ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে ওয়ার্ডের নার্স এবং আয়ারা তাঁকে হামলাকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার দিন রাত্রেই উলুবেড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই জুনিয়র চিকিৎসক। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তৃতীয় অভিযুক্তও ধরা পড়ে। প্রসঙ্গত, মহিলা চিকিৎসককে নিগ্রহের ঘটনার প্রতিবাদে বুধে পুলিশ সুপার অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভের ডাক বিজেপির। উপস্থিত রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশ সুপারের অফিসের নিরাপত্তা বৃদ্ধি। লোহার ব্যারিকেডে ঘেরা রাস্তা।





