শহরজুড়ে চলছে প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’র বায়োপিকের রেইকি। সৌরভের বায়োপিকের প্রস্তুতি শুরু। কলকাতায় জোর তৎপরতা। ছবির পরিচালক বিক্রম আদিত্য মতোয়ানি, দুই প্রযোজক অঙ্কুর গর্গ ও লাভরঞ্জন সহ গোটা প্রোডাকশন টিম কলকাতায় রেইকিতে। কলকাতায় সৌরভের ক্রিকেট জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা ময়দান ছাড়াও সৌরভ ছোটবেলায় যেখানে খেলা শিখেছিলেন সেই এরিয়ান ক্লাবের নীচে দুখীরাম ক্রিকেট অ্যাকাডেমি সহ বিভিন্ন জায়গা আজকে পরিদর্শন করেন পরিচালক সহ গোটা প্রোডাকশন টিম। সৌরভের সঙ্গেও কথা বলেন ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু হতে পারে শ্যুটিং। ২০২৬ সালের শেষের দিকে অথবা ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে মুক্তি পাবে সিনেমা। রাজকুমার রাও সৌরভের ভূমিকায় থাকছেন। সৌরভের সঙ্গে কথা বলেছেন রাজকুমার। রাজকুমার বাঁহাতি না হওয়ায় তাঁর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।। পুজো কাটলেই একমাসের জন্য কলকাতায় আসছেন অভিনেতা। থাকবেন মহারাজের সঙ্গে। সিনেপর্দায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বর্ণময় ক্রিকেট কেরিয়ার থেকে ব্যক্তিগতজীবন দেখতে উন্মুখ দর্শক। পর্দায় প্রিন্স অফ ক্যালকাটার ভূমিকায় ‘দাদাগিরি’ দেখাবেন রাজকুমার রাও। অভিনেতা পর্দায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে কোনও খামতি রাখতে চান না। নিজেকে প্রস্তুত করতে আরও বেশ কিছুটা সময় নিচ্ছেন অভিনেতা। শুটিং শিডিউল পিছিয়েছেন নির্মাতারা। পুজোর পর অক্টোবর মাসে কলকাতায় পা রাখবেন রাজকুমার রাও। সৌরভের সঙ্গে থেকে তাঁকে কাছ থেকে পরখ করবেন। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়কের ব্যক্তিত্ব, বাঁহাতি পারফরম্যান্স থেকে ফিল্ডিং সাজানোর স্ট্র্যাটেজি শিখবেন।

মঙ্গলেই কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’র বায়োপিকের নির্মাতারা। কলকাতায় ক্রিকেটের পীঠস্থান ইডেন গার্ডেন্স থেকে শুরু করে ময়দানের মতো লোকশনগুলিতে ঢুঁ মেরেছেন রেইকির জন্য। এখানেই শেষ নয়। রেইকির ফাঁকে টিম নিয়ে মহারাজের বাড়িতে দেখা করে আসেন পরিচালক বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ক্রিকেটের শুরুয়াত যেখান থেকে, সেই দুখীরাম কোচিং সেন্টারও ঘুরে দেখেছে টিম। ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, আগামী বছর জানুয়ারি মাসেই শুরু হবে ছবির শুটিং। আর সেটাও ‘দাদা’র নিজের শহর কলকাতা থেকেই। কথা ছিল, চলতি বছরের জুলাই মাসেই সৌরভের বায়োপিকের শুটিং শুরু হবে। কিন্তু অভিনেতার কড়া হোমওয়ার্কের জন্য শুটিং শিডিউল পিছিয়ে দেওয়া হয়। রাজকুমার বলেছিলেন, “দাদার জীবনী পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে সকলেই ভীষণ তটস্থ। খুব যত্ন নিয়ে সিনেমাটা তৈরি করতে চাইছি আমরা। তাই প্রস্তুতির জন্য আমাদের আরও কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। সেই জন্যই শুটিং পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে পরের বছর। কারণ ভারতীয় ক্রিকেটদুনিয়ার এহেন আইকনের চরিত্রে অভিনয় করা একটা বড় দায়িত্ব। আমি ক্রিকেট খেলতে পারি। কিন্তু দাদার মতো বাঁ-হাতি ব্যাটার নই। আমি ডান হাতেই ব্যাট করতে অভ্যস্ত। সেটা রপ্ত করতেই আমার সময় লাগবে একটু।”




