সাড়ম্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এসপ্লানেড থেকে বউবাজার হয়ে শিয়ালদহ মেট্রোর উদ্বোধন করলেন। মেট্রোর সম্প্রসারণে আরও একধাপ এগোল কলকাতা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে চালু হল কলকাতা ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো পরিষেবা। এই রুটে সপ্তাহে কতগুলি মেট্রো মিলবে? কখন থেকে শুরু হবে পরিষেবা? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই তিনটি রুটে নতুন মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন। একই সঙ্গে তিনি হাওড়ায় একটি সাবওয়ে চালু করলেন এবং নতুন তিনটি মেট্রো করিডরে ট্রেন পরিষেবার সূচনা করেন।

যারফলে এখনও শিয়ালদহ থেকে হাওড়ার দূরত্ব পৌঁছল কয়েক মিনিটের ব্যবধানে। কলকাতা মেট্রোরেলের তরফে আগেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছিল যে, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরই যাত্রী সাধারণের জন্য মিলবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো পরিষেবা। গ্রীন লাইনে হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত এই পরিষেবা মিলবে-সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত। এবং প্রতিদিন ১৮৬টি মেট্রো (দুই দিক থেকে ৯৩টি করে) চলবে এই রুটে। প্রতি ৮ মিনিট অন্তর পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। প্রথম ট্রেন: সকাল ৬:৩০ হাওড়া ময়দান থেকে। এবং সকাল ৬:৩২ সেক্টর ফাইভ থেকে। শেষ ট্রেন- রাত ৯:৪৫ হাওড়া ময়দান থেকে। এবং রাত ৯:৪৭ মিনিটে সেক্টর ফাইভ থেকে। রবিবার মিলবে ১০৪টি পরিষেবা। ১৫ মিনিট অন্তর মেট্রো। প্রথম মেট্রো সকাল ৯টা, শেষ মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে রাত ৯:৪৫ মিনিটে।

অরেঞ্জ লাইনে মেট্রো পরিষেবা মিলবে ২৫ আগস্ট সোমবার থেকে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন ৬০টি মেট্রো পরিষেবা (দুই দিক থেকে ৩০টি করে) মিলবে। প্রতি ২৫ মিনিট অন্তর পরিষেবা পাওয়া যাবে। প্রথম মেট্রো সকাল ৮টা। শেষ মেট্রো রাত ৮টা ৫ মিনিট। শনিবার ও রবিবার পরিষেবা থাকবে না। এই রুটেও প্রথম মেট্রো পরিষেবা মিলবে সাধারণ মানুষের জন্য ২৫ অগাস্ট সোমবার থেকে। সোমবার থেকে শুক্রবার প্রতিদিন ১২০টি মেট্রো (দুই দিক থেকে ৬০টি করে) চলবে ইয়েলো লাইনে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট অন্তর পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। প্রথম মেট্রো: সকাল ৭:৫৮ মিনিটে। শেষ মেট্রো: রাত ৮টা-তে।

এছাড়াও এই রুটেও শনিবার ও রবিবার পরিষেবা থাকবে না। কলকাতা মেট্রোরেলের নতুন তিনটি রুট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর ফলে হাওড়া ময়দান থেকে সরাসরি মেট্রোরেলে চড়ে যেমন সল্টলেক সেক্টর ফাইভে পৌঁছে যাওয়া যাবে, তেমনই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও পৌঁছে যাওয়া যাবে। ফলে অসংখ্য যাত্রীর সুবিধা হতে চলেছে। অফিসযাত্রীদের যেমন সুবিধা হবে, তেমনই পর্যটকদেরও লাভ হবে।




