সভাপতি পদে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে সমর্থন। ঘোষণা করেছে ইস্টবেঙ্গল। ফের সিএবির মসনদে বসতে চলেছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ময়দানের প্রতিটি ক্লাবের সমর্থন মহারাজকে। দ্বিতীয় দফায় সিএবি সভাপতি হওয়ার আগে হাই কোর্ট ক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে। বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় মহারাজের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক। ছিলেন হাই কোর্ট আইনজীবী সমন্বয় কমিটির চেয়ারম্যান মিলন মুখোপাধ্যায়, ভাইস চেয়ারম্যান অমিত পান ও অমিত গুপ্ত। ক্যালকাটা হাই কোর্ট ক্লাব প্রতিনিধি সিএবি, আহ্বায়ক হাই কোর্ট আইনজীবী সমন্বয় কমিটি তরুণ চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু সিনহা বিশ্বাস স্পেশাল সিকিউরিটি সিএম, আইনজীবী দীপাঞ্জন দত্ত সহ সব সদস্যরা। হাই কোর্ট ক্লাবের থেকে সংবর্ধিত হয়ে আপ্লুত ‘দাদা’। সৌরভ জানান, “আমি অত্যন্ত সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ হাই কোর্ট ক্লাবের কাছে। সমাজে আইনজীবীদের খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বছরের পর বছর আপনারা সেই ভূমিকা পালন করে আসছেন।” হুডখোলা গাড়িতে সংবধর্না সভায় নিয়ে আসা হয় সৌরভকে। নস্ট্যালজিক দাদা মঞ্চে কেকও কাটেন ‘দাদা’। তিনি বলেন, “আপনার সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখেন। বছরের পর বছর ধরে সেই কাজ আপনারা করে যান। আপনাদেরও শুভেচ্ছা প্রাপ্য। ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সিএবি-র বার্ষিক সাধারণ সভা। এরমধ্যেই সভাপতি পদে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে সমর্থন জানানোর কথা ঘোষণা করেছেন ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কোনও কর্তা সিএবি-তে পদাধিকারী হবেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন। সৌরভ যে সিএবি’র প্রেসিডেন্টের পদের জন্য দাঁড়াবেন, তা তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন।

নতুন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা। ঘোষণা করা হয়েছে বোর্ড সভাপতি পদে। চলতি বছরের জুলাই মাসে প্রেসিডেন্ট হিসাবে রজার বিনির মেয়াদ শেষ। কারণ তাঁর সত্তর বছর বয়স হয়ে গিয়েছে। লোধা আইন অনুসারে সত্তর বছর হয়ে গেলে কেউ আর বোর্ডের প্রশাসনিক পদে থাকতে পারেন না। বিনির পর অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে রাজীব দায়িত্ব নেবেন, একথা আগে থেকেই জানা ছিল। সূত্রের খবর, বুধবার বৈঠকে বসেছিল বিসিসিআইয়ের অ্যাপেক্স কাউন্সিল। তারপরই সরকারিভাবে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসাবে রাজীব শুল্কর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বোর্ডের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে বোর্ডের নির্বাচন হয়। নতুন ক্রীড়া আইন তৈরি হওয়ার পর কবে বিসিসিআইয়ের নির্বাচন হবে, সেই নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে থাকবেন শুক্লাই। ক্রীড়া বিল আইনে পরিণত হলেও নিয়ম কী হবে, সেটা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তার মধ্যেই ক্রীড়ামন্ত্রকের এক সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে বোর্ড নির্বাচন চাইছে তারা। মন্ত্রক চায় সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়ম নির্দিষ্ট হয়ে গেলে ক্রীড়া আইন অনুযায়ীই নির্বাচন করুক বোর্ড। একান্ত তা না হলে আপাতত লোধা আইনে নির্বাচন করা যেতে পারে। কিন্তু ক্রীড়া আইনের নিয়ম ঠিক হয়ে গেলে তখন ফের নির্বাচন করতে হবে। নিয়মমাফিক তিন মাস নির্বাচন পিছনো যেতে পারে। অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হয়েই একঝাঁক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে রাজীবের জন্য। তার মধ্যে অন্যতম হল জাতীয় দলের স্পনসর ঠিক করা। ‘বেআইনি’ ঘোষিত হওয়ার পর প্রধান স্পনসরের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছে ড্রিম ১১। এশিয়া কাপের আগে ভারতীয় দল নতুন স্পনসর পাবে কিনা, প্রশ্ন থাকছে। বোর্ড সূত্রে খবর, এশিয়া কাপের জন্য তাড়াহুড়ো করে স্বল্প মেয়াদের জন্য স্পনসরশিপ চুক্তিতে আগ্রহী নয় বোর্ড। বরং পরবর্তী অন্তত আড়াই বছরের জন্য ভারতীয় দলের স্পনসরের খোঁজ চলছে।




