Monday, July 27, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বাংলার ক্রিকেটে ফের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ!‌ সদস্যের হোটেলেই ৩৬ লক্ষ টাকা ভাড়া মিটিয়েছে সিএবি?‌

সিএবি-র ওম্বাডসম্যান ও এথিক্স অফিসারের কাছে একটি অভিযোগপত্র জমা পড়েছে। স্বার্থের সংঘাতে জড়ানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে ফিনান্স কমিটির সদস্যের বিরুদ্ধে। সদস্যের হোটেলেই ৩৬ লক্ষ টাকা ভাড়া মিটিয়েছে সিএবি! বড় গলা সুব্রতর। পকেট থেকে দিয়ে ক্লাব করি। গড়িয়াহাটের একটি বিলাসবহুল হোটেল। সেই হোটেলকে ঘিরেই আচমকা বিতর্ক বাংলার ক্রিকেটে। গড়িয়াহাটের একটি হোটেলের ঘরভাড়া বাবদ গত দু’বছরে ৩৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৪০ টাকা মিটিয়েছে সিএবি। বিতর্ক শুরু অন্য এক কারণে। যে হোটেলের জন্য গত দু’বছরে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার বিল মিটিয়েছে সিএবি, সেই হোটেলের অন্যতম মালিক সিএবি-রই ফিনান্স সাব কমিটির সদস্য। সিএবি-র সমস্ত খরচ দেখা, বিল পাশ করা, বরাদ্দ ঠিক করা, বাজেট কষা যে কমিটির দায়িত্ব। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সিএবি-র ফিনান্স কমিটির সদস্য নিজের হোটেলই ভাড়া দিচ্ছে সিএবি-কে, এটা স্বার্থের সংঘাত। এ বিষয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার জন্য সিএবি-র ওম্বাডসম্যান, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য ও এথিক্স অফিসার, প্রাক্তন বিচারপতি অসীম কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রটি দিয়েছেন মহাদেব চক্রবর্তী। কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কর্তা ও বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক হিসাবে কর্মরত। মহাদেব সিএবি-র অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্যও। তাঁর বিরুদ্ধে কিছুদিন আগেই অভিযোগ উঠেছিল যে, তিনি তথ্য গোপন করে সিএবি-র অ্যাপেক্স কাউন্সিলে রয়েছেন। লোঢা কমিটির সুপারিশে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সহ সমস্ত রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার সংশোধিত গঠনতন্ত্রে বলা রয়েছে, সরকারী কর্মী কেউ ক্রিকেট প্রশাসনের পদাধিকারী হতে পারবেন না বা কার্যকরী কমিটিতে থাকতে পারবেন না। মহাদেবের বিরুদ্ধে সেই নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠেছিল। যে কারণে সিএবি-র শেষ অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকে মহাদেব যোগ দিতে পারেননি। সেই মহাদেবই এবার আইনি চিঠি পাঠিয়েছেন সিএবি-র ওম্বাডসম্যান ও এথিক্স অফিসারের কাছে। যেখানে সিএবি-র ফিনান্স কমিটির সদস্য, বেলগাছিয়া ইউনাইটেড ক্লাবের প্রতিনিধি সুব্রত সাহার বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতে জড়ানোর অভিযোগ করা হয়েছে। সুব্রত গড়িয়াহাটের ওই হোটেলের অন্যতম মালিক বলেও দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগকে আমল দিচ্ছেন না সুব্রত। তাঁর মতে, সিএবির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে। সুব্রত বললেন, ‘যা বলার, সঠিক জায়গায় বলব। কয়েকদিনের মধ্যেই সব জানাব। সিএবি-র বার্ষিক সাধারণ সভার আগে এই অভিযোগ কেন করা হচ্ছে, বোঝাই যাচ্ছে।’ যোগ করলেন, ‘আমরা নিতে আসিনি, দিতে এসেছি। কখনও টাকা নিয়ে ক্লাব করিনি। বরং পকেট থেকে টাকা দিয়ে ক্লাব করি। যার যেটা মনে হয়েছে অভিযোগ করেছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles